নিজামুদ্দিনে বাংলাদেশীদের উৎসবের আমেজ; ১০০ বছরে এই প্রথমবার বাংলাদেশীদের উপচে পড়া ভীড়।

কলকাতা কলুতলা মারকাজে বাংলাদেশের সাথীভাইদের এস্তেগবালে আছেন ভাই শিহাব উদ্দীন। তার পাঠানো সংবাদের ভিওিতে নিযামুদ্দিনের বাংলাদেশ জোড়ের সবশেষ খবর :

কলকাতা কলুতলা মারকাজে বাংলদেশী সাথীভাইদের মজমা অনেক বড়। সাথীরা ট্রেন, বিমান ইত্যাদি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রতিদিনই আসছেনও প্রচুর। কলুতলা মারকাজের আশে পাশের প্রায় ৫০ টা মসজিদে সাথীদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

গতকাল সবচেয়ে বেশি সাথী এসেছেন। এখন জিম্মাদার সাথীরা বেশি আসছেন।

এই জোড়ে বাংলাদেশের জন্য কোটা ছিল ৩০০০ সাথীর। এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৫০০ সাথীর আসার খবর এস্তেগবাল রেকর্ড হয়েছে।

নিজামুদ্দীনে পৌঁছে গেছেন কাকরাইলের শূরা হজরতদের মধ্যে জনাব খান শাহাবুদ্দীন নাসিম সাহেব, হজরত মাওলানা মোশাররফ সাহেব, প্রফেসর ইউনুস শিকদার সাহেব, শেখ নূর মোহাম্মদ সাহেব। রওয়ানা হয়েছেন সবচেয়ে প্রবীন শূরা হজরত মাওলানা মোজাম্মেল হক সাহেব। আসার জন্য তৈরি নিচ্ছেন নিজামুদ্দীনের এতেয়াতকারী অন্য হজরতগন।

কাকরাইলের হজরতদের মধ্যে ইতোমধ্যে পৌঁছে গেছেন বাংলাদেশের আমির হজরত মাওলানা আব্দুল আজিজ সাহবে রহ.-এর সাহেবজাদা হজরত মাওলানা মাসুম সাহেব। এসে পৌঁছেছেন মাওলানা মুহাম্মদ উল্লাহ সাহেব, মাওলানা আশরাফ আলী সাহেব, প্রফেসর আনোয়ার সাহেব, প্রফেসর মঞ্জু সাহেব, ডা. রফিক সাহেব, ভাই মহিউদ্দীন সাহেবসহ অনেকে।

পৌছেছেন ঢাকা জেলার জিম্মাদার সাথীরাও। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মুফতি জিয়া বিন কাসেম, মাওলানা মুনির বিন শাকিম, মাওলানা আব্দুল্লাহ, ভাই আলতাব সাহেব, ভাই মুজিবুল হক হাওলাদার সাহেব, ভাই নুরুল হক সাহেব, ভাই আতাউর রহমান সাহেব, ভাই তোফাজ্জল সাহেব, ডা. নাফিস সাহেবসহ অনেক জিম্মাদার সাথীরা।

ইনশাআল্লাহ আগামী ১৪ থেকে ১৭ এপ্রিল ২০১৮ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নিজামুদ্দীনে বাংলাদেশীদের জোড়। সাথীদের অনেক দিনের তামান্না পুরো হওয়ার পথে এই জোড় উপলক্ষে নিজামুদ্দিনে বাংলাদেশীদের উৎসবের আমেজ। ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের প্রায় সব জেলার সাথীরা উপস্থিত হয়েছেন। বাংলাদেশের তরতিবের জিম্মাদার ডা. রেজা আরিফ সাহেব জানিয়েছেন এখন নিজামুদ্দীনে প্রায় ১৫০০ মতো মজমা আছে। এস্তেগবালে প্রচন্ড ভীড়। এখানে সাথীদের পাসপোর্ট এন্টিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তাই কথা বলার সুযোগ নেই। এছাড়া যারা তাশকিলে গেছেন তারাও আজ নিজামুদ্দীন মারকাজে পৌঁছাবেন। এছাড়াও জোড়ে অংশ নিতে বাংলাদেশ থেকে তাবলীগের সাথীরা বাস,ট্রেন ও আকাশ পথে আসছেন। আসবেন প্রতিদিন অর্থাৎ ১৬ তারিখ পর্যন্ত জোড়ে অংশগ্রহণের জন্য সাথীরা আসতেই থাকবেন। আশা করা যায় উপস্তিতির সংখ্যা ১০-১৫ হাজার ছাড়িয়ে যাবে। এই প্রথম বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশীর একএে নিযামুদ্দিন আগমন। অনেক অনেক সাথী ভিসা না পাওয়ায় আসতে পারেন নাই।

ইনশাআল্লাহ জোড় শুরু হবে ১৪ ই এপ্রিল ২০১৮ বাদ আসর এবং দোয়ার মাধ্যমে জোড় শেষ হবে ১৭ ই এপ্রিল ২০১৮ জোহর নামাজের আগে।

Advertisements

Leave a Reply