Kakrail Markaz, Nizzamuddin Update :

 

কাকরাইল জোড় আপডেট (Kakrail Zord Update) :

(From Bengali to English)

এইমাত্র কাকরাইল মসজিদ থেকে আসলাম। আজকে আমাদের পাহারার দিন ছিল। আবার জোড় ছিল। সেই সুবাদে দেখে আসলাম। পুরানো সাথীদের উপচে পড়া ভিড় দোতলা তিনতলা, এমনকি সিঁড়িতেও কোন কোন জায়গা ছিলনা। এমনকি বাইরের মাইকের আওয়াজে মানুষ দাঁড়িয়ে কথা শুনেছে। ফজর নামাজ পরে আমরা কয়েক সাথি রওনা দিলাম। কাকরাইল পৌঁছে হেদায়েতের কথার কিছু অংশ পেলাম। আমি তখন নিচতলায় ছিলাম। হঠাৎ শোরগোলের শোরগোলের আওয়াজ পেলাম। এগিয়ে গেলাম। দেখলাম দোতলায় একটি লোক দাঁড়িয়ে আছে। হঠাৎ করে কোন একটা ছাত্র বাঁশ দিয়ে লোকটির ঘাড়ে বাড়ি দিল। লোকটি কিছু বুঝেনা, বুঝতে না পেরে নিচে দৌড়ে এল। কয়েকটি ছাত্র তাকে ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল। পরে সাথীরা তাকে জিজ্ঞাসা করলো, তাকে টানা ছেঁড়া করছে কেন? পরে গেলাম দোতালায়। আজগর নামক একজন ব্যক্তি বলল, আজকে তোমাদের পাহারা দেয়ার দরকার নেই। আমরাই পাহারা দিব। এক সাথি বলল আজকে আমাদের পাহারা। আমরাই দিব। তখন ওরা সবাই মিলে একসাথে ওই সাথীকে বেদম প্রহার করল। ১০ মিনিট পরে হঠাৎ পুলিশ এবং ডিবি এসে বলল, ২ মিনিটের মধ্যে দোতলা থেকে সব বেরিয়ে যেতে হবে। তারা খুবই চাপ দিল সাথীদেরকে এবং বললো, পাহারা দেয়ার দরকার ননেই। আপনারা বের হন। প্র‍য়োজনে আমরা ১০ হাজার পুলিশ আনব, আপনাদের পাহারা দেয়ার জন্য। কেন আপনারা বিশ্বাস যোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছেন। তাদের (আলমী ফেৎনা) মূল উদ্দেশ্য ছিল এখানে বড় ধরনের গোলযোগ সৃষ্টি করে, জোড় ভণ্ডুল করা। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি সাথীদের এখলাসের কারনে। তারা বলেছিল যে ওরা আমাদের মারুক, কিন্তু আমরা ওদের কিছু বলবো না। পরে তারা গোলযোগ সৃষ্টি করতে না পেরে আলাদা মজমা বানালো। সেখানে তারা কিছু ষড়যন্ত্রের কথা বলছিল। পুলিশ হয়ত এই ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতেই এসেছিল। তারপর আমরা আমলে শরিক হয়েছি। এরপর তারা আর কোন ক্ষতি করতে পারেনি। আলহামদুলিল্লাহ।

‌জোড় সফল হয়েছে। বিভিন্ন জেলা কারগুজারী শুনিয়েছে। বিশেষ করে নোয়াখালী জেলা। এই জেলা থেকে ১৫০ জন সাথী নিজাম উদ্দিনের ভিসা পেয়েছে। আরো ১৫০ সাথী ভিসা প্রসেসিং চলিতেছে। নোয়াখালীর কারগুজারী দিচ্ছিল এক আলেম। উনি বলল, নব্বইভাগ ভাগ সাথী নিজামুদ্দিনের এতাতে আছেন। উনারা মাদ্রাসাগুলিতে সফর করেছেন। প্রায় ৯০ ভাগ মাদ্রাসা এবং ওলামা হযরত নিজাম উদ্দিনের সাথে আছেন। ঢাকার সাথীর কারগুজারী আরো ব্যাপক। ১৫০০ উপরে সাথী ভিসা পেয়েছেন আরো প্রসেসিং চলতেছে। নিজামুদ্দিনের জোড় কামিয়াব হবে ইনশাল্লাহ। শেষের দিকে কিছু করণীয় এবং তাকাজা দিয়ে দেয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে পাওয়া যাবে। আমাদের সাথে একজন আলেম ছিলেন। এই জোড়ের কথাগুলো ওলামাদের মুখে শুনে তাজ্জব হয়ে গেলেন। আর উনি বললেন, আমরা বাইরে থেকে তাহকিক না করেই কত ভুল অপপ্রচারের শিকার হই, তা এই জোড়ে না আসলে বুঝতাম না। আমাদেরকে কত কিছু ভুল বোঝানো হচ্ছে। বাস্তবে জোড়ে এসে আমার ধারণার আমূল পরিবর্তন হল।

যাক ফেরত আসি নাই, শেষ করেই এসেছি। সুম্মা আলহামদুলিল্লাহ্‌।

কাকরাইলে গতকল্য (২৬, মার্চ) শেষ হওয়া নিযামুদ্দিন জোড়ের তাকাজা সমুহ : উপস্তিতি ২৫০০০ এর কম- বেশী। আর তাকাজা বা উমর ১৩ টি,
১। কোন জেলায় নিজামুদ্দিনের জোড়ের আগে কোন জোড় না করা।
২। টিকেট সঙ্ক্রান্ত জটিলতার জন্য, যাদের ভিসা হইছে তাদের আগেই সফর করা।
৩। শুরা হজরত যারা এতায়েতে নাই তারা ফায়সাল থাকলে সোয়াদের চিঠি দেবেনা তাই আমাদের এতায়েত করনে ওয়ালা শুরা হজরতদের কাছ থেকে সোয়াদ এর চিঠি নেওয়া, যারা নিতে পারবেন না তারা কলকাতা গিয়ে আকরাম ভাই কে ফোন করে সোয়াদ হবেন। পুরা জামাত কাকরাইলে না এলে কমপক্ষে একজন সাথি কাকরাইলে আসা।
৩। নিজামুদ্দিন এর খেলাফ বা আমাদের আমিরের খেলাফ কেউ কিছু বললে তার কাছে দলিল প্রমান চাওয়া, দেওবন্দের অজুহাত চাওয়া, কারন কোন অভিযোগের দলিল তাদের কাছে নাই।
৪। প্রত্যেক জেলা থেকে কাকরাইলের ই মেইল বা মোবাইল নম্বরে ফোন করে চিঠি গুলো নেওয়া।
৫। মসজিদে রোজানা ইমানী হাল্কা লাগানো, ইমানি কথার মজলিস কায়েম করা।
৬। এস.এস.সি এবং দাখিল ছাত্রদের জামাতের নুসরত করা, এছারা দেশী বিদেশী জামাতের ও নুসরত করা।
৭। এইচ এস সি ছাত্রদের পেছনে মেহনত জারি রাখা।
৮। রমজানের খুরুজ বাড়ানো, আগের মতই যারা কাকরাইলে তার কাকরাইল আর যারা ময়দান থেকে বের হতেন ১৮ই শাবান থেকে ময়দানে আসা। মাদ্রাসার মেহনত করে ছাত্র-ওস্তাদদের জামাত বানিয়ে নিয়ে আসা।
৯। হজ্ব মেহনত জারি রাখা।
১০। মাস্তুরাতের ছয় মাসিক মুজাকারা দ্রুত করে ফেলা আর যারা শেকায়েত করতে পারে বা এতায়েতে নাই তাদের দিয়ে বয়ান না করানো।
১১। কাকরাইলে নজমে আর তারতীবে সাথি পাঠানো।
১২। আওলাদে মুবাল্লেগিন বিশেষ করে যারা মাদ্রাসায় তাদের তরবিয়তের লাইনে ফিকির করা, খেয়াল রাখা যেন কেউ আমাদের বাচ্চাদের আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার না করতে পারে।
১৩। দোয়া কান্নাকাটি, শেষ রাত্রে রোনাজারি, দোয়া ইউনুস এর খতম করা, সুরা কাহাফ তেলওয়য়াত করা। আর আশ্রাফ আলী থানভী (রহঃ) এর মুনাজাতে মকবুল মাওলানা জাকারিয়া সাব (রহঃ) এর মঞ্জিল দোয়া পড়া। প্রতিদিন কমপক্ষে ২ রাকাত সালাতুল হাজত পড়া। আল্লাহ আমাদের আমল করার তাউফিক দান করুন আর নিজামুদ্দদিন এর এতায়েতে মেহনত করার তাউফিক দান করুক। আমীন।

Just come from Kakrail Mosque. Today was our watch day(পাহারার দিন). There were also zord day. At that time I saw that. There was no place in the three-story staircases, and there was no place in the stairs leading up to the old companions. Even the voice of the outside man heard the man standing. After the Fajr prayers we left a few partners. When I reached Kakrail, I found some part of the guidance. I was then in the ground floor. Suddenly there was a noise of a loud noise. I went ahead. I saw a man standing in the double room. Suddenly, a student gave the man home on the neck with a bamboo. The man did not understand anything, and ran away without understanding. Some students were dragging him away. Later the companions asked him, why is he tearing him? Later I went to the double room. A person named Azgar said, “Today you do not need to be guarded. We’ll keep watch. A mate said today to guard us. We will give Then they all beat together the partner together. After 10 minutes, suddenly the police and the DB came and said, all in two minutes to go out of the double room. They put a lot of pressure on the companions and said, there is no need to guard. You go out If necessary we will bring 10 thousand police, to guard you. Why have you lost your credibility? The main objective of them (Almī Fhetna) was to create a big chaos here, to fracture it. But it was not possible due to the epitome of the companions. They said they hit us, but we will not say anything to them. Later, they did not create trouble and made different mazma. There they were talking about some conspiracies. The police might have come to foil this conspiracy. Then we became a partner in the period. Then they could not do any harm. Alhamdulillah

Zord have been successful. Various district takaza have heard. Especially in Noakhali district. Nizamuddin received 150 visas from this district. More than 150 partner visa processing is in progress. There was a scholar in Noakhali. He said, ninety-five percent of the companion Nizamuddin is in it. They traveled to madrasas. About 90 percent of the madrasa and the Ulema are with Nizamuddin. Dhaka’s companions are more extensive. More than 1500 couples have got visas, more processing is going on. Nizamuddin’s pair will be inshallah At the end, something was done and Takaza was given.There was a scholar with us. The words of this pair became amazed to hear the lips. And he said, we did not understand the wrong propaganda, without being able to do it without knowing how to add it. How many mistakes are being made to us? The real change in my concept came in the realization.

I have not come back, I have come to the end. Summa Alhamdulillah.

Kakrail is the last day (March 26th), Takaza of Nijamuddin Jor ending: The attendance is less than 25000- more. And Takaza or Umar 13,
1. Do not make any pair before the pair of Nizamuddin in any district.
2. For ticket-related complications, those who have a visa can travel before them.
3. Those who are not in the Shura Hazrat, if they are Faisal, then do not give Swayda’s letter. We can take Swad’s letter from Wala Shura Hazrat, who can not take them. They will go to Kolkata and call Akram Bhai. At least one mate comes to Kakrail if the entire Jamaat does not come to Kakrail.
3. If someone says something about Nizamuddin’s game or the plaything of our Aamir, then he wants to prove the document to him, asking for the excuse of Deoband, because there is no document of any allegation.
4. From every district call the Kakrail e-mail or mobile number and get the letters.
5. Implementation of light in the Mosque, Implementation of the Imani
6. To make the students of the SSC and Dakhil students nusrat, there are foreign foreign jamaat and nusrat.
7. Keep the HSC students working hard.
8. Raising Ramadan, the same as before, who came to Kakrail in Kakrail and those who came out of the field from the 18th century at Shaadan. Make the congregation of students of the Madrasa as a congregation.
9. Hajj continued to work hard.
10. The six months of masuktara fasting mujakara and those who are not able to do Shaykayet or do not give them any attention.
11. Kakrail najam and send a companion to Tahiti.
12. Mauldalagin in Awlad, especially those who are mad at their madrasa, can not be used to warn us against our children.
13. Prayers cry, last night Ronjari, the annihilation of Prayer Yunus, Surah Kahf Telwayat. And recite Maqbool Moulana Zakaria Sub (rah) Manjil blessings in the prayer of Ashraf Ali Thanvi (Rh). At least two rakat salatul prisons every day. Allaah should give us the right to do our deeds and to give us the right to work under the control of Nizamuddin. Amin.

Advertisements

Leave a Reply