আলমী ফিতনা ফ্যাসাদ! Fiasco of Alami Fitna..Pakistani lovers want to make Bangladesh Pakistan…All religions traders in Bangladesh today are one.

(To see Bengali to English go down please)

দুইজন প্রত্যক্ষদর্শী বাংলাদেশি আলিম যাদের একজন মাস্তুরাতসহ ঐ সময় নিজামুদ্দিনে অবস্থান করছিলেন আরেকজন পুরুষ জামাতে সময় দিচ্ছিলেন তাদের কারগুজারি অনুসারে লেখা হয়েছে।

২০১৬ এর রমযানের কোন এক তারিখে পাকিস্তানি হেদায়েত মোতাবেক আলমী ফেৎনা বাজরা সিদ্ধান্ত নেয় দিল্লীর দেড়শ গুন্ডার এক বাহিনী দিয়ে হজরতজী মাওলানা সাদকে জোরপূর্বক নিজামুদ্দিন থেকে বের করে দিবে। এই খবর মেওয়াতিদের কাছে পৌঁছানো মাত্রই তারা ৪০টি বাসে করে ১০০০ জনের জামাত নিয়ে নিযামুদ্দিন মারকাজে চলে আসে এবং গুন্ডা বাহিনীর আগেই পুরা মারকাজে ছড়িয়ে ছিটিয়ে অবস্থান নেয়। নির্দিষ্ট তারিখে ১৫০ জনের গুন্ডা বাহিনী নিজামুদ্দিনে প্রবেশ করে।

প্রতিদিনের মত ইফতার করার জন্য হজরতজী দস্তরখানে আসেন । হজরতজী দস্তরখানে বসার সাথে সাথেই ঐ গুন্ডা বাহিনীর সরদার যে দিল্লিতে খুবই কুখ্যাত,সে হজরতজীর মুখোমুখি এসে বসে এবং বিভিন্ন ধরনের বেয়াদবি মূলক আচরণ ও কথা বলতে থাকে আর হজরতজী ও সবর করতে থাকেন ।এক পর্যায়ে ইয়াসিন দস্তরখান থেকে হজরতজীর খাবারের প্লেট হজরতজীর সামনে থেকে উঠিয়ে নিয়ে যায় । এসবই ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তের ঘটনা । ইয়াসিন প্লেট নিয়ে যাওয়ার পর ঐ কুখ্যত গুন্ডা সরদার হজরতজীকে বলেন মোটামুটি এরকম ”তোমার মামুররা তোমাকে মানে না, তাদের উপর তোমার কোন নিয়ন্ত্রন নাই, তোমার সামনে থেকে তোমার খাবার উঠিয়ে নিয়ে গেলো অথচ তুমি কিছুই করতে পারলে না তো আমি এখন ফয়সালা করলাম এখন থেকে তুমি আর আমির না, আমির হলো জুহাইরুল হাসান”। কিছু মেওয়াতিও ঐ সময় খানার কামরা এবং আশপাশে অবস্থান করছিল। মেওয়াতিরা বার বার দূর থেকে করজোড়ে হজরতজীকে ইশারার মাধ্যমে অনুনয় বিনয় করছিল যেন হজরতজি ওখান থেকে অর্থাৎ খানার কামরা থেকে চলে যায়। এক সময় হজরতজী দস্তরখান থেকে উঠে দাঁড়ান চলে যাওয়ার জন্য এবং যাওয়ার আগে বলে যান যেসব ঘটনা ঘটেছে এসব নিয়ে কেউ যেন বাড়াবাড়ি না করে। হজরতজী খানার কামরা থেকে বের হওয়ার সাথে সাথেই মেওয়াতিরা খানার কামরার দরজা আটকে দেয় তারপর ঐ কুখ্যাত গুণ্ডা সরদারসহ তার সাঙ্গপাঙ্গদের উত্তম মধ্যম দেয়া শুরু করে! গুণ্ডা সরদারের মাথা ফেটে রক্তারক্তিও হয়। এরপর মেওয়াতিরা সবাইকে উত্তম রূপে ধোলাইয়ের পর তাদেরকে প্রয়োজনীয় ফার্স্ট এইড প্রদান পূর্বক অর্থাৎ মাথা হাত পায়ের ব্যান্ডেজ করে মারকাজের পিছনের একটি দরজা দিয়ে তাদেরকে বের করে দেয়! এইসব মারামারি থানা পুলিশ মেওয়াতিরা খুবই ভালো বুঝে। মেওয়াতিদের সম্পর্কে কিছুটা ধারনা পেতে চাইলে আবুল হাসান আলি নদভি রহঃ এর দ্বীনি দাওয়াত কিতাবটি আগ্রহীরা পড়ে দেখতে পারেন। শফিউল্লাহ কুরাইশির সম্ভবত “কে সে জনে” ও মেওয়াতিদের বিষয়ে লেখা আছে। যাইহোক, এরপর মেওয়াতিরা পুরা খানার কামরা পরিষ্কার করে ঝকঝকে তকতকে করে ফেলে যাতে দেখে কেউ বুঝতে না পাতে এখানে কোন রক্তারক্তি হয়েছে! এই সমস্ত ঘটনাই মাগরিব অর্থাৎ ইফতারির ওয়াক্তে ঘটেছে। নামাযের পরে অথবা আগে হজরতজী যেসব ঘটনা ঘটেছে সেসবের ব্যাপারে বলেন যে সবই উনার অজান্তে এবং সম্মতি ছাড়াই ঘটেছে এবং তিনি সংশ্লিষ্টদেরকে বলেন তারা যেন আহতদের খোজখবর নেয় এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা নেয়। এরপর হজরতজী এশা ও তারাবীহ পড়ান।

তারাবীহর পর মারকাজে পুলিশ আসে। পুলিশ প্রথমে হযরতজীর সাথে দেখা করে উনার বক্তব্য শুনেন। পুলিশের প্রশ্নের জবাবে হযরতজী বলেন পুরা স্টেটের মুতাওল্লি তিনি। পুলিশ কাগজপত্র দেখতে চাইলে হযরতজি ইলিয়াস রহঃ এর জামানা থেকে যেসব কাগজ পত্র রয়েছে সমস্ত কাগজপত্র বের করে পুলিশকে দেখান। সব কথা এবং কাগজপত্র দেখার পর পুলিশ এবার জোহাইরুল হাসানের কাছে যান তার বক্তব্য শোনার জন্য। জোহাইরুল হাসানও তার কাগজপত্র দেখান। মাত্র তিন ডেসিম্যাল জায়গা জোহাইরুল হাসানের নামে। কিন্তু তিনি যে বাড়িতে থাকেন সেটা অনেক বড় জায়গা নিয়ে। যাইহোক, জোহাইরুল হাসানের বক্তব্য এবং কাগজপত্র দেখার পর পুলিশ পুনরায় হযরতজীর কাছে আসেন। পুলিশ হযরতজীকে জিজ্ঞাস করেন এতবড় সম্পত্তির মধ্যে মাত্র তিন ডেসিমাল জায়গার মালিক জোহাইরুল হাসান কিভাবে হলো ? আর উনি(জোহাইরুল হাসান) এত জায়গা নিয়ে কিভাবে বাড়ি বানালেন? জবাবে হযরতজী বলেন হযরতজীর দাদী এবং জোহাইরুল হাসানের দাদী দুইজনেই আপন বোন (হযরত শাইখের রহঃ দুই মেয়ে)ছিলো । উনার দাদী ঐ তিন ডেসিমাল জায়গা তার বোনকে অর্থাৎ জোহাইরুল হাসানের দাদীকে লিখে দেন। এরপর পুলিশ জিজ্ঞাস করে, কিন্তু জোহাইরুল হাসানের বাড়ি অনেক বড় জায়গা নিয়ে, তিন ডেসিমাল থেকেও বেশি এইটা কিভাবে হলো ? জবাবে হযরতজী বলেন ঐ বাড়ি হযরতজীই করে দিয়েছেন যেহেতু সন্তান সন্ততি বেড়ে পরিবারও বড় হয়ে গিয়েছে। এসব কথাবার্তার পর পুলিশরা আশেপাশে চলে যায়। অনেকে চা খেতে যায়। পুলিশরা কি আলোচনা করে এটা শোনার জন্য বাংলাদেশের ঐ দুই আলিমের একজন, পুলিশরা যে হোটেলে চা খেতে গিয়েছিল সেখানে যায়। দুই পুলিশ চা খেতে খেতে আলোচনা করছিলো পুরা ঘটনা নিয়ে। আলোচনার ভিতর একজন বলে এই মাওলানা সাদ ইনিতো মানুষ না ইনি ভগবান! নিজের জমিতে যাকে নিজেই আবার বাড়ি বানিয়ে দিয়েছেন তারাই তাকে উৎখাতের চেষ্টা করছে অথচ এই মাওলানা সাআদ তাদের বিরুদ্ধে কোন কথাই বলল না ইত্যাদি ইত্যাদি ।

এদিকে এই ঘটনায় আলমী শুরার অনুসারীরা দেখছে। তারা যে প্লান করেছিল সেই মতই কিছুই হলো না বরং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ তাদের প্রতিকুলে চলে গিয়েছে। যেখানে তাদের শেষ ভরসা পুলিশ ছিলো সেই পুলিশও সব জানার পর নিরপেক্ষভাবে তাদের ভূমিকা পালন করছে যেটা তাদের জন্য দুঃসংবাদ।এইজন্য আহমেদ লাট, ফারুক জুতাওয়ালি সহ সকল গুজরাটি এবং আলিগড়ি আলমি শুরার অনুসারী যারা মারকাজে ছিলো তারা এক এক করে গোপনে মারকাজ থেকে রাতের অন্ধকারে ভাগা শুরু করে। পরদিন ফজরের আগেই পাকিস্তানি এই ষড়যন্ত্রে যারা জড়িত ছিলো তারা সবাই নিজেরাই ভেগে যায়, কেউ তাদের কিছুই বলে নাই।

সবাই যখন মারকাজ ছেড়ে যাওয়া শুরু করেছে তখন জোহাইরুল হাসান সাহেব সম্পর্কে তার শশুর অথবা চাচা শশুর হযরত শেখ জাকারিয়া রহঃ এর ছেলে মাওলানা তালহা সাহেবকে ফোনে সব ঘটনা জানিয়ে পরামর্শ চান। মাওলনা তালহা জোহাইরুল হাসান সাহেবকে বলেন মুটামুটি, তুমি যদি নিজামুদ্দিন মারকাজ ছেড়ে চলে যাও তাহলে তবলীগে তোমার নাম নিশানা কিছুই আর বাকি থাকবে না , তুমি বরং মারকাজেই থাকো । মাওলানা সাদ বরং আগের মতই তোমাকে ভালো জানবে। টেক কেয়ার করবে আদর যত্নের কোন কমতি মাওলানা সাদের তরফ থেকে হবে না। এই কথার প্রেক্ষিতে জোহাইরুল হাসান সাহেব মারকাজেই থেকে যান।

আলমি শুরা অনুসারীদের সকলেই অর্থাৎ মুরুব্বিরাসহ ছানাপোনা সবাই ঘটিবাটিসহ যে যেভাবে পারছে রাতের অন্ধকারেই সকাল হওয়ার আগেই ভেগে গেছে ব্যাতিক্রম ছিলো শুধু মাওলানা ইব্রাহিম সাহেব। উনি স্বাভাবিক ভাবেই মারকাজে অবস্থান করছিলেন। এই ঘটনার ২/৩ দিন পর মাওলানা ইব্রাহিম সাহেব উনার বাড়িতে যাওয়ার জন্য মাওলানা সাদ সাহেবের কাছে অনুমতি চান। শেষ ১৫ রমযান নিজের এলাকায় কাটানো এটা মাওলানা ইব্রাহিম সাহেবের দীর্ঘদিনের অভ্যাস। তিনি স্বাভাবিক নিয়মেই হজরতজীর কাছে বাড়িতে যাওয়ার অনুমতি চান এবং উনি যাওয়ার পর যে কিতাব উনি পড়ান সেটাও কে পড়াবে এটাও হজরতজীর সাথে মাসোয়ারা করে ঠিক করেন এবং উনি যাওয়ার সময় অন্যদের মত তল্পিতল্পা সব নিয়ে যান নাই , শুধুমাত্র একটি ব্যাগে উনার কিছু কাপড়চোপড় নিয়ে যেভাবে সবসময় যান সেভাবেই গিয়েছেন। পুরা ঘটনার সাথে মাওলানা ইব্রাহিম সাহেবের গতিবিধি কর্মকান্ড পর্যালোচনা করলে দুইটা জিনিস পরিষ্কার হয়। উনি হজরতজীকে আমির মেনেছেন বলেই উনার কাছে বাড়িতে যাওয়ার আগে সব মাসোয়ারা চেয়েছিলেন। দ্বিতীয়ত আলমী ফেতনাবাজদের এতবড় ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে ইব্রাহিম সাহেব সম্ভবত কিছুই জানতেন না।

অনেকেই বলেন তবলীগে এইসব দখল আর বের করে দেয়ার সংস্কৃতি কখনই ছিলো না। এইসব কোত্থেকে শুরু হলো ? এটা মূলত পাকিস্তানী কালচার । আর বাংলাদেশে পাকিস্তানী প্রেমিক হেফাজতি, দাওয়াতুল হক ও বেফাকরা আছেন তাদের মধ্যে এসব দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত। মুশফিকি ফেতনার জনক নিজেও এই কালচারটা দীর্ঘদিন তবলীগে নিয়ে আসার চেষ্টা করেছে অবশেষে মৃত্যুর পর তার ছানাপোনারা এসব নিয়ে হেফাজতী, দাওয়াতুল হক ও বেফাকিদের কাজে লাগিয়ে বেশ ভালোই আছে। নিউইয়র্ক আল-ফালাহ মসজিদের নিযামুদ্দিন মারকাজ দখলের মধ্য দিয়ে গত ২ বছর আগে আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হওয়া পৃথিবী জুড়ে পাকিস্তানী ফেতনা আলমী শুরার জিম্মাদার ড. আওয়ালের সহযোগিতায় আপাতত: হেফাজতী, দাওয়াতুল হক ও বেফাকীগন বেশ খুশি খুশি মনে আছে।

আমাদের এই দেশ বাংলাদেশ, পাকিস্তান নয়। এটি যারা অদ্য ৩১ শে মার্চ, ২০১৮ ভিক্টরিয়া পার্ক এ বসে তৈরি করেছেন তারা কার পরামর্শে করেছেন জানিনা, তবে এটা যে পিছন থেকে ছুরি মারার মতন সিদ্ধান্ত সন্দেহ নেই। উগ্রবাদী এই কৌশলের ফাদে পা দিয়ে পাকিস্তান আজ বিধ্বস্ত।

সিদ্ধান্তগুলো দেখলে স্পষ্টতই পাকিস্তানী দুর্গন্ধ টের পাওয়া যায়। আলেম নামধারী পাকিস্তানীদের বাংলাদেশী দালালগনের সিদ্ধান্তগুলো দেখতে নিচের Link Click করুন।

http://ourislam24.com/2018/03/31/%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%97-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%93%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0/

আলহামদুলিল্লাহ্‌ এসব গায়েরের ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে বাংলাদেশিরা অনেক আগেই সজাগ।

গায়েরের ফাদে পা দিয়ে প্রতিদিন পাকিস্তান রক্তাক্ত হয়, স্কুলের মাসুম বাচ্চাদের কপালে অস্ত্র ঠেকিয়ে নৃশংস হত্যাকান্ড পর্যন্ত হয়, আরো যা হয় তাতো আইয়ামে জাহিলিয়াতের জীবন্ত কন্যা সন্তান কবরস্থ করার চেয়েও রোমহর্ষক। শয়তানের এই স্তরের শয়তানী পাকিস্তানে কিভাবে সম্ভব এ প্রশ্নের উত্তর আমার জানা নেই, কেউ কি জানেন?

সেখানে যা হয়েছে, যা হচ্ছে তার বর্ননা ২/৪ লাইনে সম্ভব নয়। লাহোরে হযরতজী ইউসুফ সাব রহ: এর শাহাদাত, বাংলাদেশীদের প্রতি ৭১ এ জুলুম, সর্বোপরি সারা পৃথিবী জুড়ে দাওয়াত ও তাবলীগের এই মেহনতে মোড়লপনা করে আজ দীনের এত বড় লোকসান করা ওনাদের পক্ষেই সম্ভব।

এতায়াতের কমতি থাকলে আল্লাহ পাকের হেফাজত থেকে বঞ্চিত হয়, যার নতিজা দেখতে পাই, যখন দেখি মৌলভী রিয়াজ নামধারী ইয়াহুদি রাইবেন্ড মারকাজে দাপিয়ে বেড়ানোর পাশাপাশি, কাশফের নামে, ভাই আ: ওয়াহাব ছাহেবের ফায়সালায় হস্তক্ষেপ করেছিলো বছরের পর বছর ধরে, আমীর ছাব তো নয়ই, কেউই টের পায়নি, বেশ কজন মিলে এই ষড়যন্ত্র চালাতে পারলো নির্বিঘ্নে মাসের পর মাস, বছরের পর বছর। এতায়াতের অভাবে আল্লাহ পাকের হেফাজত নেই। মুন্তাখাব হাদীস – হাদীসের কিতাব হওয়া সত্ত্বেও মানতে পারেনি।

চিন্তাশীলদের জন্য নসিহত।

আল্লাহ পাকের এহসান বাংলাদেশ এসব থেকে পাক। বাংলাদেশকে নাপাক করার এই ষড়যন্ত্র বাস্তবায়িত হবেনা ইনশাআল্লাহ। আমরাও চাই ষড়যন্ত্রকারীদের থেকে দূরে থেকেই মেহনত করতে।

ষড়যন্ত্রকারীদের আমরা জানাতে চাই উত্তেজনা যতই উস্কে দেবার চেষ্টা করুননা কেন, বিভক্তি রেখা যতই টানুননা কেন এলেম ও আহলে এলেম তথা আহলে হকগনের কদরদানী আমরা করবই। বরং পুরা মানবজাতির কল্যানার্থে নিজামুদ্দিন মার্কাজ কেন্দ্রিক এতায়াতের বুনিয়াদের উপর মউত পরযন্ত মেহনত করবো ইনশাআল্লাহ।

কেননা সিদ্দিকী খান্দানের উম্মতের রাহবার হজরতজী মাওলানা সাদ দামাত বারাকাতুহ অপমানিত ও বঞ্চিত (তিনি কিন্তু মেহমান ছিলেন) হবার পরও শান্ত ও প্রশান্তবদনে বলে গেছেন- “উলামায়ে হাযরতদের মুহসিন সামঝো”।

আমাদের আকাবেরীনদের একজন মহান খান শাহাবুদ্দিন নাসিম ছাহেব আমাদের সামনেই মার খেয়েও শান্ত ছিলেন, আমাদেরকে শান্ত রাখলেন।

প্রফেসর ইউনুস সিকদার যিনি, ধৈর্য্যের পাহাড়, কাকরাইল থেকে বের করে দেয়া হল, কামরার দরজা ভাংলো তাও কাকরাইল মাদ্রাসার কিছু উস্তাদ ও তাদের লেলিয়ে দেওয়া অবুজ ছাএরা, তবুও তার শান্ত ধীর স্থির ফজিলতপুর্ন গত ২৬ শে মার্চের বয়ান আমাদেরকে সবিস্ময় সাবের হবার উৎসাহ যোগায়।

ওয়াসিফ ভাইকে আল্লাহ পাক দীর্ঘ হায়াতে তাইয়েবা দান করুন। উগ্রপন্থী তান্ডবের, বেয়াদবের বেয়াদবীর মোকাবেলায় ধিরস্থিরতার সাথে সুচিন্তিত আপোশে জোড়মিল রক্ষাসুচক সিদ্ধান্ত বারবার নিতে দেখে দেখে আমরা সামনের পথ পরিক্রমার জন্যে বড় প্রয়োজনীয় রাহবারি পাই।

যাইহোক, আমরা পরবর্তীতে ইনশাআল্লাহ আলোচনা করব কিভাবে মাহমুদুল হাসান, হজরত মাওলানা মোতাসিম বিল্লাহর রহঃ যাত্রাবাড়ী মাদ্রসা দখল করেছিলো? মসজিদে মানুষ হত্যার ফেরারি আসামি মাহফুজুল হক, কিভাবে চিল্লা দিলো? মামুনুল হক, যে বলে হজরতজী নাকি নিজের অস্তিত্ব টিকে রাখার জন্য জোর করে টঙ্গিতে আসতে চেয়েছেন ও মুফতি মুনসুরুল হকরা কিভাবে জামিয়া রহমানিয়ার নাম দিয়া জমি দখল করল? কিভাবে হলি আটিজান এর ঘটনায় জড়িতদের ব্যাপারে পএিকায় সংবাদ প্রকাশের পরও তারা ধরা-ছোয়ার বাইরে এবং তাদের শক্তির উৎস কি? এবং কেন কাকরাইলের মাও: জুবায়ের ও রবিউল গং সহ অন্যরা তাবলীগ ধবংসে তৎপর ইত্যাদি ইত্যাদি।20180331_1052181554193661.png

Two eyewitness Bangladeshi Alim who were staying in Nizamuddin along with a masturat, another man was writing in accordance with their Kargujari time.

On one day of Ramadan 2016, according to Pakistani guidelines, Alamee Fitna Bajra decides that Hazratjhi Maulana Saad will be forced out of Nizamuddin by an army of half a gang of Delhi. As soon as the news reached the Mewatis, they came to Nizamuddin Markaz with a congregation of 1,000 people on 40 buses, and before the thugs, they were scattered in the full crackers. On the specified date, 150 people go to Nizamuddin.

Hazratji came to the tooth to break like every day. As soon as sitting in the Hazrat Dali, the Sardar of that gangster, who is very infamous in Delhi, came face to face with Hazrat ji and sat on different kinds of malicious behavior and talk and continued to harsh and patience. At one stage Yasin Dastarkhan took Hazratji’s food plate away from Hazratji . All these are just the events of the iftar. After taking Yasin Plate, the sarcastic gunda said to Sardar Hajrataji: “Your mummurs do not mean anything to you, you have no control over them, they take away your food from you, but you can not do anything, I have decided that now you are no longer Amir is not, Amir is Zuhairul Hasan. ” Some mewats were staying in the house and surrounding area at that time. Mewatis repeatedly urged Hazratji to pay attention to the pennies from the distance so that Hazrataji went from there to the house of mine. Once upon a time, standing up from the Hazratji Dastarkhan, go ahead and go ahead and say that no one should abduct those things that happened. As soon as Hajratji came out of the quarters, the Maewatira locked the doors of the house, and then started to give good mediations to his classmates, including those infamous gangsters Sardar! There is blood clotting in the head of the gangster Sardar. After the Mayawati washed them well, after giving them the necessary first aid, that is, the bandage of their hands and feet, and they put them out of a door behind the beat! These fighting police stations are very well understood by the Mawatists. If you want to get some ideas about the Mewatis, then Abul Hasan Ali can see the interest of the Prophet’s book. Shafiullah Quarishi is probably written about “who he is” and mevatis. However, after the Mayawati cleaned the room of the whole house, he was shocked, so that no one could understand that there was no blood donation! These events have happened in the time of Maghrib-Iftir. Regarding the events that happened before or after Hazratji, he said that all happened without his knowledge and consent and he told the concerned people to take the information of the wounded and take necessary treatment. After that, Hajratji taught Esha and Tarabeeh.

After Tarabeeh, police came to Markaz. The police first met Hazratji and heard his speech. In response to the question of police, Hazrat Saad Sab said that he is a full-fledged Mutawalli. If you want to see the police papers, then take out all the papers from the custody of Mr. Elias Rah. and show the police. After looking at all the papers and documents, the police went to Joharul Hassan to listen to his statement. Zohairul Hasan also showed his papers. Just three decimal places in the name of Joharul Hasan. But he is in a house that is very big. However, after the speech of Joharul Hasan and the papers, police again came to Hazratji. The police asked Hazrat Jahirul Hassan, owner of only three decimal places, in such a property. And how did he (Zaheerul Hasan) build a house like this? In response, Hazratji said that both Hadrat’s grandmother and grandmother of Johairul Hassan had their sister (two daughters of Hazrat Shaikh Rah). His grandmother wrote to her grandmother, Zaheerul Hassan’s grandmother, of those three decimal places. Then the police asked, but the house of Joharul Hassan was very big, how much more than three decimals? In response, Hazratji said that the house has been hajratji because the family grew and the family grew too. After these conversations, the police went around. Many people go to tea. One of the two Alim of Bangladesh, police went to the hotel where they went to the tea to listen to what the police discussed. Two policemen were discussing eating tea and eating the whole incident. One of the negotiators said this Maulana Saad is not such a person God! Those who themselves have made their own houses in the land, they are trying to overthrow him, whereas this Maulana Saad does not say anything against them etc.

Meanwhile, Alami Shura’s followers are watching this incident. It was nothing like the plan they did, but the situation completely ended their adversity. Whereas their last reliance was police, the police are playing their role neutrally after knowing all that is bad news for them. All the guerrillas including Ahmed Lath, Faruq Jutawali and Algiri Alamy Shura followers, who were in Markaz, started to flee secretly from the dark march of night. . The next day, before the Fajr, all the people who were involved in this conspiracy went away by themselves, nobody told them anything.

When everyone started leaving Markaz, he asked his son or uncle of his father-in-law, Sheikh Zakaria Raha’s son Maulana Talha to tell all the facts about the phone. Maulana Talha said to Johairul Hasan, “If you leave Nizamuddin Marakaz, then your name will not be left in Tablighi, and you will not be left behind.” Maulana Saad, you know better than before. No care of care will be taken from the care of Maulana Saad. In view of this, go from Joharul Hasan Sahib Markaz.

All the people of Alumi Shura followers, including the Marubiris and Chhnapoana, all the people, including the ghatsabati, have passed before the morning in the darkness of the night, except for Maulana Ibrahim Sahib. He was in the middle of the normal position. After 2/3 days of this incident, Maulana Ibrahim Sahib asked permission from Maulana Saad to go to his house. Last 15 Ramanan spent in his area, it is a longstanding practice of Maulana Ibrahim He wants permission to go home to Hazrat ji in the normal course and after reading the script, he will teach who will read it. He also arranges mosquitoes with Hazrat ji and when he went, he did not take the imagination like others, just as he always went with some of his clothes in a bag. Went there Two things are clean when the activities of Maulana Ibrahim Sahib are reviewed by the whole incident. He accepted Hazrat ji as he wanted all the maswaara before going home to him. Secondly, Ibrahim could not possibly know anything about the so-called conspiracy of Alami Fetna.

Many people said that there was never a culture of grabbing these outfits and throwing them out in Tablighi. Where did this start? It is basically Pakistani culture. And there are Pakistani lovers Hefajati, Dawatul Haq and Baifakara in Bangladesh. The father of Mushfiqatna Fateer himself tried to bring this culture for a long time, after the death, after his death, he was very good at using the hefajati, dawatul hawk and cheating. The Pakistani altercation Alami Shura’s custodian Dr. Awal, who was formally launched in the country two years ago, was captured by Nijamuddin Markaz of the New York al-Falah mosque. Hefajati, Daawatul Haque and Befikigan are very happy to be present in Dr. Awal’s cooperation.

This country is not Bangladesh, Pakistan. Those who have made it today on March 31st, 2011 at Victoria Park, do not know who they are, but it is not doubt that the decision to kneel out from behind. Pakistan’s tragedy struck by the extremist tactic of Pakistan.

Seeing the decisions clearly shows Pakistani stench. Click the link below to see the decision of Bangladeshi bankruptcy of Pakistan named Aleem.

http://ourislam24.com/2018/03/31/%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%97-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%93%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0/

Alhamdulillah Bangladeshis have long been aware of the conspiracy of these cases.

Pakistan is bloody every day, with the help of garam masum children, on the forehead of the children, cruelty to the brutal killings, more than anything else, the romance is more than the grave of Jahiliyat’s living daughter. I do not know the answer to this question, how could Satan in this level of Satan, in Pakistan, do anybody know?

Whatever is happening there, the description of which is not possible in the 2/4 line. Hazrat ji Yusuf Sab Rah: In Lahore, its martyrdom, the oppression of Bangladeshis in 1971, and in all over the world, it is possible for the people to make such a big loss to the world by making such a call in the press.

If there is shortage in the case of Allah, it is deprived of the custody of Paki, whose fault is seen, while seeing the name of Maulvi Riaz, named Yahudi Rieben, in a march, besides, in the name of Kasf, brother A: Wahab intervened in the judgment of the year, Did not get it, some of them could run this conspiracy, after months of months, year after year. There is no custody of Allah Pak in the absence of order. Muntakhab Hadith – Despite being a book of hadith, he could not believe it.

Conscious for the thinkers.

All of Pakistan’s Ehsan Bangladesh InshaAllah, this conspiracy to defame Bangladesh will not be implemented. We also want to work harder than conspirators.

We want to inform the conspirators that try to provoke the tension so why not pull the dividing line so much that we will do the same for the scholars and the people of Ahl alameem and Ahl al-Haqagan. But for the sake of the whole mankind, I will work on the foundation of Nizamuddin Marzak-centric so-called ‘Insha Allah’.

Because of Siddiqi Khandan’s ummah, Hajrataji Maulana Saad Damat Barakatuah has said in peace and calm after being humiliated and deprived (but he was a guest) – “Muhsin Saajho of Umayyah Hajarad”.

One of our noblemen, Shahabuddin Nasim Sab, was also calm down in front of us, he kept us calm.

Professor Yunus Sikder, who was driven out of the hills of Kakrail, broke the doors of the room, and some of the Kakrail madrassas and the turmoil of their laziness, yet his calm slow statue, on 26th March, encourages us to be superb.

Give Wasiqeek Brother to Allah for a long time. Seeing the determination of the extremist mindset and the determination of the arrogant mindset in the face of the arrogance of the arrogant opponents, we get a lot of necessary guidance for the next step.

However, we will discuss inshaAllah later on how Mahmudul Hassan, Hazrat Maulana Motasim Billah RAH Jatrabari madrasa grabbed? Murphy Murder fugitive accused Mahfuzul Haque, how did the chilla? Mamunul Huq, who wants to come to Tongi for the sake of survival of Hazrat ji and how did Mufti Munsurul Haq occupy the land by the name of Jamia Rahman? How are the people involved in the incident of Holy Atirzan, after publishing news in Patrika, they are out of control and what is the source of their energy? And why Kakrail Maw: others including Jubayer and Rabiul Gong, Tablegi destruction etc., etc.

 

 

Advertisements

One thought on “আলমী ফিতনা ফ্যাসাদ! Fiasco of Alami Fitna..Pakistani lovers want to make Bangladesh Pakistan…All religions traders in Bangladesh today are one.

Leave a Reply