বিশ্ব ইজতেমা ২০১৯ | স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বৈঠকের ফলাফল আগেই জানতেন মাওলানা মামুনুল হক সহ হেফাজত ও বেফাক নেতারা।

দেওবন্দ সফরের নাটক ও আসন্ন বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে রহস্যময় সরকারী চাপিয়ে দেওয়া পূর্ব সিদ্ধান্ত বিষয়ে আগে ভাগেই জানতেন হেফাজতে ইসলাম ও বেফাক নেতারা। মূলধারার তাবলীগের সুরা সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম সহ অন্য কেউই এ বিষয় জানতেন না। তাই সরকারের ও হেফাজত নেতাদের কুট কৌশলে ধরাশায়ী হয়েছেন মূলধারার তাবলীগের সাথীরা।

সম্পূর্ণ ভিন্ন মতের আলমী শুরার সংগে একএে ও একই মঞ্চে বিশ্ব ইজতেমার আয়োজনে সম্মতি প্রদান মূলধারার নিজামুদ্দিন অনুসারীদের জন্য সরকার ও হেফাজত নেতাদের পক্ষ থেকে একটি বিরাট ধোঁকা।

বিশ্ব মারকাজ নিজামুদ্দিনের মাশোয়ারা না মানার কারনেই সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম সহ মূলধারার তাবলীগের সাথীরা এমন ধোঁকায় পড়েছেন।

হেফাজত নেতা মাওলানা মামুনুল হকের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বৈঠকের আগেই এমন একটি পোস্ট থেকে বিষয়টি বেরিয়ে এসেছে।

গত জানুয়ারি ২১ তারিখ সকাল ১১ঃ১৮ মিনিটে মাওলানা মামুনুল হক তার ফেসবুক পেজে উল্লেখ করেন, “যারা আশা করেছিলেন ফজরের পর মাঠে নামলেই কাজ হবে, তারা জানতেন না, কাজ ফজরের আগেই শেষ।

যারা আাশা করেছিলেন, হোম কিংবা রিলিজিয়াস মিনিস্ট্রি অনুকূলে থাকবে, তারা জানতেন না, চাপ এমন জায়গা থেকে আসবে, সামাল দেওয়ার ক্ষমতা তাদের নেই!! ”

অতএব, সুধী সাবধান। ভুলে গেলে চলবে না “হেফাজতে ইসলামের” ইতিহাস। তাছাড়া তাদের পিছনে আছে বেফাক নেতাগন সহ আরো অনেকে।

আর একই সাথে এটাও মনে রাখা উচিত, যারা এ কাজের আমীরকে কাফের বা গোমরা ফতোয়া দিতে দ্বিধা করে না, মিথ্যাকে সত্য বলতে যাদেের কষ্ট হয় না, মানুষ খুন করতে যাদের অন্তর কাঁদে না, তাদের সাথে মিলিত ভাবে কোন কাজেই সফলতা আসবে না।

Advertisements

Leave a Reply