জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার একটি জামাতের কারগুজারি।

Photo Editor-20190314_111317.jpgলেখকঃ মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম মিলন

নিজ জেলায় চলতি জামাতের জিম্মাদার, আমার প্রিয় বড় ভাই ও মুরুব্বি জনাব মোস্তফা কামাল সাহেব গত রাতে ফোন দিয়ে আমাকে বলছেন, মিলন, আজকে মাদারগঞ্জের এই এই কারগুজারী। এ ব্যাপারে একটু নিউজ করলে ভাল হয়। তাই সাথে সাথে লিখে ফেললাম —–

ওও আমার মাওলা! ওও আমার রব্ব! ওওও আমার আল্লা—–হ্ ! আমরাতো এত সুসংবাদ পাওয়ার উপযুক্ত নই !

কিভাবে আমরা যে আপনার শুকরিয়া আদায় করবো, তাতো জানিই না!
শুধু বলি, আলহামদুলিল্লাহ ! আলহামদুলিল্লা–হ ! আলহামদুলিল্লা—হ !

কথিত আলমী শুরা পক্ষীয়দের বলি,
আপনারা আর কত লজ্জিত হবেন? কত অপদস্থ হবেন? আর কত ছোট হবেন? খোদার কসম আপনাদের লজ্জা আমাদেরও লজ্জা ! এবার থামুন প্লিজ ! নিছক জিদের বশবর্তী হয়ে হককে আপনারা নিভাতে পারবেন না, ইনশাআল্লাহ।

আপনারা কি ভুলে গেছেন, মজলুমদের সাথে যে স্বয়ং আল্লাহ থাকেন? এবং আহংকারীকে আল্লাহ অপদস্থ করেন? আর আল্লাহর জন্য যারা ছোট হয়, আল্লাহ তাঁকে বড় করেন?

আপনারাই না কত জায়গায় বয়ান করেন, মহান আল্লাহ সংখ্যাধিক্যের দিকে তাকান না। আল্লাহ তাআলার কাছে এখলাসের খুব মূল্য। এখলাসওলাদের সাথেই আল্লাহ থাকেন। তাহলে সব সময়, সব জায়গায় সংখ্যার ঝনঝনানি প্রদর্শণ করেন কেন? আপনারা কি কিতাবে পড়েননি, সেই বদরের যুদ্ধের ইতিহাস? পড়েন নাই সেই হুনায়েনের যুদ্ধের ইতিহাস? নাকি, নিছক তা বয়ান বক্তিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ? এক্বীন নাই কি তাতে? – মাপ চাই !!
এগুলো আমাদের রাগের বহিঃপ্রকাশ নয়, শুধুই বুক ভরা ব্যাথার বহিঃপ্রকাশ!

কয়টা বলবো, আপনাদের ডাহা মিথ্যাচার, মিথ্যা সংখ্যার বড়াই, আমাদের প্রতি জঘন্য ধরণের অবজ্ঞা, সবকিছুই আজ আমাদের ইমান বর্ধকের কারণ হয়েছে। আমরা যেন মহান আল্লাহতাআলার ক্বুদরত, মদত ও সাহায্যকে স্বচোক্ষে দেখছি। অন্যায়ভাবে আপনারা যতই আমাদের নীচু করতে চাচ্ছেন, যেন ততই আল্লাহ আমাদের উঁচু করছেন আর আপনারা ততই নীচু হচ্ছেন। কিন্তু আপনাদের নীচু হওয়াটা আমাদের কখনোই কাম্য নয়!

আলহামদুলিল্লাহ ! জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানা শহরে তাবলীগের মূল ধারার ৩ টি জামাত বর্তমানে চলছে এবং কথিত শুরা পক্ষীয়দের একটি জামাতও শহরে নেই।

গতকাল ঢাকা শ্যামলীর একটি ছাত্র জামাত মাদারগঞ্জ মেইন শহরের কথিত জমহুরদের পেটের ভিতরের একটি মসজিদে রোখে আসলে উনারা তেলেবেগুনে জ্বলে যান। এবং উনাদের পূর্ব রোগের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে মোটরসাইকেলের বহর বারবার প্রদর্শন করতে থাকেন। এবং বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শন সহ জামাতকে বের করে দেয়ার পায়তারা চালাতে থাকেন। একপর্যায়ে স্থানীয় তাবলীগের মূল ধারার সাথী ও সাধারণ মুসল্লীরা এলাকার রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, ৪ নং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাহেব, পৌর মেয়র মহোদয়, উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয় ও প্রশাসনকে অবগত করে। পরিশেষে টিএনও মহোদয়ের স্বউদ্যোগে উভয় পক্ষের ৫ জন করে ডাকেন। সেখানেও জমহুরগণ বেহুদা সংখ্যাধিক্যের প্রদর্শন করতে ভুলেন নি ! কিন্তু মহান আল্লাহ আমাদের পক্ষে থাকার কারণে প্রশাসন ও উচ্চ মহলের দ্বীলে আমাদের প্রতি রহম ঢেলে দেন।

আল্লাহ যেন প্রশাসন, উচ্চ মহল ও সকল সাচ্চা দ্বীনের সাহায্যকারীকে উপযুক্ত পুরস্কারে পুরস্কৃত করেন। আমীন।

ফয়সালা হয়, অবশ্যই ছাত্র জামাত ঐ মসজিদেই ৩ দিন থাকবে। এবং ভবিষ্যতে কোন জামাতকে কেউ কোন মসজিদ থেকেই বের করে দিতে পারবে না।

মাদারগঞ্জে রোখে আসা উভয়পক্ষের জামাতকে রোখের সুষ্ঠু বন্টনের জন্য উভয়পক্ষেরই একজন একজন করে দু’জনে বসে সিদ্ধান্ত নিবে। কোন কারণে উনারা দু’জন ব্যার্থ হলে থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি ও টিএনও মহোদয়ের সহযোগিতা নিয়ে ফয়সালা করবেন।

জনাব মোস্তফা কামাল সাহেবের নিজ জেলার জামাতটি মির্জা আজম এমপি মহোদয়ের বাড়ীর মসজিদে থাকার সুবাদে আজ বৃহস্পতিবার পুরা মাদারগঞ্জ থানার মূল ধারার সাথীদের আছর থেকে এশার পর পর্যন্ত এখানে জোড় ডাকা হয়েছে।

উল্লেখ্য, মাননীয় এমপি মহোদয়ের বাড়ীর মসজিটিই মাদারগঞ্জ থানার তাবলীগের মূলধারার বর্তমান মার্কাজ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

 

Advertisements

বিশ্ব আমীরের ইজতেমায় অংশ না নেওয়ায়, সারা দুনিয়ার বিদেশিদের বাংলাদেশ জাতীয় ইজতেমা বর্জনের মধ্যে দিয়ে নিজামুদ্দিন অনুসারীদের দেশীয় জাতীয় ইজতেমা শুরু।

বিশ্ব আমীর ছাড়া বিশ্ব ইজতেমার পরিবর্তে আজ শুরু হয়েছে আসল তাবলীগের নিজামুদ্দিন অনুসারীদের দুই দিনের ১ম বাংলাদেশ জাতীয় ইজতেমা। বিশ্ব আমীর হজরতজী মাওলানা সাদ সাহেব দাঃবাঃ বাংলাদেশ জাতীয় ইজতেমায় অংশগ্রহণ বিষয়ে অপরগতা প্রকাশ করায়, সারা দুনিয়ার তাবলীগের বিদেশি অনুসারীরাও এই ইজতেমাকে বর্জন ঘোষণা করেন। ফলে বিদেশি শূণ্য জাতীয় এই ইজতেমায় শুধুমাত্র “নিজামুদ্দিন” এর একটি নিয়মিত জামাত অংশগ্রহণ করেছেন। তাছাডা বাংলাদেশে নিয়মিত সময় লাগাতে আসা বেশ কিছু বিদেশি চিল্লার জামাতও জাতীয় ইজতেমায় অংশ নিচ্ছেন।

অদ্য দুপুরে ফেতনায়ে খবিসা আলমী শুরাপন্থিরা ইজতেমা ময়দান ত্যাগ করার পর, নিজামুদ্দিন অনুসারীদের “নজমের” সাথীরা বিকাল ৫টার পর ইজতেমা ময়দানে প্রবেশ করে এবং সরকারের কাছ থেকে নজমের দায়িত্ব বুঝে নেন। একই সংগে নিজামুদ্দিন অনুসারীদের কয়েক হাজার সাথী ময়দান পরিস্কারের জন্য এই মূহুর্তে ময়দানে কাজ করছেন।

 

পুরাপুরি সরকারী নিয়ম মেনে নিজামুদ্দিন অনুসারীদের সারা দেশের ৬৪ জেলার জামাত রবিবার ফজরের পূর্বে ময়দানে প্রবশ করবেন। ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি দুই দিন ইজতেমা শেষে ১৯ ফেব্রুয়ারি সকালে আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ১ম বাংলাদেশ জাতীয় ইজতেমা।

 

 

তুরাগ নদীর পাড়ে জাতীয় ইজতেমায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আহত ৪০

তুরাগ নদীর তীরে আলমী শুরার প্রথম দুই দিনের আনুষ্ঠানিক শুরুতে অদ্য শুক্রবার জুম্মার নামাজের পূর্বে ২ নং খিওায় রান্নার সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৪০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। আহতদের তুরাগ নদীর তীরের আহসানিয়া মিশন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আহতদের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। বিকট শব্দে বিস্ফোরণের আওয়াজে ভীড়ে আতংক ছড়িয়ে পড়ে, ফলে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে আহতদের সংখ্যা বেড়ে যায়।

জানা যায়, কিশোর ও অপ্রাপ্তবয়স্ক মাদরাসার ছাএদের দিয়ে গ্যাস সিলিন্ডারে রান্নার কাজ করানো হচ্ছিল। ইজতেমা ময়দানের ৭০% শতাংশ মাদরাসার কিশোর ছাএদের দিয়ে ভরাট করা হয়েছে। ভিডিও চিএে একজন কিশোরকে মাদরাসার ছাএদের ধরাধরি করে চিকিৎসার জন্য নিতে দেখা যাচ্ছে। এখনও কোন মৃত্যুর খবর পাওয়া যায় নাই। ভিডিও সংযুক্ত।

ইজতেমা আয়োজন ঘিরে আবারও “বর্গী এলো দেশে”। মারাঠা, পাক ও দেশীয় বর্গীদের সহায়তায় সরকার। অবশেষে কথা রাখেনি সরকার। মারাঠা বর্গী “আলমী শুরা” ফেতনার প্রধান “আহমদ লাট” ঢাকায়। ফ্রি টিকিটে ফেতনার ইজতেমায় বিদেশিরা।

শেখ জামান, নিউইয়র্ক থেকে।

ভূমিকাঃ

পরিবর্তন প্রকৃতির নিয়মেরই অঙ্গ। মানুষ চাই পরিবর্তন – নিজেদেরই স্বার্থে। আর মানুষ যখন জোর করে নিজেদের স্বার্থে কোন পরিবর্তন আনে, প্রকৃতি সেই পরিবর্তনে সায় নাও দিতে পারে।

প্রকৃতির এমনই একটা নিয়মেই অতি শৃঙ্খলা ও নিয়মের মধ্যে বাংলাদেশে চলে আসছিল “বিশ্ব ইজতেমার” আসর। গত বছর ২০১৮ থেকে, যে নিয়মে হঠাৎ করে স্বার্থান্বেষী মানুষের নিজেদের স্বার্থ প্রকাশিত হয়ে পড়ে। স্বার্থের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে একটি বিশেষ মহল। যুদ্ধ করে দেশ দখল, ক্ষমতা দখল, চর দখল করার মতই, আবারও দেশে নব বর্গীর আক্রমণ হয়েছে “বিশ্ব ইজতেমার” আয়োজনকে ঘিরে। অশান্ত হয়ে পড়েছে দেশ। নিরীহ মুসলমানদের উপর গত ১ বছর ধরে চলছে অসভ্য “নব বর্গিদের” জুলুম ও অত্যাচার। ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।

(“ছবি বিশ্ব ইজতেমার বদলে জোর করে পরিবর্তন “আলমী শুরার” ইজতেমা”)

ঐ যুগে ভারতবর্ষের মারাঠা বর্গীর প্রধান ও আধ্যাত্মিক নেতা শিবাজী, “মারাঠা বর্গী”দের একটি শিক্ষা ভালোভাবেই দিয়েছিলেন, আর তা হচ্ছে সাম্প্রদায়িকতা অর্থাৎ “মুসলমান হিন্দুর শত্রু”

আর এখনকার “নব বর্গি” নেতাদের শিক্ষা আরও ভয়ংকর, আর তা হল, অতিমাত্রার সাম্প্রদায়িকতা অর্থাৎ “মুসলমান মুসলমানের শত্রু“।

তবে এবার “মারাঠা বর্গী” একা নয়, সংগে আছে পাকিস্তানি ও দেশী বর্গী। আর সেই আমলে অসভ্য “মারাঠা বর্গিদের” ঘোড়া, অস্ত্রশস্ত্র ও রসদ জোগান দিতেন ওই সময়ের সম্রাট। যেমনটা এখন বাংলাদেশ সরকারের আশ্রয়ে আছে “নব বর্গিদের দল”, ভোগ করছে সকল রকম সরকারি সুযোগ-সুবিধা। আর নব বর্গিদের অত্যাচারের মাএাও যাচ্ছে বেড়ে নিরীহ মুসলমানদের উপর।

আসুন আবারো জেনে নিই মারাঠা বর্গিদের ইতিহাসঃ

মারাঠা বর্গিদের নিষ্ঠুর অত্যাচারে এ দেশের মানুষ এক সময় এত আতঙ্কগ্রস্ত ছিল যে ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের কান্না থামানোর জন্য এখনও বাংলার মায়েরা বর্গিদের ত্রাসকে মনে করিয়ে আওড়িয়ে থাকেনঃ

“ছেলে ঘুমালো পাড়া জুড়ালো
বর্গি এলো দেশে,
বুলবুলিতে ধান খেয়েছে
খাজনা দিব কিসে।”

সম্রাট আওরঙ্গজেবের রাজত্বকালে ভারতের মহারাষ্ট্র, গুজরাট সহ বেশ কিছু এলাকা জুড়ে এক নতুন জাতির আবির্ভাব হয়। আর সে জাতির নাম হল মারাঠা জাতি। মারাঠা জাতি ছিল যাযাবর ও দস্যু প্রকৃতির। আর এ দস্যুবৃত্তির জন্য মারাঠারা চিরদিনের জন্য ইতিহাসে কুখ্যাত ছিল। তারা অতর্কিত বিভিন্ন গ্রাম ও শহরবাসীদের উপর চড়াও হয়ে দখল, লুটতরাজ ও অগ্নিসংযোগ, খুন-খারাবি করতো।আসলে বর্গি হলো অষ্টাদশ শতাব্দীর লুটতরাজপ্রিয় অশ্বারোহী মারাঠা সৈন্যদলের নাম। ১৭৪১ থেকে ১৭৫১ সাল পর্যন্ত দশ বছর ধরে বাংলার পশ্চিম সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে নিয়মিতভাবে লুটতরাজ চালাত বর্গিরা। বর্গিহানা এই সময় একপ্রকার বাৎসরিক ঘটনায় পরিণত হয়েছিল।

দশ বছরের মতো বর্গিরা নিয়মিত বাংলায় লুটতরাজ চালায়। সমসাময়িক ঐতিহাসিকগণ বর্গিসন্ত্রাস এবং বর্গিদের অতর্কিত আক্রমণ পদ্ধতির সামনে নবাব বাহিনীর অসহায়তার পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা দিয়েছেন।

মারাঠি বর্গিরা অভিযানে যাওয়ার সময় কেবলমাত্র একটি সাত হাত লম্বা কম্বল ও বর্শা নিয়ে বের হত। এই বর্শাকে মারাঠি ভাষায় বলা হত বরচি। এই নাম থেকেই ধনগররা বারগির বা বর্গা ধনগর বা বর্গি নামে পরিচিত হয়।

মারাঠা জাতির রক্তের ইতিহাসে মিশে আছে গাদ্দারি ও বিশ্বাসঘাতকতার ইতিহাসঃ

যেহেতু মারাঠারা প্রধানতঃ ভারতের মহারাষ্ট্র ও গুজরাটের অধিবাসীদের অন্তভূক্ত। যারা এখনও ইতিহাসে “মারাঠা বর্গী” নামে পরিচিত। সেহেতু ভারতের ইতিহাসে এ অঞ্চলের মানুষদের রক্তের সাথে “বিশ্বাসঘাতকতার” ইতিহাস মিশে আছে। তাই কখনো কখনো ভারতবর্ষের এ অঞ্চলের কোন কোন মানুষদের বড় বড় বিশ্বাসঘাতকতার কাজে জড়িত হবার দৃষ্টান্তও ইতিহাসে দেখা যায়। যেমনটি ধরুন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথা। গুজরাটের আদি অধিবাসী। ভারতবর্ষের ইতিহাসে মুসলমানদের নিধন ও অত্যাচারের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ংকর নাম নরেন্দ্র মোদি। তার সময়ে সবচেয়ে ভারতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মুসলমানরা। ভারতের আাদালত ব্যাবহার করে একের পর পর মুসলিম ও কোরান বিরোধী আইন পাশ করে নিচ্ছে। কোরানের আইন তিন তালাক প্রথা রোধ করা হয়েছে। কোরান ও সুন্নাহ বিরোধী সমকামিতাকে বৈধ করা হয়েছে। বৈধতা দেওয়া হয়েছে পরকীয়া প্রেমের। ভারতের বাবরি মসজিদের অধিকার থেকে মুসলমানদের দূরে সরিয়ে আইন পাশ করানো হয়েছে, আদালত দিয়ে বাবরি মসজিদ সংক্রান্ত রায়ে বলানো হয়েছে, নামাজ পড়তে মসজিদের প্রয়োজন নাই। মুসলমানদের গরুর মাংস খাওয়া রোধে গো-হত্যা আইনের নামে মুসলমানদের উপর জুলুম করা হচ্ছে।

পাঠক হয়তো চিন্তা করছেন, ইজতেমা বিষয় রিপোর্ট করতে যেয়ে কেন এসব অপ্রাসঙ্গিকতা? এর সবই প্রাসঙ্গিক। এবার আসা যাক আসল বিষয়েঃ

ভারতের হিন্দু প্রধানমন্ত্রী মিঃ নরেন্দ্র মোদি ঐ যুগে ভারতবর্ষের মারাঠা বর্গীর প্রধান ও আধ্যাত্মিক নেতা শিবাজীর “মারাঠা বর্গী”দের উদ্দেশ্যে দেওয়া শিক্ষাটি যথাযথ ভাবেই রপ্ত করেছেন, আর তা হচ্ছে সাম্প্রদায়িকতার শিক্ষা অর্থাৎ “মুসলমান হিন্দুর শত্রু”। আর যে কারনে দুনিয়াজুড়ে মুসলিম নিধন সহ ভারতের রাজধানী দিল্লীর অতি নিকটেই শত বছর আগে গড়ে ওঠা সারা দুনিয়ায় মুসলমানের এক হওয়ার সংগঠন নিজামুদ্দিন বস্তির “তাবলীগ জামাত” ধবংসে মরিয়া ভারতের হিন্দু সরকার ও তার দোসর ইসরায়েলের টাকায় বাছাই কৃত “বর্গির দল” আজ ভারতবর্ষ সহ দুনিয়াজুড়ে বিশেষ এক মিশনে নেমেছে

বর্তমান বিশ্বে মুসলমানদের মধ্যে অনেক অনেক বিভক্তি। মুসলিম উম্মাহ অনেক বড় আর বিস্তৃত। হাজারো মত পথ, আন্দোলন, সংগঠন, জামাত উম্মতের মধ্যে বিদ্যমান। আর এই সমস্ত বৈচিত্রকে গ্রহণ করে সারা দুনিয়ার চার মাযহাবের সমস্ত উম্মতকে নিয়ে চলনেওয়ালা এক মোবারক সংগঠন তথা একটি ঐক্যবদ্ধ, সুশৃঙ্খল জামাত হলো “তাবলীগ জামাত”।

সারা দুনিয়ায়জুড়ে সবচেয়ে সুশৃঙ্খল বৃহত্তর এই মোবারক জামাতের সংগঠনটি ধ্বংস করাই মুসলিম বিরোধীদের প্রধান টার্গেট। আর এ জন্য “মুসলিম বিরোধী বিশেষ চক্রটি” এই সংগঠনের মধ্যে থেকে কিছু নিবেদিত প্রাণ মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে এই সংগঠন থেকে বের করে এবং সংগঠনটির বিকল্প হিসাবে বিরোধী একটি বিশেষ দলকে দাঁড় করানোর চেষ্টা করে। যারই ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালে পাকিস্তানে গঠিত হয় আসল দাওয়াতে তাবলীগের প্রতিষ্ঠান “তাবলীগ জামাত” বিধ্বংসী “আলমী শুরা”। বিশ্বব্যাপী ঘোষনা করা হয়, “মারাঠা বর্গী” মহারাষ্ট্র গুজরাটের অধিবাসী নিজামুদ্দিনের পুরাতন মুরব্বি “আহমদ লাট” নিজামুদ্দিন থেকে বেরিয়ে গেছে। তাই ঢাক-ঢোল পিটিয়ে আর এক বর্গীদেশ “পাকিস্তানের” সহায়তায় গঠন করা হয় ফেতনায়ে খবিসা “আলমী শুরার”। আর এ কাজে প্রকাশ্য সহায়তা করে ভারতের “দারুল উলুৃম দেওবন্দ”। আর বিশ্বাসঘাতক ভারতের মারাঠি-গুজরাটি ” আহমেদ লাট”, ইব্রাহিম দেওলা, পাকিস্তানের বর্গীনেতা মাওলানা ফাহিম-খুরশিদ-তারিক জামিল, বাংলাদেশের দেশীয় বর্গী ড.আওয়াল-করি যোবায়ের গং-হেফজতি শফি-মাহফুজ গং, দওয়াতুল হকের মাহমুদুল হাসানদের দায়িত্ব দেেওয়া হয় তাবলীগ ধ্বংসের।      

পাঠক পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথা। গুজরাটের আদি অধিবাসী। ভারতবর্ষের ইতিহাসে মুসলমানদের নিধন ও অত্যাচারের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ংকর নাম নরেন্দ্র মোদি। তার সময়ে সবচেয়ে ভারতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মুসলমানরা। ভারতের আাদালত ব্যাবহার করে একের পর পর মুসলিম ও কোরান বিরোধী আইন পাশ করে নিচ্ছে। কোরানের আইন তিন তালাক প্রথা রোধ করা হয়েছে। কোরান ও সুন্নাহ বিরোধী সমকামিতাকে বৈধ করা হয়েছে। বৈধতা দেওয়া হয়েছে পরকীয়া প্রেমের। ভারতের বাবরি মসজিদের অধিকার থেকে মুসলমানদের দূরে সরিয়ে আইন পাশ করানো হয়েছে, আদালত দিয়ে বাবরি মসজিদ সংক্রান্ত রায়ে বলানো হয়েছে, নামাজ পড়তে মসজিদের প্রয়োজন নাই। মুসলমানদের গরুর মাংস খাওয়া রোধে গো-হত্যা আইনের নামে মুসলমানদের উপর জুলুম করা হচ্ছে। গত ২০১৬ থেকে এতগুলো মুসলিম বিরোধী আইন পাশ করানো হয়েছে, এ বিষয়ে ভারতের ” দারুলউলুম দেওবন্দ” কি একটি ফতোয়াও ইস্যু করেছে? অথচ এই মোদী সরকারের দালাল, মোদীর একান্ত ঘনিষ্ঠ কতিথ মুফতি “ওজাহাত কাসেমী” দিয়ে বিশ্ব আমীরের বিরুদ্ধে কাট-পিস বয়ান নিয়ে “ফতোয়া” নামক বান দিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মুসলমানদের জামাত “তাবলীগ জামাত” ধ্বংসের পথে বর্গীদের সাথে হাত মিলালো “দারুলউলুম দেওবন্দ”।

(ছবি ওজাহাত কাসেমী)

ফেতনার ইজতেমায় অবশেষে ঢাকায় মারাঠা গুজরাটি বর্গী আহমেদ লাট সহ পাকিস্তানি বর্গীদের দলঃ

(ছবি মারাঠা গুজরাটি আহমদ লাট)

কথা রাখেনি সরকার। সরকারের সমথর্ন ও হেফাজত ইসলামের মোড়কে আন্তজার্তিক ভাবে স্বীকৃতি পেল “ফেতনায়ে খবিসা আলমী শুরা”।

ফেতনার ইজতেমায় অবশেষে ঢাকায় পৌঁছিয়েছে মারাঠা গুজরাটি বর্গী আহমেদ লাট, পাকিস্তানি বর্গী মাওলানা খুরশিদ।

ফেতনার ইজতেমার মাঠ ভরাট করা হয়েছে মাদরাসা পড়ুয়া দেশীয় হেফাজতি মারাঠা বর্গী দিয়ে। মারাঠি বর্গিরা অভিযানে যাওয়ার সময় কেবলমাত্র একটি সাত হাত লম্বা কম্বল ও বর্শা নিয়ে বের হত। আর এখন দেশীয় হেফাজতি বর্গীরা মারাঠা বর্গীর আদলে লেখাপড়ার পরিবর্তে সাত হাত লম্বা বাঁশ নিয়ে ঘুরে আর মাথার লম্বা পাগড়িকে ব্যাবহার করে।

আর বিদেশ থেকে ফ্রি বিমানের টিকিট দিয়ে ফেতনার ইজতেমার মাঠে আনা হয়েছে কয়েকজন বিদেশি বর্গী।

সরকারের পুলিশ মন্ত্রী ও রিলিজিয়াস মন্ত্রীর কুটকৌশলে প্রকৃত কোন বিদেশি ইজতেমার মাঠে নেই। যেখানে মূলধারার তাবলীগের ইজতেমা ২৫-৩০ হাজারের বেশি বিদেশি মেহমান শরিক হন, সেখানে বিশ্ব আমীরের অনুপস্থিতিতে ও নিরাপত্তার আশংকায় বিদেশি মেহমানদের আসার ভাঁটা পড়েছে। মুখ তুবড়ে পড়েছে দীর্ঘ দিনের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য “ওয়ার্ল্ড ইজতেমা”। সম্মিলিত ভিনদেশী ও দেশীয় বর্গী বাহিনীর ছোবলে আজ হেদায়েতের পূণ্য ভূমি ” তুরাগ নদীর পাড়”।    

 

 

মূলধারার তাবলীগের অনুসারীদের উপর হেফাজতের উপর্যুপরি তান্ডবের ফলে, আসন্ন ইজতেমা নিয়ে চরম বিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার আশঙ্কার মধ্যে সরকারের জননিরাপত্তা বিভাগের এক আদেশ জারী।

Photo_1549900323612.png

আসন্ন ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ইজতেমা নিয়ে চরম বিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার আশঙ্কার মধ্যে দিয়ে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জননিরাপত্তা বিভাগ-স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, রাজনৈতিক অধিশাখা-৬, অদ্য এক বিশেষ আদেশ জারী করে।

গত ১ বছর যাবত জঙ্গি গোষ্ঠী হেফাজতে ইসলামের উপর্যুপরি সন্ত্রাসী হামলায় দেশে দাওয়াতে তাবলীগের নিরীহ অনুসারীগন, তাদের মসজিদ আবাদী মেহনতে দারুণ ভাবে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। হেফাজতে ইসলামের মোড়কে পাকপন্থি “আলমী শুরারা” একের পর এক মসজিদ ও মারকাজ দখল, দেশী-বিদেশী জামাতকে মসজিদ থেকে বের করে দেওয়া, ওজাহাতি জোড়ের নামে তাবলীগের জেলায় জেলায় ইজতেমাতে বাঁধা, খুন-জখম সহ নানা ভাবে হয়রানি করে চলেছে।

সরকারের স্বরাষ্ট্র ও রিলিজিয়াস মন্ত্রীর সরাসরি ইন্ধনেই এ সকল অন্যায় কাজের প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে মূলধারার তাবলীগের অনুসারীরা। অবশেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করে, মূলধারার তাবলীগের অনুসারীরা সাংবাদিক সম্মেলনসহ নানাভাবে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

অবশেষে অদ্য গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জননিরাপত্তা বিভাগ এক অফিস আদেশ জারী করে। তাবলীগের দেশী-বিদেশী অনুসারীরা যেন সকল রকম “হেফাজতি” হয়রানি থেকে নিরাপদে ইজতেমায় শরিক হতে পারে, তার জন্য এমন আদেশ জারী হয়েছে।

মূলধারার তাবলীগের পক্ষ থেকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ।

Photo_1549587355778.png

গত ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ টঙ্গী ময়দানে আসন্ন ইজতেমার বিষয় নিয়ে মিডিয়ার কাছে ১০ সিদ্ধান্ত বিষয়ক বক্তব্যের ৯ নম্বর সিদ্ধান্তটি “অপ্রাসঙ্গিক ও অগ্রহণযোগ্য” বলে, মূলধারার তাবলীগের অনুসারীদের পক্ষ থেকে এক প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়। ইজতেমার সাথে যুক্ত সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল ১০ দফা যৌথ চুক্তি মিডিয়ায় প্রকাশ করেন।

প্রতিবাদলিপিতে আরো উল্লেখ করা হয় যে, মূলত টঙ্গী ময়দানে সুষ্ঠুভাবে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হওয়ার ব্যাপারে আলোচনা হয়। সেখানে “বিদেশি মেহমান কারা আসবেন বা আসবেন না”-তা ঐ বৈঠকের আলোচ্য বিষয় ছিল না। তাছাড়া ইজতেমায় মাওলানা সাদ সাহেবের না আাসার ব্যাপারে কোন মন্ত্রণালয়ের কোন সরকারি সিদ্ধান্ত হয় নাই, বরং তাবলীগের বিশ্ব আমীর মাওলানা সাদ সাহেবকে ইজতেমাতে আসার ব্যাপারে দাওয়াত প্রদান করা হলে তিনি জানান, “বাংলাদেশে আসার বিষয়ে কোন সম্মানজনক পরিবেশ তৈরী না হলে তিনি আসতে আগ্রহী নন।”

হেফাজত ইসলামকে খুশি করার জন্য এটি মন্ত্রীর নিজস্ব মতামত বলে মনে করা হয়।

“বিশ্ব আমীর মাওলানা সাদ” আসন্ন ইজতেমায় অংশ নিবে না মর্মে ইজতেমার সাথে যুক্ত সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল ১০ দফা যৌথ চুক্তি মিডিয়ায় প্রকাশ করেন। যার ভিডিও সংযুক্তঃ

 

তিন ধোঁকার কবলে নিজামুদ্দিনের অনুসারীদের আসন্ন ইজতেমা। আজকের মাসোয়ারায় কতিপয় বিষয় উপস্থাপন জরুরি।

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ীঃ শেখ জামান, নিউইয়র্ক থেকে।    

বিশ্ব ইজতেমার বদলে জাতীয় ইজতেমা। কোন বিরতি না দিয়েই দুই প্লাস দুই, মোট ৪ দিনে একনাগাড়ে একই মাঠে, সম্পূর্ণ ভিন্ন মতের দুই ধারার এই ইজতেমা শেষমেশ শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন হবে এর কোন নিশ্চয়তা নেই। একমাত্র মহান আল্লাহ পাকের কুদরতি শক্তির উপর নির্ভর করতে হবে।

তিন ধোঁকার কবলে নিজামুদ্দিন অনুসারীদের আসন্ন ইজতেমাঃ

(১) ফেতনায়ে খবিসা পাকপন্থি “আলমী শুরার” ধোঁকা।  

(২) জঙ্গি গোষ্ঠী “হেফাজতে ইসলাম”, তাদের দোসর ” দাওয়াতুল হক”, “বেফাক” এর কথিত জমহুরদের ধোঁকা ।  

(৩) রাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও ধর্ম মন্ত্রীর ধোঁকা। 

Photo_1549439444924.png

সরকার প্রথম থেকেই মিলেমিশে ইজতেমার জন্য জোর চাপ প্রয়োগ করে আসছে। জঙ্গি গোষ্ঠী “হেফাজতে ইসলাম”, তাদের দোসর ” দাওয়াতুল হক”, “বেফাকের বলে বলীয়ান ফেতনায়ে খবিসা পাকপন্থি “আলমী শুরা”-কে বাংলার জমিনে প্রতিষ্ঠা করতে সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও ধর্ম মন্ত্রী প্রকাশ্যে কাজ করে যাচ্ছে। যে কারনে গত ১ বছরে মূলধারার তাবলীগের অনুসারীরা সরকারের কাছে নালিশ দিয়েও কোন প্রতিকার পায় নাই। গত ১ বছরে কাকরাইল মারকাজ সহ দেশের একাধিক মারকাজ দখল, মসজিদে দাওয়াতের কাজে এমনকি নামাজ পড়তেও বাধা প্রদান, জামাত বের করে দেওয়া, খুন, জখম ইত্যাদি জঘন্যতম কাজ সরকারের নাকের ডগায় সংঘটিত হলেও, কোন প্রতিকার নেই।

এমতাবস্থায় সরকারের চাপে জোর করে মিলেমিশে ইজতেমায় মূলধারার তাবলীগের অনুসারীদের প্রবলতর আপওির মুখে সরকার সিদ্ধান্ত বদলালেও, সরকারের তরফ থেকে সকল প্রকার সুযোগ পেয়েছে ফেতনায়ে খবিসা পাকপন্থি “আলমী শুরা”। সরকারি ছুটির দিনে ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার ও শনিবার তাদের ফিতনার ইজতেমার সুযোগ করে দেয় সরকার। ছুটির দিন থাকায় যে সকল সুবিধা তারা ভোগ করবেঃ

(১) যেহেতু তাদের ওয়াজাহাতি ফিতনা ইজতেমা প্রথম, সেহেতু মাঠে প্রবেশের বাড়তি সুযোগ।

(২) সরকারি ছুটির দিনে অফিস, আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায়, এবং সরকারি ভাবে মিলমিশে ইজতেমার ঘোষনায়, সাধারণ মুসলমানদের “আলমী শুরার” ফেতনার বিষয়ে ধারনা না থাকায়, অপ্রত্যাশিতভাবে ধোঁকায় পড়ে বিশ্ব ইজতেমা মনে করে বেশী মানুষের সমগম হবে। যেটাকে পুঁজি করে ফেতনাবাজরা তাদের নড়াচড়া আরও বেগবান হবে।

(৩) অনেক বিদেশি মেহমানও সরকারের মিলেমিশে ইজতেমার ঘোষনায় ধোঁকায় পড়ে তাদের ইজতেমায় যোগ দিবে।

(৪) দেশ-বিদেশ থেকে “আলমী শুরার” হেভিওয়েট নেতাদের দোড়-ঝাপ বেড়ে যাবে।

আলমী গুরু আমেরিকা প্রবাসী ড. আওয়ালের সবথেকে বড় সফলতার পুরস্কার আসন্ন আলমী শুরার ফেতনার ইজতেমা।

অপরদিকে কোন বিরতি ছাড়াই ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারির সাধারন কাজের দিনে রবিবার ও সোমবারের ইজতেমা, মূলধারার নিজামুদ্দিন অনুসারীদের জন্য অনেকটা “হুদাইবিয়ার সন্ধির “ মতো। আল্লাহ পাকের গায়েবি মদদের জন্য বেশীর থেকে বেশী কান্না কাটি ও ধৈর্য ধরতে হবে। নিচের বিষয় সমূহ আজকের জাতীয় মাসোয়ারায় উপস্থাপন করা যেতে পারেঃ

(১) যেহেতু কোন বিরতি ছাড়াই ১৭ তারিখের নিজামুদ্দিন অনুসারীদের ইজতেমায় ৬৪ জেলার সাথীদের অংশ নিতে হবে, সেহেতু দূর থেকে আগত সাথীদের থাকার ব্যবস্থা করা।

(২) ফেব্রুয়ারি ১৪ তারিখের পর যেহেতু কাকরাইল মারকাজ, ফেতনাবাজ “আলমী শুরার” দখলে চলে যাবে, সেহেতু বিদেশি মেহমানদের ইজতেমায় অংশগ্রহণ ও নিরাপত্তার বিষয়ে সুনিশ্চিত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

(৩) আলমী শুরার পরবর্তী চক্রান্ত বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।

(৪) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও ধর্ম মন্ত্রীর ষড়যন্ত্র বিষয়ে সম্ভব হলে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিষয়টি অবহিত করা প্রয়োজন।

অস্বস্তিকর স্বস্তি’তে এক বছর পার হতে যাচ্ছে। যদিও গত ওয়ার্ল্ড এস্তেমা ২০১৮ এর আগে ৫ দিনের টংগি জোড় ২০১৭ থেকে যা এদেশে শুরু হয়েছিল। ইতিমধ্যেই দাওয়াতে তাবলীগ ধ্বংসের ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচন হতে চলছে। ইমেজ সংকটে পড়েছে কতিথ জমহুর ওলামা-আস-সূগন।

ভন্ড হেফাজত, খেলাফত মজলিশ, সহ অওয়ামী গনতান্ত্রিক, নারী নেতৃত্বের অংশীদার ইসলামী ঐক্যজোট (বিগত খালেদা জিয়া সরকারের অংশীদার), নারীলোভী ও রাজনৈতিক হিজড়া এরশাদের হাতে বায়াত গ্রহণকারী দুনিয়ালোভী ইসলামী দল ও তাদের পাকি দোসর আলমী শুরা, যাকাত ও ফেতরা খোর, মিথ্যা ফতোয়াবাজ, দেওবন্দের ফতোয়ার মিথ্যা ব্যাখ্যা প্রদানকারী, ধোঁকা বাজ, মিথ্যাবাদী, জামাত ইসলামীর মওদুদির আদর্শ অনুসরনকারী, রাজাকার, রাজনৈতিক গনতন্ত্রকামী আলেম, নারী নেতৃত্বের অধীনস্থ, বাম কমিউনিস্ট আকিদার শুরার পদ লোভী, সুবিধাবাদী, ইসলামের নামে সাধারন মুসলমানদের ভুল ব্যাখ্যা প্রদানকারী, কোমলমতি মাদরাসার ছাএদের বেয়াদব ও ভুল আকিদা শেখানোর কারিগর, পাকিস্তানি দালাল, ওলামা আস সূ-দের শেকায়েতী “ওজাহাতি জোড়” বাংলার জমিনে কতিথ জমহুরদের তড়িৎ পতনের ঘন্টা বাজিয়ে দিয়েছে ইনশাআল্লাহ।

এই ওজাহাতি জোড় না হলে হয়তো একটু বেশী সময় লাগতো বাংলার জমিনে আসল ও নকল তাবলীগ চিনতে, নিজামুদ্দিনের অনুসারী হকপন্থি ওলামা ও মেহনতের আওয়াম সাথীদের।

১০০ শত বছরের তাবলীগের ইতিহাসে এমন তাবলীগ কোথাও কেউ কি দেখেছেন? এ যেন নতুন এক পথ। রাজনীতিই যার উদ্দেশ্য। নকল এক তাবলীগ।

১০০ শত বছরের পুরাতন আসল তাবলীগ আজ অবধি তার নিজস্ব পুরাতন গতিতে এগিয়ে চলছে। শুরুর থেকেই নিজামউদ্দিন যার মারকাজ। আমীর যে কাজের রাহাবার। মানুষকে দুনিয়ামুখী থেকে আখেরাতমুখী করাই যে কাজের উদ্দেশ্য।

নকল তাবলীগের নতুন আবিষ্কার “ওজাহাতি জোড়”। পোস্টার, ফেস্টুন, লিফলেট, মহল্লায় মহল্লায় মাইকিং, রাজনৈতিক নেতাদের স্টাইলে বয়ানের পরিবর্তে উচ্চস্বরে, অহংকারে, গীবত ও মিথ্য-শেকায়েতী ভাষন, দেখে নেওয়ার হুমকি ইত্যাদি ইত্যাদি। মাদরাসার ছাএদের দিয়ে ময়দান দখল, মসজিদ দখল, মারকাজ দখল, মসজিদ-মারকাজে তালা, মাশোয়ারার আগে মাশোয়ারা, মাশোয়ারার ফয়সালা সভা শুরুর আগেই লিফলেট আকারে মুড়ির ঠোঙার ন্যায় বিতরন। আল্লাহর রাস্তায় বের হবার তাশকিলের পরিবর্তে, মুসলমানের জাহান্নামে নেওয়ার তাশকিল

যেহেতু মুমিন ধোঁকা দেয় না এবং সেহেতু মুমিন ধোঁকা খায় না। সহজ, সরল দাওয়াতের সাথীগন যেহেতু হেফাজতের মতো রাস্তা অবরোধ, ভাংচুর, দেশ ও সরকারকে জিম্মি করতে জানে না। জানেনা হুংকার ও গলাবাজি করে মাঠ গরম করতে, সেই কারনে সরকারের কাছে তারা বোকা। আর যে করনে সরকার তাদের বোকামির সুযোগে ধোঁকার পথে ঠেলে দিয়েছে। আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন।

 

বিশ্ব ইজতেমা ২০১৯ | স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বৈঠকের ফলাফল আগেই জানতেন মাওলানা মামুনুল হক সহ হেফাজত ও বেফাক নেতারা।

দেওবন্দ সফরের নাটক ও আসন্ন বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে রহস্যময় সরকারী চাপিয়ে দেওয়া পূর্ব সিদ্ধান্ত বিষয়ে আগে ভাগেই জানতেন হেফাজতে ইসলাম ও বেফাক নেতারা। মূলধারার তাবলীগের সুরা সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম সহ অন্য কেউই এ বিষয় জানতেন না। তাই সরকারের ও হেফাজত নেতাদের কুট কৌশলে ধরাশায়ী হয়েছেন মূলধারার তাবলীগের সাথীরা।

সম্পূর্ণ ভিন্ন মতের আলমী শুরার সংগে একএে ও একই মঞ্চে বিশ্ব ইজতেমার আয়োজনে সম্মতি প্রদান মূলধারার নিজামুদ্দিন অনুসারীদের জন্য সরকার ও হেফাজত নেতাদের পক্ষ থেকে একটি বিরাট ধোঁকা।

বিশ্ব মারকাজ নিজামুদ্দিনের মাশোয়ারা না মানার কারনেই সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম সহ মূলধারার তাবলীগের সাথীরা এমন ধোঁকায় পড়েছেন।

হেফাজত নেতা মাওলানা মামুনুল হকের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বৈঠকের আগেই এমন একটি পোস্ট থেকে বিষয়টি বেরিয়ে এসেছে।

গত জানুয়ারি ২১ তারিখ সকাল ১১ঃ১৮ মিনিটে মাওলানা মামুনুল হক তার ফেসবুক পেজে উল্লেখ করেন, “যারা আশা করেছিলেন ফজরের পর মাঠে নামলেই কাজ হবে, তারা জানতেন না, কাজ ফজরের আগেই শেষ।

যারা আাশা করেছিলেন, হোম কিংবা রিলিজিয়াস মিনিস্ট্রি অনুকূলে থাকবে, তারা জানতেন না, চাপ এমন জায়গা থেকে আসবে, সামাল দেওয়ার ক্ষমতা তাদের নেই!! ”

অতএব, সুধী সাবধান। ভুলে গেলে চলবে না “হেফাজতে ইসলামের” ইতিহাস। তাছাড়া তাদের পিছনে আছে বেফাক নেতাগন সহ আরো অনেকে।

আর একই সাথে এটাও মনে রাখা উচিত, যারা এ কাজের আমীরকে কাফের বা গোমরা ফতোয়া দিতে দ্বিধা করে না, মিথ্যাকে সত্য বলতে যাদেের কষ্ট হয় না, মানুষ খুন করতে যাদের অন্তর কাঁদে না, তাদের সাথে মিলিত ভাবে কোন কাজেই সফলতা আসবে না।

Militant group Hefazat-e-Islam is overwhelming. Shakil murder plan led by militant group leader Mahfuzul Haque

Mainstream Tabligh worker Abdullah Sakil

Desk Report: 

Hefazat-e-Islam continue to torture innocent Muslims of the country. Militant group Hefazat-e-Islam is now the country’s biggest threat to the country’s religious freedom. The militants Hefazat-e-Islam is baring everyday countries innocent Muslims from going to the mosque. The government is silent on all matters. Hefajat terrorists groups are manipulating brainwashed young students from Madrasa and providing terror training. On December 1, 2018 at the World Ijtema ground, Tongi two mainstream Tabligh’s Sathi was killed and around 200 sathi was serious injured by this terror group.

Mainstream Tabligh’s supporter Mr.  Abdullah Shakil attacked by a section of Madrasah students on January 11, 2019 around 8pm, after Isha prayer at Bansbari Jami Mosque of Mohammadpur Chan Mia Housing near Jamiya Rahmania Arabiya Madrasa (Mufti Mahfuzul Haq”s Madrasa). 1st they followed him and then attacked him, Shakil took shelter in the house of the follower and asked for Police. Mohammadpur Police Station OC sent the police protocol. It is mentioned that last month another mainstream Tabligh’s supporter Mr. Mizanur Rahman also attacked by the same Madrasa students at Seven Dome Mosque. After attacked Mr. Sakil called by his cellphone to Mr. Mahfuzul Haque and trying to inform him, but Mr. Mafuzul Haque disconnected his cellphone.

মাহফুজুল হক ( Mafuzul Haque)

This militant group is involved in conspiracy to destroy Tabligh Jamaat. Shakil collected many important information against the conspirators of the destruction, and published all those news through social media.

For this reason, this group, under the leadership of Mahfuzul Huq, plans to kill Shakil. And as part of that they attacked Shakil.

In relation to the incident, when the BD True News delegation tried to accept Mahfuzul Haq’s statement on telephone, he cut the line without giving any further details. When contacted, the Mohammadpur Police Station, they also ignored the matter.

Following the incident on 5 May 2013, the Government surrendered dramatically to the militants Hefazat-e-Islam. BD government has to accept all the demands of the Hefazat-e-Islam. As a result Hefazat-e-Islam became more aggressive.

Who will be protect Shakil and others innocent mainstream Tabligh’s brothers from the US banned terrorist group Hefazat-e-Islam?

Below youtube link is the conversation with Shakil and Mafuzul Haque.

The true story of a successful Police Commander in Chief (IGP)

Our today’s report about the biography of a bright star of the Police Commander in Chief (IGP) in the history of Bangladesh.

Sheikh Zaman, New York, USA.

The Golden Age in History of BD Police:

When the Pakistani army forces attacked the sleeping people of Dhaka on March 25, 1971, the first resistance was created by the police force. Operation Search Light” which first hit Rajarbagh police lines, Dhaka. Supreme Sacrifice in Liberation War was made by the Police Force.

Today, 47 years after independence, where is the history of the police force glory?

What’s going on Now:

Currently near about 1 lakh 94 thousand 938 police personnel are working in Bangladesh Police. Police have been headlined in different times. There are many complaints including misbehaviour, misuse of legal power, falsely implicated in false cases, bribery, extrajudicial killings and failure to proper investigate, etc.

After independence, police again used as a PETAO (পেটোয়া) force. They were never found as friends of the people. The way the British used the police, in some cases the rulers are using police in the same way.

পেটোয়া বাহিনী

Though the police symbolizes the trust and trust of the people, the confidence of the police has decreased. Almost every day a person is being killed or is being lost.

A commander in chief emerged to tear the bad reputation of the police force from 2007 to 2010:

Did we know the name of the first Police Commander in Chief which emerged as a bright star to bring back glory of 1971? He is the first person to build the transparent and modern police of Bangladesh. It is not possible to change everything in the 3 years.

Yet he was the first successful Commander in Chief (Inspector General of Police). His contributions to the police department will be history.

সদা হাস্যজ্জল ও সরল প্রকৃতির এক মানুষ নূর মোহাম্মদ

Who is this Great man, with a smile, straightforward nature?

We are talking about Mr. Nur Mohammad, who was a Bangladeshi diplomat and a former police officer who served as the Inspector General of Police of Bangladesh Police during 29 January 2007 – 31 August 2010.

In August 2011, he was appointed as the ambassador of Bangladesh to Morocco.

In October 2012, he was appointed as the Youth and Sports Secretary by the Government of Bangladesh.

Mohammad belongs to the 1982 batch of BCS (police) cadre. He served in UN mission in Kosovo (UNMIK). He attended training programmes at home and abroad including USA, Russia, India, Italy, Australia, Malaysia, Singapore and South Korea.

He obtained his BA (Hons) and MA degrees in history from Dhaka University. He was involved with the politics of Bangladesh Chhatra League (BCL), a student wing of Jasod at Dhaka University. He was also V.P of Hajee Mohammad Mohasin Hall of Dhaka University.

From a Boss to be a Leader:

photo editor-20190104_1732051630232779..jpg

From a public servant Mr. Nur Mohammad is now honorable MP Kishoreganj-2 (Katiadi-Pakundia). Hope he will be lead again the Bangladesh Police Department as a honorable Police Minister (Home Minister). We believe as a Great man Mr. Nur always remember, Theodore Roosevelt quotes, “People ask the difference between a leader and a boss. The leader works in the open, and the boss in covert. The leader leads, and the boss drives.”