২০১৮ এর ত্রৈমাসিক মাশোয়ারাঃ নিযামুদ্দিন ছিল, আছে এবং থাকবে, থাকবে ২০১৬ সালে কাকরাইলের ত্রৈমাসিক মাশোয়ারায় মাওলানা ওমর ফারুক সাহেবের বয়ান, কিন্তু তিনি নাই।

মাওলানা ওমর ফারুক সাহেব, সাবেক শুরা (নিযামুদ্দিন), বর্তমানে আলমী শুরা, পাকিস্তান। মাএ কয়েক মাসের  ব্যবধানে যিনি নিযামুদ্দিনের বিপরীত কথা বলছেন। হায় আফসোস এ বছরের ত্রৈমাসিক মাশোয়ারা কাকরাইলের পরিবর্তে শান্তি নগরে এবং মাওঃ ওমর ফারুক সাহেব নাই। যার নিন্মের বয়ানের অডিও শুনুন ঃ

 

 

 

অনুবাদ ঃ  সৈয়দ কামরুল হাসান রাহিদ।

কামকে আল্লাহ তায়লার কাছে কবুলকরাইয়াছেন।যার ফল মানুষ ঘরে ঘরে পাইতেছে। তাই এই কাম আগে বাড়তেছে। নিযামুদ্দিনের মাটিকেও আল্লাহতায়লার কাছে কবুল করাইয়াছেন,,,,,,,!!!

এই কাম দুনিয়াতে ততদিন পর্যন্ত চলবে, যতদিন পর্যন্ত নিযামুদ্দিন থেকে হরকতটা চালু থাকবে। এরপর আরো কঠিন কথা বললেন, আমার মনেহয় যে কোনো শব্দ এদিক ওদিক হয়নি আমার,কারণ এ কথাটা আমার কানে প্রায় বাজে,,,,,,,,,,,!!!

এরপর বললেন, হযরত মাওলানা সাদ সাহেব ও হযরত মাওলানা জোবায়েরুল হাসান সাহেবের দিকে ইশারা করে যে, কখনো যদি এই সাদ ও জোবায়ের এই কামকে বন্ধ করে দেয় (খোদা না করুক) তখন আমাদের সারা দুনিয়াময় কাম করনেওলাদের জন্য জরুরী হইল তারাতারি নিযামুদ্দিনে পৌছে যাওয়া, ওখানে থেকে কামকে হরকতের উপর রাখা, কারণ ওখান থেকে যদি কাম বন্ধ হয়ে যায় সারা দুনিয়ায় কাম টিকাইয়া রাখার আর কোনো জায়গা নাই,,,, ,,,,,,,!!!

এটা ঐ ব্যক্তি বলেছেন, যাকে সারা দুনিয়াতে তাবলীগ এর মুরুব্বী হিসাবে একবাক্যে চিনে
(হাজী আঃ ওয়াহাব সাহেব) এবং যিনি বর্তমানে যারা বেচে আছেন, তাদের মধ্য থেকে হযরতজী ইলিয়াস রহঃ থেকে সবচে বেশি সোহবত নিয়েছেন, এবং নিজেকে হার লাইনের কুরবানির উপর খাপাইছেন,,,,,!!

হযরতজী ইলিয়াস রহঃ এর যামানাতেও এবং হযরতজী ইউসুফ রহঃ এর যামানাতেও,,,,,,!!! এটা ওনার নিজের জবানের কথা,,!!!!

সুতরাং কাম সারা দুনিয়াতে আসুক,চলুক,কাম, কামের জজবা আমার ভিতরে পয়দা হোক, আমার ভিতরে কামের যোগ্যতা পয়দা হোক, এটার জন্য আমাকে নিযামুদ্দিনে যাইতে হবে, যে যাইতে পারতেছিনা তাকে কাঁদতে হবে, আল্লাহর কাছে তাওবা করতে হবে, আয় আল্লাহ এই কামের মার্কাজ যেখানে ঐখানে আমি কেনো যাইতে পারতেছিনা,,,,,,????

এটাতো কেউ কাউকে তাশকিল করার বিষয় না, এটা অত্যন্ত গর্হিত কথা যে কেউ আমাকে নিযামুদ্দিনে যাইতে তাশকিল করতেছে,,

আর আমি এলাকায় কাম করনেওলা হিসেবে পরিচিত যদিও কাম করনেওলা ‘না’
কিন্তু মানুষ আমাকে কাম করনেওলা মনে করে,,,,!!!

আমার জন্য সত্যই বড় অপমানকর কথা,, বড় লজ্জাকর কথা যে আমার ভিতরে নিযামুদ্দিনে যাওয়ার কোনো জ্বলন নাই, কোনো ব্যথা নাই, কোনো তলব নাই, কোনো জজবা নাই, দিনের পর দিন, রাতের পর রাত, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর, এই আমার দেশের গন্ডিতে আছি, এর ভিতরেই আমি নিজেকে খাপিয়ে রেখেছি,,,,,,,,!!! ভিডিওতে সম্পূর্ণ শুনুন,,, !??

২০১৬ সালে কাকরাইলে ত্রৈমাসিক মাশোয়ারায় আসরের আগে মাওলানা ওমর ফারুক সাহেব এভাবেই তারগীব দিয়ে জেলার শূরা হযরতগণকে নিযামুদ্দিনের এতায়াতের উপর জমে থাকার জন্য তৈরী করেন, কথাগুলো যে হাজী আঃ ওয়াহাব সাহেব বলেছেন সেটাও তিনি সে বয়ানে বলেন,,,,,,,!!!

এখন ভাববার বিষয় হলো, হযরতজী সাদ সাহেব হাফিঃ এবং মাওলানা জোবায়েরুল হাসান রহঃ উনারাও যদি নিযামুদ্দিনে যাওয়া বা কামকে বন্ধ করে দেন তবে পুরা দুনিয়ার কাম করনেওলা সাথীদের জন্য জরুরী হইলো খুব তারতারি নিযামুদ্দিনে গিয়ে কামকে হরকতের উপর রাখা,
এখন এটা সময়ের দাবি হালের তাকাজা, সকল কাম করনেওলা সাথীরা দ্রুত নিযামুদ্দিনের দিকে রওনা হওয়া,,

এবং যারা যেতে পারছি না,, তাদের কে কাঁদবার কথা বলা হয়েছে,, আল্লাহর কাছে তাওবা করার কথা বলা হয়েছে,,

নিযামুদ্দিনে যেতে না পারাটা লজ্জাকর, অপমানকর, গর্হিত কাজ বলে উল্লেখ্য করেছেন,।।

যে ভাবে নিযামুদ্দিনের শুরা হয়েছিলেন মাও ঃ ওমর ফারুক সাহেব।

FB_IMG_1525726394944.jpgFB_IMG_1525726405157.jpg

 

Advertisements

Leave a Reply