পবিত্র রমজানে নামীদামি রেস্তোরায় শুকরের মাংস।

 

 

একজন মুসলমানের মূল কাজ হচ্ছে আল্লাহর আদেশ মেনে চলা এবং নিষেধ থেকে বিরত থাকা; চাই সেই আদেশ-নিষেধের হিকমত (অন্তর্নিহিত তত্ত্ব ও কারণ) প্রকাশিত হোক বা না হোক। হিকমত প্রকাশ না হওয়া বা নাজানার অজুহাতে কোন মুসলমানের জন্য শরিয়তের কোন বিধানকে অবজ্ঞা করা জায়েয নয়।

ইসলামে হারাম খাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তেমনিভাবে হালাল ও পবিএ বস্তু খেতে এবং তা খেয়ে শুকরিয়া আদায় করতে অনুপ্রাণিত করা হয়েছে। কারন, হারাম (সুদ, ঘুষ, নিষিদ্ধ জানোয়ার যেমনঃ শুকর, নিষিদ্ধ পানীয় যেমনঃ মদ ইত্যাদি) খেলে মন্দ অভ্যাস ও অসচ্চরিত্র সৃষ্ট হয়, ইবাদতের আগ্রহ স্তিমিত হয়ে আসে এবং দোয়া কবুল হয় না। তেমনিভাবে হালাল খানায় অন্তরে এক প্রকার নূর সৃষ্টি হয়, অন্যায় অসচ্চরিত্রতার প্রতি ঘৃনাবোধ এবং সততা ও সচ্চরিত্রতার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়। ইবাদত-বন্দেগীর প্রতি অধিকতর মনোযোগ আসে, পাপের কাজে মনে ভয় আসে এবং দোয়া কবুল হয়। নেক আমলের ব্যাপারে হালাল খাবারের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

সুরা বাকারায় বর্ণিত হয়েছে, ‘নিষিদ্ধ করা হলো তোমাদের জন্য (খাদ্য হিসেবে) মৃত জন্তুর মাংস, প্রবাহিত রক্ত, শুকরের মাংস এবং সেসব জীব-জন্তু যা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নামে উৎসর্গ করা হয়।’ [সূরা বাকারা ২:১৭৩, সূরা মায়িদা ৫:৩, সূরা নাহ্‌ল ১৬:১১৫] সূরা আনআ’মের ১৪৫নং আয়াতে আল্লাহ্‌ তাআলা শূকরের মাংস সম্পর্কে বলছেন : “কেননা নিশ্চয়ই তা অপবিত্র”।

মৃত জানোয়ারের গোশত খাওয়া যেমন হারাম তেমনি এগুলোর ক্রয়-বিক্রয়ও হারাম। অথচ পবিএ রমজানে মুসলিমপ্রধান আমাদের দেশের হোটেল-রেস্তোরাতে এসব নিষিদ্ধ গোশত!!!

Screenshot_20180603-115838.png

 

Advertisements

Leave a Reply