কমিউনিজমপন্থী “আলমী শুরার” দেউলিয়াত্বের প্রকাশ। অবশেষে গনতন্ত্রপন্থী হেফাজত, দাওয়াতুল হক, চরমোনাইদের ঘাড়ে সওয়ার হয়ে “হকপন্থি তাবলীগ” এর ব্যানারে রাজনীতির মাঠে দৌড়-ঝাঁপ!

বাংলাদেশে এত দ্রুত আলমি শুরারা দেউলিয়া হল !!! গত কয়েকদিন আগে কুমিল্লা মার্কাজের ত্রৈমাসিক জোড়ে দোয়ার পূর্ব মুহূর্তে মুফতি ইয়াহ্ইয়া মাহমুদ কাসেমী দাঃবাঃ বলছিলেন কাগজের নৌকা বেশিক্ষণ পানির উপরে টিকে থাকে না। ঠিক তেমনিভাবে মিথ্যা, গীবত , চোগলখোরী দ্বারাও কমিউনিজমপন্থী আলমী শুরা বেশিদিন টিকে থাকবে না ইনশাআল্লাহ। খুব শীঘ্রই আল্লাহর নূসরাত এর জন্য অপেক্ষা করছি।

আলমী শুরার ডিজিটাল লিফলেট বাজীর এবার নতুন মাএা পেয়েছে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় এই প্রথমবার পোস্টারে ছেয়ে গেছে। দাওয়াতে তাবলীগের ১০০ বছরের মেহনতে এজাতীয় পোষ্টার কোন সাধারণ দাওয়াতের সাথী দেখেছেন বলে আমার জানা নাই। এমনকি বিশ্ব ইজতেমার প্রচারেও কোন পোষ্টার, লিফলেট বাজীর সামান্যতম ঘটনার ইতিহাস নেই। অথচ গত কয়েকদিন যাবৎ আগামী ২৮ জুলাই ২০১৮ সারা দেশ ব‍্যাপী মুহাম্মাদপুর ওজাহাতি জোড়কে সামনে রেখে জোড়ের প্রচারে কমিউনিজম পন্থী আলমী শুরার ফেতনাকারীগন, আগামী নির্বাচনে বৈতরণী পার হতেই সরকারের সাথে অবিশ্বাস্য গোপন আঁতাতের সদস্য হেফাজতে ইসলাম, দাওয়াতুল হক, চরমোনাই (ইসলামী ঐক্যজোট নামে) নব্য ইসলামী গনতান্ত্রিক দল রুপধারী রাজনৈতিক দলগুলির ঘাড়ে সওয়ার হয়েছেন মনে করছেন অনেকে। তাবলীগ জামাত ধবংসে তাদের ষড়যন্ত্রের পর্দা উন্মোচিত হয়েছে। যেটা তাদের দেউলিয়াত্বের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ।

গত ২৩ জুলাই সকালে মোহাম্মদপুর মারকাজ মসজিদে (কবরস্থান মসজিদ) আগামী ২৮ জুলাই ২০১৮ সারা দেশ ব‍্যাপী ওজাহাতি জোড়কে সামনে রেখে জোড়ের মাশোয়ারা হয়েছে। মাশোয়ারায় উপস্থিত ছিলেন আলমী ঘরনার মাওঃ ওবায়দুল্লাহ ফারুক সাহেব, মাওলানা মাহফুজুল হক সাহেব, মাশোয়ারায় শুরুতে মাওলানা মাহফুজুল হক সাহেব জানান, “স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সাথে দেখা করে এই জোড়ের দাওয়াত দিলে এবং অনুমতি চাইলে ওনি জোড়ের দাওয়াত কবুল করেন এবং অনুমতি প্রদান করেন, মোহাম্মদপুরের স্থানীয় এমপি জাহাঙ্গীর কবির নানক জোড়ের নিরাপত্তা দেখভাল করবেন”।

আলমী শুরার ডিজিটাল লিফলেটে দেখা যায়, তারা নিজেদেরকে “হকপন্থী তাবলীগ” নামে এবং ওলামাদেরকে “নেতৃবৃন্দ” হিসাবে উপস্থাপন করেছেন এবং মাশোয়ারায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও লোকাল এম,পি জাহাঙ্গীর কবির নানকের কাছে নিরাপত্তার আশ্রয় চেয়েছেন। গনতান্ত্রিক নীতির আদর্শ এখানে লক্ষনীয়।

হেফাজতে ইসলাম, দাওয়াতুল হক ও চরমোনাইগন ইসলামী গনতন্ত্রের পূজারী হিসাবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ময়দানে আত্মপ্রকাশ করেছে এবং খুব দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। যেটা জামাত ইসলামীর ক্ষেএেও দেখা গিয়েছিল। গনতন্ত্রের ভালবাসায় জামাত নেতা অধ্যাপক গোলাম আযম “ইসলাম ও গনতন্ত্র” নামক বইটিও লিখেন। দলটি শুরুতেই ইসলামে নারী নেতৃত্ব হারাম বললেও এক সময় শেখ হাসিনাকে সরকার গঠনে সমর্থন এবং পরবর্তীতে খালেদা জিয়ার সরকারের মন্ত্রী হিসাবে তাদের দেখা যায়। দাওয়াতে তাবলীগের ঘোর বিরোধীতাকারী এই দলটির এখন বড়ই দুঃসময়।
ভোটের রাজনীতির জন্য একটি দল অনেক কৌশলই নিতে পারে। আজকের যুগে ভোটের রাজনীতিতে আদর্শবাদিতার স্থান নেই। সারা পৃথিবীতেই এমনটা দেখা যাচ্ছে, যার চূড়ান্ত নিদর্শন আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা আহমদ শফি সাহেব। ৫ মের ঘটনাসহ ২০১৩ থেকে ২০১৮ এর সকল ঘটনাবলী আমাদের সকলের সামনে। সত্য যতই অপ্রিয় হোক তা আলোই। আধার দিয়ে যেমন আলোকে ঢাকা যায় না তেমনি মিথ্যা যতই দাপটের সাথে প্রভাব দেখাক সত্যের কাছে তা একদিন পরাভূত হবেই। আধার যত গাঢ় হয় আলো ততই প্রদীপ্ত হয়। বিশ্বাসকে সত্য ভাবা আর, সত্যকে বিশ্বাস করা এক নয়। কেউ বিশ্বাস করুক বা না করুক সত্য সত্যই। বিশ্বাস মিথ্যাকে সত্য করতে পারেনা। মিথ্যা সব সময়ই লেজকাঁটা।।

ডেমোক্রেসি (গণতন্ত্র) আরবী শব্দ নয়। এটি গ্রিক ভাষার শব্দ। দুটি শব্দের সমন্বয়ে শব্দটি গঠিত: Demos অর্থ- সাধারণ মানুষ বা জনগণ। আর দ্বিতীয় শব্দটি হচ্ছে-KRATIA অর্থ- শাসন। অতএব, ডেমোক্রেসি শব্দের অর্থ হচ্ছে- সাধারণ মানুষের শাসন অথবা জনগণের শাসন।

গণতন্ত্র ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক একটি তন্ত্র। এই তন্ত্রে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা জনগণের হাতে অথবা তাদের নিযুক্ত প্রতিনিধি (পার্লামেন্ট সদস্য) এর হাতে অর্পণ করা হয়। তাই এ তন্ত্রের মাধ্যমে গায়রুল্লাহর শাসন প্রতিষ্ঠা করা হয়; বরং জনগণ ও জনপ্রতিনিধির শাসন প্রতিষ্ঠা করা হয়। এ তন্ত্রে জনপ্রতিনিধিদের সকলে একমত হওয়ার দরকার নেই। বরং অধিকাংশ সদস্য একমত হওয়ার মাধ্যমে এমন সব আইন জারী করা যায় জনগণ যেসব আইন মেনে চলতে বাধ্য; এমনকি সে আইন যদি মানব প্রকৃতি, ধর্ম, বিবেক ইত্যাদির সাথে সাংঘর্ষিক হয় তবুও। উদাহরণতঃ এই তন্ত্রের অধীনে গর্ভপাত করা, সমকামিতা, সুদি মুনাফার বিধান ইত্যাদি জারী করা হয়েছে। ইসলামি শাসনকে বাতিল করা হয়েছে। ব্যভিচার ও মদ্যপানকে বৈধ করা হয়েছে। বরং এই তন্ত্রের মাধ্যমে ইসলাম ও ইসলামপন্থীদেরকে প্রতিহত করা হয়। অথচ আল্লাহ তাআলা তাঁর কিতাবে জানিয়েছেন, হুকুম বা শাসনের মালিক একমাত্র তিনি এবং তিনিই হচ্ছেন- উত্তম হুকুমদাতা বা শাসক। পক্ষান্তরে অন্যকে তাঁর শাসনে অংশীদার করা থেকে নিষেধ করেছেন এবং জানিয়েছেন তাঁর চেয়ে উত্তম বিধানদাতা কেউ নেই। আল্লাহ তাআলা বলেন (ভাবানুবাদ): “অতএব, হুকুম দেওয়ার অধিকার সুউচ্চ ও সুমহান আল্লাহর জন্য” [সূরা গাফের, আয়াত: ১২] আল্লাহ তাআলা আরও বলেন (ভাবানুবাদ): “আল্লাহ ছাড়া কারো বিধান দেওয়ার অধিকার নেই। তিনি আদেশ দিয়েছেন যে, তিনি ব্যতীত অন্য কারও ইবাদত করো না। এটাই সরল পথ। কিন্তু অধিকাংশ লোক তা জানে না।”।[সূরা ইউসুফ, আয়াত: ৪০] আল্লাহ তাআলা আরও বলেন: “আল্লাহ কি হুকুমদাতাদের শ্রেষ্ঠ নন?” [সূরা ত্বীন, আয়াত: ০৮] তিনি আরও বলেন (ভাবানুবাদ): “বলুন, তারা কতকাল অবস্থান করেছে- তা আল্লাহই ভাল জানেন। নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের গায়েব বিষয়ের জ্ঞান তাঁরই কাছে রয়েছে। তিনি কত চমৎকার দেখেন ও শোনেন! তিনি ব্যতীত তাদের জন্য কোন সাহায্যকারী নেই। তিনি নিজ হুকুমে কাউকে অংশীদার করান না।”[সূরা কাহাফ, আয়াত: ২৬] তিনি আরও বলেন (ভাবানুবাদ): “তারা কি জাহেলিয়াতের হুকুম চায়? বিশ্বাসীদের জন্যে আল্লাহর চেয়ে উত্তম হুকুমদাতা আর কে?”[সূরা মায়েদা, আয়াত: ৫০]

আল্লাহ তাআলা সৃষ্টিকুলের স্রষ্টা। তিনি জানেন, কোন বিধান তাদের জন্য উপযুক্ত; কোন বিধান তাদের জন্য উপযুক্ত নয়। সব মানুষের বিবেক-বুদ্ধি, আচার-আচরণ ও অভ্যাস এক রকম নয়। নিজের জন্য কোনটা উপযোগী মানুষ সেটাই তো জানে না; থাকতো অন্যের জন্য কোনটা উপযুক্ত সেটা জানবে। এ কারণে যে দেশগুলোতে জনগণের প্রণীত আইনে শাসন চলছে সে দেশগুলোতে বিশৃঙ্খলা, চারিত্রিক অবক্ষয়, সামাজিক বিপর্যয় ছাড়া আর কিছু দেখা যায় না।

প্রথমতো নারী পুরুষ উভয়ের জন্য পর্দা করা ফরজ শুধুমাত্র ১৪ জন সরাসরি পর্দা ছাড়া দেখা করতে পারবে বাকি কারো জন্য বেগানা পুরুষ নারিকে বেগানা নারী পুরুষকে দেখা নাজায়েজ এমনকি কাদের সম্মুখে নারীরা যেতে পারবে তাও মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিয়েছেন যেমনঃ [وَقُل لِّلْمُؤْمِنَـٰتِ يَغْضُضْنَ مِنْ أَبْصَـٰرِهِنَّ وَيَحْفَظْنَ فُرُوجَهُنَّ وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا مَا ظَهَرَ مِنْهَا ۖ وَلْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَىٰ جُيُوبِهِنَّ ۖ وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا لِبُعُولَتِهِنَّ أَوْ ءَابَآئِهِنَّ أَوْ ءَابَآءِ بُعُولَتِهِنَّ أَوْ أَبْنَآئِهِنَّ أَوْ أَبْنَآءِ بُعُولَتِهِنَّ أَوْ إِخْوَ‌ٰنِهِنَّ أَوْ بَنِىٓ إِخْوَ‌ٰنِهِنَّ أَوْ بَنِىٓ أَخَوَ‌ٰتِهِنَّ أَوْ نِسَآئِهِنَّ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَـٰنُهُنَّ أَوِ ٱلتَّـٰبِعِينَ غَيْرِ أُو۟لِى ٱلْإِرْبَةِ مِنَ ٱلرِّجَالِ أَوِ ٱلطِّفْلِ ٱلَّذِينَ لَمْ يَظْهَرُوا۟ عَلَىٰ عَوْرَ‌ٰتِ ٱلنِّسَآءِ ۖ وَلَا يَضْرِبْنَ بِأَرْجُلِهِنَّ لِيُعْلَمَ مَا يُخْفِينَ مِن زِينَتِهِنَّ ۚ وَتُوبُوٓا۟ إِلَى ٱللَّهِ جَمِيعًا أَيُّهَ ٱلْمُؤْمِنُونَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ] ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেনো তাদের দৃষ্টিকে নতো রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো কাছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই মহান আল্লাহ পাক উনার সামনে তওবা করো, যাতে তোমরা সফলকাম হও।

উপরোক্ত আয়াত শরীফেঃ স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো সম্মুখে পর্দা ছাড়া যাওয়া নিষেদ করা হয়েছে এতএব কেই এর বিরোধিতা করলে ইহা কুফুরি হবে এবং ইসলাম থেকে খারিজ হয়েযাবে।

শুধু তাই নয় মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো বলেনঃ [وَقَرْنَ فِى بُيُوتِكُنَّ وَلَا تَبَرَّجْنَ تَبَرُّجَ ٱلْجَـٰهِلِيَّةِ ٱلْأُولَىٰ ۖ وَأَقِمْنَ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتِينَ ٱلزَّكَوٰةَ وَأَطِعْنَ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥٓ ۚ إِنَّمَا يُرِيدُ ٱللَّهُ لِيُذْهِبَ عَنكُمُ ٱلرِّجْسَ أَهْلَ ٱلْبَيْتِ وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًۭا] তোমরা গৃহাভ্যন্তরে অবস্থান করবে জাহেলিয়াতের যুগের ন্যায় নিজেদেরকে প্রদর্শন করবে না। পবিত্র নামায কায়েম করবে, পবিত্র যাকাত প্রদান করবে এবং মহান আল্লাহ পাক ও উনার রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুগত্য করবে।

দেখাগেলো নারীরা যাবতীয় কাজ কাম করবে পর্দার সহিত এবং তার যায়গা ঘর পার্লামেন্টে নয় অথচ নামধারী কাট মুল্লারা খালেদা ও হাসিনাকে নিয়ে রাজনিতি করে এই হারাম কাজের স্বীকৃতিই দিয়ে দিয়েছে নাউযুবিল্লাহ।
অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেনঃ [ٱلرِّجَالُ قَوَّ‌ٰمُونَ عَلَى ٱلنِّسَآءِ بِمَا فَضَّلَ ٱللَّهُ بَعْضَهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍۢ وَبِمَآ أَنفَقُوا۟ مِنْ أَمْوَ‌ٰلِهِمْ ۚ فَٱلصَّـٰلِحَـٰتُ قَـٰنِتَـٰتٌ حَـٰفِظَـٰتٌۭ لِّلْغَيْبِ بِمَا حَفِظَ ٱللَّهُ] “পুরুষ নারীর উপর কর্তৃত্বশীল। এ জন্য যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে। সে মতে নেককার স্ত্রীলোকগণ হয় অনুগতা এবং মহান আল্লাহ পাক তিনি যা হেফাযতযোগ্য করে দিয়েছেন লোক চক্ষুর অন্তরালেও তারা তা হেফাযত করে।”

এ আয়াত শরীফের দ্বারা এটি প্রমাণ করে যে, পুরুষেরা সর্বদা নারীর উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করবে। তাই তারা কোন অবস্থাতে নারী-পুরুষ সকলের উপর নেতৃত্ব দিতে পারবে না। এই আয়াত শরীফের পরিপ্রক্ষিতে মুফাসসিরীনগণ ব্যখ্যা দিয়েছেনঃ
১. নারীরা শাসক হতে পারে না।
২. নারীরা নবী বা রাসূল হতে পারে না।
৩. নারীগণ ইমামতি করতে পারবে না।
৪. নারীদের উপর জিহাদ ফরয নয়।
৫. নারীদের ব্যাপারে কিসাসের রায় দেওয়া জায়েয নয়
৬. নারীদের জন্য মাহরম ব্যতিত হজ্জ ফরয নয়।
৭. বিবাহ বিচ্ছেদ বা তালাক নারীরা দিতে না। [তাফসীরে ইবনে কাসীর, রুহুল মাআনী, বায়যাবী]

বিভিন্ন হাদীস শরীফে বলা হয়েছে নারী নেতৃত্ব হারাম। যেমন বুখারী শরীফের কিতাবুল ফিতানে বলা হয়েছে যেঃ “যে জাতির নেতৃত্ব কোন নারী দিবে সে জাতি কখনও কল্যাণ বয়ে আনবে না।”
অন্যত্র বলা হয়েছে, “যখন নারীরা নেতৃত্ব দেওয়া শুরু করবে তখন মাটির উপরের চেয়ে নীচের অংশ ভাল হবে অর্থাৎ পুরুষদের মরে যাওয়াই ভালো।” [তিরমযী শরীফ, কিতাবুল ফিতান]

তিরমিযী শরীফে আরেকটি হাদীস রয়েছে, “পুরুষেরা তখন ধংস্ব হয়ে যাবে যখন তারা নারী নেতৃত্ব মেনে নিবে।” [তিরমিযি শরীফ]

কেউ যদি নিজেকে ঈমানদার দাবি করে আর এসকল হাদীস শরীফের দিকে তাকায় তাহলে সে স্পষ্ট দেখতে পাবে যে নারী নেতৃত্ব পবিত্র দ্বীন ইসলামে হারাম।

বিখ্যাত ফিকাহ গ্রন্থ ফাতওয়ায়ে শামীতে বলে হয়েছে, “পবিত্র দ্বীন ইসলামে নারী নেতৃত্ব কোনভাবেই জায়েয নয়। কারণ মহান আল্লাহ পাকের নির্দেশ হল নারীরা ঘরে পর্দার সাথে জীবন যাপন করবে। তাদের জন্য পর্দা করা ফরয। তাই কোনভাবেই তাদের জন্য নারী নেতৃত্ব জায়েয নয়।”
অর্থাৎ, এখানে কুরআন শরীফ, হাদিস শরীফের সাথে গোটা উম্মাতের ভিতর এই ইজমা সঙ্ঘটিত হয়েছে যে, নারী নেতৃত্ব পবিত্র দ্বীন ইসলামে মোটেও জায়েয নয় হারাম কাট্টা কুফুরি।

photo editor-20180724_164342650524532..jpg

অথচ আমরা কি দেখছি? ইসলামের দরদী দাবিদার উল্লেখ্য দল সমূহের ঘাড়ে সওয়ার ফেতনাবাজ আলমী শুরা আদৌ কি ” হকপন্থী তাবলীগ” ? নাকি সুবিধাভোগী কতিথ রাজনৈতিক ধর্ম ব্যাবসায়ীদের সাথে তাল মিলিয়ে তাবলীগের মোবারক মেহনত ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত?

ছোট্ট এই ভিডিওটি তাদের সরুপ বলে দিবে।

 

 

 

Advertisements

One thought on “কমিউনিজমপন্থী “আলমী শুরার” দেউলিয়াত্বের প্রকাশ। অবশেষে গনতন্ত্রপন্থী হেফাজত, দাওয়াতুল হক, চরমোনাইদের ঘাড়ে সওয়ার হয়ে “হকপন্থি তাবলীগ” এর ব্যানারে রাজনীতির মাঠে দৌড়-ঝাঁপ!

  1. মাওলানা সাদ সাহেবের বিরূদ্ধে যে বাক্য গুলা বলা হচ্ছে সেগুলোর সম্পূর্ন বয়ান জাতি শুনতে চায় । বয়ানের কাটপিচ চায় না ।কারো কাছে এই কথা গুলোর সম্পূর্ন বয়ান থাকলে শেয়ার করুন ।জাতি উপকৃত হবে । অযথা তাবলীগ আর মাওলানা সাদ সাহেবের বিরূদ্ধে হইচই করে লাভ নাই । আমরা আলেমদের সন্মান করি সন্মানের জায়গাতেই থাকেন

    [youtube=https://www.youtube.com/watch?v=GF9rC5DWfow&w=640&h=390]

Leave a Reply