কাকরাইল মারকাজ আপডেট: মাও যোবায়ের আপাতত কাকরাইলে নিষিদ্ধ; ষড়যন্ত্রকারীরা তৎপর।

কাকরাইল মারকাজ আপডেট নিউজ দেখার আগে পুরানো নিউজে ক্লিক করুন।

A very worst abusive dishonesty conspiracy has been reported about a plan, how to capture the Dhaka Tablighi KAKRAIL MARKAZ (তাবলীগের কাকরাইল মারকাজ দখলের ষড়যন্ত্র ফাস)

তাবলীগ মতবিরোধে ছাত্র কেন ব্যবহার হয়??
বদনামির দায় নিবে কে?

বারবার তাবলীগের বর্তমান মতবিরোধকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বিতর্কিত বিষয়ে ছাত্রদেরকে ব্যবহার করে কাওমি ছাত্রদের প্রতি জনসধারনের ভালবাসা ও সম্মানের জায়গাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে। এবং কাওমি ভাবধার ও জনমনে কওমী শিক্ষার প্রতি ভালবাসা জায়গাকে বারবার কলঙ্ককিত করা হচ্ছে। এটা একটি বাহিরা চক্রান্তের কাওমীশিক্ষা ও ইসলাম বিদ্বেষীদের নীল নকশার একটি ফলেই মনে হচ্ছে।
এখন এই সময়ে মাদ্রাসার ছাত্র উস্তাদ তাবলীগে শেরকত বেশি হয় তাই এই সময়টাকেই কাজে লাগাচ্ছে ফাসেদিন। তাবলীগ মতবিরোধ বড়দের মাঝে। এর হাতিয়ার হিসাবে কেন ছাত্রদেরকে ব্যবহার করা হবে? উভয় পক্ষে তাবলীগ প্রেমী বহু জনসাধারন আছে। তাদেকে ব্যবহার না করে বিতর্কিত জায়গাতে কেন কাওমী ছাত্র ব্যবহার হচ্ছে? এটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। তাবলীগের সাথে জড়িত অনেক আলেম ও আওয়াম মুরব্বী আছে। তারাই এই ব্যাপারে মাথা ঘামাবে। এখানেও কেন ছাত্র ব্যবহার করা হচ্ছে?

সাংবাদিকরা যখন কাকরাইলের মাসজিদের
ভিতরে প্রবেশ করে, তখন কিছু মাদরাসার ছাত্রদের জিজ্ঞাস করে, তোমরা কোথা থেকে আসছো? ছাত্ররা বলে আমরা কিশোরগন্জ থেকে
আসছি। বললো, কেনো আসছো? উত্তরে মাদরাসার ছাত্ররা বললো, আমাদের গাড়ীতে করে হুজুর নিয়া আসছে, মাদরাসা থেকে
কাকরাইলে। আমার প্রশ্ন, কোনো মাদরাসার ছাত্ররা কাকরাইল, কেনো আসে রমজানের আগে?
উত্তর সময়ে লাগাতে। তাহলে এই ছাত্ররা কি জানেনা কেনো আসছে কাকরাইলে? বললো আমাদের হুজুর গাড়ীতে করে কাকরাইল নিয়া আসে। কিন্তু ছাত্ররা কেউই বললোনা, আমরা সময়ে লাগাতে কাকরাইল মাসজিদে আসছি।
তাহলে, মাও: রবিউল হক, মাও: যোবায়ের সাবরা শেষ অবদি এতো বড় ঝামেলা করার জন্য, এতো এতো প্লান করছে এতোদিন মারকাজে বসে। তবে আমার মনে হচ্ছে খুব একটা সময় বাকি নেই এদের এই জঘন্য মার্কা কু কর্মের ফয়সালা হতে।

Photo Editor-20180428_054847.jpgকাকরাইলের মাও: যোবায়ের সাহেবের ছেলে হানজালা কে যখন পুলিশ বললো – মোবাইল নেটওয়ার্ক বল্ক করা জ্যামার কে বসিয়েছে ?হানজালা জবাবে বলে – আমরা বসিয়েছি কারন ঘটনা কিছু না ঘটতেই তারা পুলিশ কল করে ?চিন্তা করেন, আজকে কাকরাইলে হানজালা খুনাখুনি করবে কিন্তু ফোন করে পুলিশ কল করা না যায়, সেটার জন্য মোবাইল নেটওয়ার্ক বল্কিং জ্যামার পর্যন্ত সেট করে রেখেছে ! এই জ্যামার কিনার টাকা কে দিল? কারা এই পরামর্শ দাতা?হানজালাকে পুলিশ কাকরাইলে ওদের সাথে এত মাদরাসার ছাএ কেন প্রশ্ন করার জবাবে সে বলে – ওরা সবাই চিল্লা দিতে এসেছে। প্রিয় সাথী ভাইয়েরা, খেয়াল করুন যখন ওদের বের হয়ে যেতে পুলিশ বললো, তখন বেডিং ছাড়াই এরা বের হতে লাগলো। সময় লাগাতে আসলে বেডিং কই ?কারা আমাদের কলিজার টুকরা মাদরাসা ছাএদের তাবলীগ বিরোধে ব্যবহার করে পবিএ মাদরাসা শিক্ষাকে কলংকিত করার চেষ্টা করছে ? ছাএরা যদি সময় লাগাতে এসেই থাকে; তাহলে পরীক্ষা তো এখনো চলছে এবং পূর্বে এটা লিখিত হয়েছিল ছাএরা মাশোয়ারায় কামরায় আসবেনা। তাহলে এদের মাশোয়ারা কামরায় কারা নিয়ে আসলো?

গত ২/৩ বছর আগে নিউইয়র্কে ওয়ার্ল্ডে প্রথম শুরু হওয়া আলমী ফেতনার মূলে আমেরিকান প্রবাসী ড. আওয়াল সাহেবের সহিত দাওয়াতুল হকের মুফতি জামালউদ্দিন সাহেবকে দেখা গিয়াছিল। আর অাজ বাংলাদেশে যখন ড. আওয়াল সাহেবের জিম্মাদারিতে এ বছরের শুরুতে যখন কাকরাইলের মাও: যোবায়ের, রবিউল সাহেবগন তাবলীগের বিরোধে জড়িয়ে পড়েন, তখন সেখানেও “দাওয়াতুল হক” এর বাংলাদেশের আমীর মাহমুদুল হাসান ও মুফতি মুনসুরুল হকদের দেখা যায়। এসব কিসের আলামত? এ কি দাওয়াতে তাবলীগ ধবংসের আলামত নয়?

সবশেষ, আজ শনিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রালায়ের পক্ষ থেকে ৩ জনকে, কাকরাইলে ঢোকা বন্ধ করা হয়েছে : ১) আজগর, ২) মাহফুজ , ৩) সেলিম।আর মাও: যোবায়ের সাব মাও: রবিউল সাবকে কাকরাইলে যেতে সাময়িক ভাবে নিষেধ করা হয়েছে। আর মাও: আব্দুল্লাহ মনসুর সাবকেও
নিষেধ করছে। স্বরাষ্টমন্ত্রালায়ে থেকে না বলা অবদি এরা কেউ কাকরাইলে ঢুকতে পারবেনা,
বাকি মুরব্বীরা কাকরাইলেই আছেন, সূত্র কাকরাইল থেকে এতায়াতের মুরব্বি বরিশালের হারুন ভাই যিনি তাশকিলে থাকেন। হারুন ভাইকেও বের করে দেয়া হয়েছিল, পরে তাকে আবার পুলিশ ভিতরে ঢুকতে দিয়েছে।

কাকরাইল মারকাজ মসজিদে কয়েকদিন ধরেই উত্তেজনা বিরাজ করছে। গতকাল শুক্রবার সেটি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছালে হাতাহাতিও হয়। পরিবেশ শান্ত করার জন্য বাড়তি পুলিশ নিয়োজিত আছে।এদিকে আজ সকালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে মসজিদে ছাত্রদের বের করে দেয় পুলিশ।

 

Advertisements

Leave a Reply