ফ্রি টিকিটের পরও ফেতনাবাজদের শোডাউন সুপার ফ্লপি। ফেতনার ইজতেমা সরকারের নির্ধারিত সময়ের আগেই শুরু। সকল রকম সরকারি সুযোগ-সুবিধার পরও বিদেশিদের উপস্থিতি ৩০,০০০ এর স্থলে ৩০০ শত এর কম।

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যাবতীয় সুযোগ-সুবিধার পরও ফেতনাবাজ আলমী শুরার ১ম বাংলাদেশ জাতীয় ইজতেমা সুপার ফ্লপি হিসাবে ইতিহাস করে নিয়েছে।

সরকার কতৃক সরকারি ছুটির দিনে এবং ৪ দিনের প্রথম দুই দিন ফেতনার ইজতেমা আয়োজনের সুযোগ পায় ফেতনাবাজ আলমী শুরারা। খোলা ময়দানে তথা বিশ্ব ইজতেমার মাঠে সারা পৃথিবীতে এটাই ফেতনাবাজদের “প্রথম আন্তর্জাতিক ফেতনা”।

যদিও বাংলাদেশ সরকার কতৃক ফেতনাবাজদের ইজতেমার তারিখ ঘোষণা করা হয় ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু এ ক্ষেত্রেও সরকার তাদের ১৪ ফেব্রুয়ারি ফজরের পর ইজতেমার মাঠ ছেড়ে দেয়।

তাছাড়া ইজতেমার ময়দান প্রস্তুতির সুযোগও সরকার ফেতনাবাজদের প্রদান করে। সরকারের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সকল ব্যাপারেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সরকারের স্বচ্ছতার বিষয়টি সাধারনের মাঝে সন্দেহ সৃষ্টি করেছে। মূলধারার তাবলীগের অনুসারীরা আপওি জানালেও সরকারের নিরবতা দেশবাসীকে হতাশ করেছে।

মাদরাসার ছাএদের ইজতেমা ময়দানে সরকার নিষিদ্ধ করলেও, ইজতেমার ময়দান প্রস্তুতি সহ ৭০% ময়দান তাদের দিয়েই পূরন করা হয়েছে। অপ্রাপ্তবয়স্ক বিপুল সংখ্যক মাদরাসার ছাএদের ময়দানে দেখা যাচ্ছে।

সরকারি ভাবে বিদেশি মেহমান হিসাবে “আলমী শুরার” প্রধান মাওলানা আহমদ লাট ও মাওলানা ইব্রাহিম দেওলার কেউই ইজতেমায় অংশ নিতে পারবেনা জানালেও উভয়ই সরকারি ভিসা নিয়ে ইজতেমার ময়দানে।

যে সকল বিদ্রোহী নিজামুদ্দিন ত্যাগী বিদেশি “আলমী শুরার” হয়ে ১ম বাংলাদেশ আলমী ফিতনার জাতীয় ইজতেমায় অংশ নিচ্ছেনঃ

(১) আলমী শুরার প্রধান ভারতের গুজরাটের জনাব, মাওলানা আহমদ লাট সাহেব।

(২) আলমী শুরার ২য় প্রধান ভারতের জনাব, ইব্রাহিম দেওলা।

(৩) আলমী শুরার অন্যতম মাওলানা যোহাইরুল হাসান সাহেব, ভারত।

(৪) পাকিস্থানের প্রধান মাওলানা খুরশীদ।

(৫) মাওলানা জিয়াউল হক, পাকিস্তান।

(৬) শেখ গাচ্ছান, সৌদি আরব।

(৭) মাওলানা আকবর শরীফ নদভী, ব্যাঙ্গালোর।

(৮) ড. সানাউল্লাহ আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়।

(৯) ভাই ফারুক, ব্যাঙ্গালোর।

(১০) ড. খালিদ সিদ্দিক, আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়।

(১১) প্রফেসর আবদুর রেহমান, তামিলনাড়ু।

(১২) শেখ ইয়ামিন, পাকিস্তান।

ফ্রি টিকিটের পরও বিদেশিদের উপস্থিতি ৩০,০০০ এর স্থলে ৩০০ শত এর কম।

গত ২০১৮ সালের পূর্ব সকল বিশ্ব ইজতেমায় বিদেশি মেহমানদের উপস্থিতি সব সময় ২৫,০০০-৩০,০০০ এর বেশি। যেহেতু ফেতনাবাজ আলমী শুরার দল এই ছিনতাই ইজতেমাকে শোডাউন করে পৃথিবী জুড়ে জানান দেয় এবং বাংলাদেশের আলমী গুরু কাজ্জাব কারী যোবায়ের সরকারের সিদ্ধান্তের আগেই বিশ্ব ব্যাপী চিঠি প্রেরণ করে। আর অপর ওয়ার্ল্ডওয়াইড আলমী গুরু ড. আওয়াল আমেরিকা থেকে হেভিওয়েট “আলমী শুরার” নেতাদের সহিত জোরদার যোগাযোগ করে ফেতনার ইজতেমা সফলের যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহন করে। একই সময় বিশ্বজুড়ে ফ্রি বিমানের টিকিটের অফার করা হয়। তারপরও ৩০,০০০ এর স্থলে ৩০০ শতের কম বিদেশি ফেতনা ইজতেমায় অংশ নিয়েছে

আর যেহেতু, মূলধারার তাবলীগের অনুসারীরা তাদের বিশ্ব আমীর মাওলানা সাদ সাহেবের অনুসরণ করেন এবং যেহেতু বিশ্ব আমীর মাওলানা সাদ সাহেব এই ইজতেমায় শরিক হবেন না, সেহেতু সারা পৃথিবীর বিদেশি মূলধারার তাবলীগের অনুসারীরা এই ইজতেমাকে বর্জন ঘোষনা করেছে, বিধায় বাংলাদেশ সরকারও “বিশ্ব ইজতেমা” কে এ বছরের জন্য জাতীয় ইজতেমা ঘোষনা করে।

এত সুবিধার পরও ফেতনাবাজ আলমী শুরার বাংলাদেশ জাতীয় ইজতেমা সুপার ফ্লপি।

Advertisements