আগুন লাগছেগো আগুন,সত্যিই কি আগুন!!

Photo Editor-20180515_121037.jpgলেখকঃ মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম মিলন।

আগুন লাগছেগো আগু ন !!!
আগুন লাগছেগো আগু ন !!!

যে ঘরটি ছিল লাখো মানুষের হেদায়েতের উছিলা।
যে ঘরটি ছিল লাখো মানুষের কঠিন কঠিন রোগ মুক্তির উছিলা।
যে ঘরই ছিল পৃথিবীর লাখো মানুষের পেরেশানি মুক্তির শেষ আশ্রয়স্থল।
এ ঘরই ছিল যেন চলতিফিরতি মাদ্রাসা ও খানকা।
হ্যাঁ, এ ঘরই ছিল পৃথিবীর সমস্ত ঘরের আগুন নিভানোর দমকল অফিস ।

এ ঘরটিই ছিল পৃথিবীর সমস্ত মসজিদকে জীবন্ত মসজিদে পরিণত করার পাউয়ার হাউস ।
আজ সেই ঘরে হাঠাৎ আগুন লেগেছে !

আলহামদুলিল্লাহ ! সেই ঘরের আগুন নিভাতে অনেকেই আসছে ঠান্ডা পানি নিয়ে।
কেউ আগুনকে লক্ষ করে ঢিল দিচ্ছে ভিজা ছালা দিয়ে।
অথর্ব ও নামে মাত্র সেই ঘরে বসবাসকারী একজন বলছে, ‘যাক, আগুন লাগছে ভালই হইছে, ঘরে মশা একটাও থাকবনা, সব মরব’ !

শুনে অবাক হবেন, আগুন নিভানোর নামে কেউ দৌড়িয়ে আসছে কেরোসিন নিয়ে!
কেউ বা আসছে পেট্রোল নিয়ে !!!

কেউ কেউ আসছে তামসা দেখতে।
আবার অনেকেই আসছে আর হাসছে। এ জ্বলন্ত আগুন যেন হয়েছে তাঁদের হাসির খোরাক।

কেউবা বলছে, সে ঘরে আগুন লেগেছে, তাই কি হয়েছে? আমার ঘরেতো আর আগুন লাগেনাই। আমার ঘরতো ঠিকই আছে।

অবাক হলেও সত্য, কতিপয় লোক আবার দোয়া করছে, আয় আল্লাহ আগুনকে আরো দীর্ঘ্যস্থায়ী করে দাও, আমি ঐ ঘরে পৌঁছার আগে আগুনকে নিভিয়ে দিও না। পৌঁছার পর আগুনকে আরো চেতিয়ে বা উজ্জিবিত করে দিও। কারণ, আমার দু’মুঠো ভাত এই ক্যামেরা ও লেখালেখির মধ্যেই!

( এক ভাই বলেছেন, ‘ হাসাদ’ বা হিংসা একপ্রকার আগুন। এই আগুনে যখন সব পুড়ে ছাই হয়ে যাবে, তখন সব হালতও দুরুস্ত হয়ে যাবে। অনুরূপ ‘সবর’ বা ধৈর্য্যও একটা আগুন। পার্থক্য হলোঃ ‘হাসাদ’ জ্বালিয়ে দেয় স্বয়ং হাসাদকারীকে। পক্ষান্তরে ‘সবর’ জ্বালিয়ে দেয় ঐ যালেমকে, যার যুলুমের উপর ‘সবর’ করা হয়েছে’ )।

 

Advertisements

Leave a Reply