সম্মানিত ওলামায়ে কেরাম এর প্রতি জরুরি আরজ Urgent urgency towards the respected Islamic Scholars

সম্মানিত ওলামায়ে কেরাম এর প্রতি জরুরি আরজ :

আমরাও চাই আপনারা তাবলীগ জামাত এবং মাওলানা সাদ সাহেব হাফিজুল্লাহ সম্পর্কে কথা বলুন। আর কথা বলতে হলে তো সত্যটা জেনে বলতে হবে। আমার সাথে কোন বিখ্যাত ব্যাক্তির ভাল সম্পর্ক তাই তাঁর কথা যাচাই না করেই বললাম। মনে রাখবেন এটা মিথ্যার শামিল। পবিত্র কোরআনে এবং হাদিস শরীফে এ ব্যাপারে নিষেধ আছে। আমার কবরে আমি একা যাব। তাই সাবধান।

আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেছেন – “হে মুসলমান ! যদি কোন দুষ্কার্যকারী তোমাদের নিকট কোন সংবাদ নিয়ে আসে ( যাতে কারো প্রতি অভিযোগ থাকে ) তবে ঐ সংবাদকে ভালরুপে যাচাই করে গ্রহণ করিও। এমন যেন না হয় যে, তোমরা তাহার কথার উপর নির্ভর করে অজ্ঞতাবশতঃ কোন কওমের ক্ষতি করে ফেল। অতঃপর তোমাদেরকে নিজেদের কৃতকর্মের উপর অনুতপ্ত হতে হয়।”

হাদিস শরীফে আছে – “মানুষের মিথ্যাবাদী সাবস্ত হওয়ার জন্য ইহাই যথেষ্ট যে, সে যা কিছু শোনে তাহা যাচাই না করেই বর্ণনা করেন।’’

আমরা কেউই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। মাওলানা সাদ সাহেবহাফিজুল্লাহ প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা বয়ান করেন। তাঁর ভুল হওয়া স্বাভাবিক। আল্লাহর শুকরিয়া বড়দের নজরে তাঁর ভুল ধরা পড়েছে। বড়দের আপত্তি নজরে আসার সাথে সাথে তিনি লিখিত রুজু করেছেন। একবার না। চার চার বার। এর পর নিজামুদ্দিন মারকাজে এলানি রুজু করেছেন। তাতে আমাদের বাংলাদেশী সম্মানিত জামাতের সাথিরাও নিজামুদ্দিন থাকা অবস্থায় খুশি প্রকাশ করেছেন । তারপর কাকরাইল মসজিদেও তিনি তাঁর রুজু প্রকাশ করেছেন । তাঁর মত একজন সম্মানিত ব্যাক্তি বার বার নিজে ছোট হয়েছেন । ওলামায়ে কেরামদের বড় রেখেছেন । তারপরও তাঁর নামে আমরা মিথ্যা রটাই । অথচ তিরমিজি শরীফে আছে – “যে ব্যাক্তি আপন (মুসলমান) ভাইকে এমন গুনাহের উপর লজ্জা দিল, যে গুনাহ হতে সে তওবা করেছে । তবে এই লজ্জাদাতা ততক্ষণ পর্যন্ত মরবে না , যতক্ষণ পর্যন্ত সে নিজে ঐ গুনাহের মধ্যে লিপ্ত না হবে।”

সন্তান যতই খারাপ হোক পিতামাতার খাতিরেও আমরা অনেক কে সম্মান করি । এটা আমাদের একটা বড় সামাজিক গুণ। মাওলানা সাদ সাহেব হাফিজুল্লাহ এর বেলায় আমরা আমাদের সে ঐতিহ্য কেও বিলকুল ভুলে গেছি। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় মাওলানার বয়ান শুনে যে সব ছেলেদের বাবা তাদের মাদ্রাসায় পড়াশুনা করান, সেইসব ছেলেরা তাঁর সাথে যে ব্যাবহার করল তা অতি লজ্জাজনক।

খুবই জরুরী কথা –তাবলীগ ও দেওবন্দিয়তঃ

************************************

এ কথা সন্দেহাতীত যে, মাসলাক ও মাশরাব এর দিক থেকে তবলিগ জামাত দারুল উলুম দেওবন্দের পুংখানুপুংখ অনুসারী। দারুল উলুম দেওবন্দের মাসলাকের বাইরে যেয়ে চিন্তা ভাবনা করা তবলিগ জামাতের জন্যে অনেক বড় ফিতনার কারণ হবে যা খোদ রইসুত তবলিগ মাওলানা মুহাম্মদ সাদ কান্ধলভি সাহেব ২০১৬ এর ভুপাল ইজতেমায় নিজেই বয়ানে বলেছেন। কিন্তু এতে যে দারুল উলুমের সমস্ত মতামতের সাথে এ জামাতের একেবারেই কোন ভিন্নতা থাকবে না তা নয়।

দারুল উলূম দেওবন্দের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিভিন্ন বিষয়ে আকাবিরে দেওবন্দের একেক জনের একেক মত পরিলক্ষিত হয়েছে। মাদানিয়্যত এক দিকে হেঁটেছে। থানভিয়্যত একদিকে হেঁটেছে। উবায়দুল্লাহ সিন্ধি রহ. একদিকে হেঁটেছেন। মুফতি কিফায়াতুল্লাহ সাহেব ও জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ একদিকে হেঁটেছে। শাব্বির আহমদ উসমানি রহ. জাফর আহমদ থানভি রহ. অন্যদিকে হেঁটেছেন। তাদের মাঝে অবস্থানগত প্রচুর ভিন্নতা ছিল। ভিন্নতা ছিল এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে, যা নিয়ে পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রক্তঝরা হিজরত হয়েছে। এমনকি তাসাওউফের ক্ষেত্রে উলামায়ে দেওবন্দ চিশতিয়া, নকশেবন্দিয়া, মুজাদ্দেদিয়া, সোহরাওয়ার্দিয়ার মত ভিন্ন ভিন্ন মাশরাবকে একসঙ্গে বহন, ধারণ ও প্রদান করছেন। এই ভিন্নতা সত্ত্বেও তারা একে অপরের অবস্থানকে শ্রদ্ধা করতেন। এখন প্রশ্ন হলো সেই ধারাবাহিকতা বর্তমানেও কি অব্যাহত রয়েছে?
আরেকটি হলো মাসআলার ফতোয়া। আমার জানা মতে মাসআলার ফতোয়া হয় জুযয়ি বিষয়ে। আর মাসলাক হলো কুল্লি বিষয়ে। আমি এবং তবলিগ জামাত মাসলাকান ও মাশরাবান দেওবন্দি। এর অর্থ কি আমাকে বা তবলিগ জামাতকে দারুল উলূম দেওবন্দের সমস্ত ফতোয়াই মানতে হবে? আপনি যদি কারি তাইয়্যেব রহ. এর কিতাব পড়ে থাকেন, তাহলে নিশ্চয়ই জানেন, সেখানে মাসলাকে দেওবন্দ বলে, কখনই দারুল উলূম দেওবন্দের ফতোয়া বিভাগ বলা হয়নি। আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাআহর এক উমুমি আদর্শ ও চেতনা বোঝানো হয়েছে। সেই চেতনার মধ্যে কি ভিন্ন ভিন্ন ফতোয়াওয়ালা মুফতিগণ থাকতে পারেন না? আজকের তবলিগ জামাত সব গুলো মহাদেশে ভিন্ন ভিন্ন মাযহাবে, ভিন্ন ভিন্ন মাসলাকে ও মাশরাবাকে তালিমি কিছু পরিবর্তন ছাড়া একই নেহাজে চলছে। এমনকি আরব সালাফি দাবিদারদের মাঝেও। তো সেই ক্ষেত্রে দারুল উলুমের ফতোয়ার সমস্ত বিষয়ের সাথে বাকি দুনিয়াকে এক মত পোষণ করতেই হবে? খোদ দারুল উলূম দেওবন্দের একই সময়ে সহকর্মী হুসাইন আহমদ মাদানি রহ. ও মুফতি শফি সাহেব রহ. এর মাঝে কি ফতোয়াগত মতবিরোধ ছিল না? ছিল। বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্যের এই সূরটাই দেওবন্দ। এই সুরটা ধরতে পারলে অনেকগুলো প্রশ্নের উত্তর এমনিতেই চলে আসবে।

এখন এই যে, দেওবন্দি জমহুর এবং মূলধারা বিষয়টি আলোচিত। তাহলে এখন মূলধারা বিষয়টি কি শুধু আধিক্য দিয়ে বিবেচিত হবে? কোন পাশে কে কে আছে, কার বয়স কত ইত্যাদি কি সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক? না কুরআন সুন্নাহ এবং সালাফে সালেহিনের আমল হলো কষ্টিপাথর? আশা করি এর আলোকে দেখলেই ফলাফল বেরিয়ে আসবে। সুতরাং দল ভাগ করে এবং উভয় ভাগে কয়েকজনকে করে দাঁড় করিয়ে হিসেব কষার কোনো কারণ নেই। আর জুমহুরের বিষয়টি?? আসলে নিয়ম হলো “হকের ওপর প্রতিষ্ঠিত মানুষদের” জুমহুর অনুসরণের নির্দেশ। যে-কোনোভাবে বৃহৎ হলেই হবে না। নইলে রাসুলের যুগই দেখুন। আসলে যতটুকু জানি জমহুরের উদ্দেশ্য, কারও যাল্লাত আঁকড়ে না থাকা। বরং উম্মাহর জুমহুরের তা’আমুলকে অবলম্বন করা।

এখন আমি যদি বলি দেওবান্দিয়াত আর দেওবন্দি দুটো কিন্তু ভিন্ন জিনিস। আমি কি একেবারে ভুল বললাম? এখন আমি যদি বলি দেওবন্দের কিছু ব্যক্তি বা দেওবন্দ মাদরাসা এক জিনিস, আর দেওবন্দি মতাদর্শ ভিন্ন জিনিস। তাহলে কি খুব ভুল হবে? দেওবন্দি ব্যক্তি কখনও সকলে এক নীতির অনুসারী ছিলো না। মৌলিক কিছু বিষয়ে মিল থাকলেও অমিল ছিলো অনেক বিষয়ে। থানবি, মাদানি, কাশ্মীরি,কান্ধলভি, শাহ, শহিদ সকলের মধ্যে মতানৈক্যের ফিরিস্তি অনেক দীর্ঘ। দেওবন্দের এ ধরনের অনেক বিষয়ের সাথে দেখবেন করাচির দ্বিমত, বিন্নুর টাউনের দ্বিমত, হাটহাজারীর দ্বিমত। আমি মনে করি যা হক তা-ই দেওবান্দিয়াত হিসেবে বিবেচিত হবে। আর ব্যক্তিদের ভুল হয়। এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু সমস্যা তো এখানেই যে, অনেক সময় দু একটা বিষয়ে ক্বুরআন থেকে বললেও, হাদিস থেকে বললেও, সীরাত থেকে বললেও, হায়াতে সাহাবা থেকে বললেও, সালাফ থেকে বললেও, আমাদের মাঝে সেই সহনশীলতা আর নেই, সেই হক্ব হজম করার ক্ষমতাও আর নেই। তখন কি আর করবে বেচারা বলনেওয়ালা!! তাকফিরের ভয়ে শেষ পর্যন্ত বসেই পরে হতাশ হয়ে। কিন্তু কিছু মানুষ থাকে যারা অসীম সাহস নিয়ে ‘নববী চেরাগ’ উঁচিয়ে চলে সন্মুখপানে। তাদের কথা আলাদা। ইতিহাস তাদেরই নাম লিখে যায় অথবা বলতে পারেন তারাই হয় একটি ইতিহাস। দেওবন্দ মাদরাসারা সকল উস্তাদের দৃষ্টিভঙ্গিও এক নয়, কখনো একও ছিলো না। রয়েছে প্রচুর ভিন্নতা। মাওলানা মুহাম্মদ সাদ কান্ধলভি সাহেবের ওপর এই যে ফতওয়া, হয়তো পরবর্তীতে দেখা যাবে দেওবন্দ থেকেই কেউ এই ফতোয়াকে রদ করছে।

পরিশেষে মাওলানা মুহাম্মদ সাদ কান্ধলভি সাহেবের বয়ানের একটি অংশ দিয়ে লেখাটি শেষ করছি। যেখানে উনি বলেন –
“যত দ্বীনের কাজ আছে চাই দাওয়াত ও তাবলিগ হোক, চাই মাদ্রাসায় পড়া বা পড়ানো হোক, আর চাই দ্বীনি শিক্ষা দেয়া হোক বা দ্বীনি বিষয় লেখনি হোক, চাই যত উত্তম থেকে উত্তম কাজ আছে, যেগুলোর সম্পর্ক আল্লাহর দ্বীনের সাথে; এগুলোর উন্নতিই হয় পরস্পর পরস্পর কে বুঝতে পারা এবং পরস্পর পরস্পরের কল্যানকামিতা থেকে।”

Urgent Requests To The Honorable Islamic Scholars:

We also want you to talk about Tabligh Jamaat and Maulana Saad Saheb Hafizullah. And to speak, I have to know the truth. I have a good relation with a famous person, so I did not test him. Remember that it is a liar. It is forbidden in the holy Quran and in the Hadith. I will go alone to my grave. So be careful.

Allah has said in the holy Qur’an, “O Muslims! If a bad person brings news to you (that is, someone has a complaint), then verify that news well and accept it. It does not happen that you do not harm the people of their faith, depending on their words. Then you have to repent of what you have done. ”

Hadith is in the Sharif – “It is enough for the people to become liars, that they describe what they hear without verifying it.”

We are not far from wrong. Maulana Saad Saheb Hafizullah is giving 6 to 8 hours a day. His mistake is normal. He has been caught in the wrong eye of the people who are thanked to God. As soon as the objection came to the attention of the elders, he made a written copy. Not once Four times four times After this Nizamuddin made elani raju In this, our Bangladeshi respected Jamaat-e-Islami also expressed their happiness while staying Nizamuddin. Then he published his resume in the Kakrail Mosque. A respected person like him has repeatedly reduced himself. Umayamei karamara big kept. Still, in his name we have a false rhetoric. But there is Tirmizi Sharif -“The person who shuts his brother (Muslim) in such a sin, he has repented from the sins. But this disgrace will not die until he himself is involved in this sin.”

The worse the children are, however, we respect many of the parents. This is a big social quality of us. In the case of Maulana Saad Saheb Hafizullah, we have forgotten our tradition altogether.
It is a matter of great sadness that after listening to the story of Maulana that all the boys’ parents used to study in their madrasas, those boys who used to accompany him are very embarrassing.

Very important:

Tabligh and Deobandiyat :

It is no doubt that the followers of Tablig Jamaat Darul Uloom Deoband are very much followed by Maslak and Mashraab. Thinking of Darul Uloom Deoband outside Maslak outside of Maslak would be a cause of great disappointment for the church church, where Ruissut Tablig Maulana Muhammad Saad Kandhalvi said in his statement in Bhopal Ijtema of 2016. But in that all Darul Uloom’s opinion will not have any difference in the Jamaat.

From the founding of Darul Ulum Deoband, different types of people from different tribes of Aqabira have been observed in different ways. Madadiyat walked one way. Thanviyat walked one way. Ubaidullah Sindhi Rah. Walked on one side. Mufti Kifayatullah Sahib and Jamiyat ulamayi Hind walk on one side. Shabbir Ahmad Uthmani Rah. Zafar Ahmad Thanvi RA Walked on the other side. There was a lot of space between them. Variations were important issues, with which the biggest bloodshed in the history of the world has been migrated. Even in Tasauf, Umayyee Deoband Chishtiya, Nakshebandia, Mujaddedia, Suhrawardy are carrying, holding and delivering different Mashraab together. Despite these differences, they respected each other’s position. Now the question is that continuity is still continuing?
Another is the fatwa of Masala. According to my knowledge, the fatwa of Masarah is related to jujui. And Maslak is about the Kolli. I and Tablig Jamaat Maslakan and Mashraban Deobandi Does this mean that I have to accept all the fatwas of Darul Uloom Deoband, the church or the church? If you are curious If you read the scripture, then surely you know that Maslah was called ‘Deoband’ and ‘Darul Uloom Deoband’ was not called the fatwa division. A Ummu ideology and a sense of Ahl al-Sunnah wa Jamaah have been mentioned. In that spirit, can not the Mufti of different fatwas? Today’s Tablig jamaat is going on in different continents, different masala and mashraaba in the same way without any change. Even among Arab Salafi claimants So, in that case, Darul Ulum’s fatwas must have the same opinion of the rest of the world? At the same time, at the same time Darul Ulum Deoband was co-worker Hussein Ahmed Madani. And mufti shafi sahib rah. Was there a difference of opinion among the fatwa? Was there. This surat of unity between diversity is Deoband. If you can catch this tune, the answers to many questions will be answered.
Now, it is discussed that Debobandi Jamhoor and mainstream matter are discussed. So now the mainstream matter will be considered only with excess? Who is on the side, whose age is most relevant? The Qur’an, Sunnah and Salehin’s work is the cliché? Hopefully, the results will come out in the light. So there is no reason to divide the team and make some people stand in both. And the topic of the zoom? Actually, the rule is to follow the “people who have established their rights”. Either way, it will not be large. Otherwise see the era of the Rasul. In fact, as far as I know, the purpose of the jamhur, not to grasp the meaning of anybody. Rather, follow the tradition of the ummah of Jumuur.

Now if I say Deobandiyat and Deobandi are two different things. I’m absolutely wrong? Now if I say that some people of Deoband or Deoband Madrasah are one thing, and Deobandi ideology is different. So what would be wrong? Deobandis never everyone followed a principle. There were similarities in basic things, but there was a lot of disagreements in many matters. Thanbi, Madani, Kashmiri, Kandhalvi, Shah, Shahid all have differences of opinion in the long run. There will be many such issues with Deoband, the disagreement between Karachi, disagreement with Binu Tauen, Hathazari’s disagreement. I think whatever is right will be considered as Deobandiyat. And the people are wrong. It’s not unusual. But the problem is that there is no other ability to digest the right, even though speaking from the Quraan, even though saying from the hadith, but from Sayat to the haat, saying, from Salaf, but there is no tolerance in us. Then what will be done by poorly teller !! After fear of taqfir, he was finally disappointed. But there are some people who, with infinite courage, ‘Nawabuddin Chorag’ evolves in the beginning. They talk differently. History can write their names or they can say that they are a history. Deoband Madrasas, not all intellectuals, were neither one nor ever. There are plenty of variations Fatwah, that may be seen later on from Moulana Muhammad Saad Kandhalvi, who has been abolishing this fatwa from Deoband.

In the end, we finished the writing with a section of Maulana Muhammad Saad Kandhalvi Sahib. Where he said –
“I want to do the work of religion and to be taught in the madrasa, whether it be taught or taught in the madrasa or not, neither do I write the subject of religion, as is the best thing to do, which are related to the religion of God, their progress is mutually mutual, Understanding and mutual benefit from one another. “

Advertisements

One thought on “সম্মানিত ওলামায়ে কেরাম এর প্রতি জরুরি আরজ Urgent urgency towards the respected Islamic Scholars

Leave a Reply