১৪.১৫, ১৬, ১৭ এপ্রিল ২০১৮ নিজামুদ্দীনে বাংলাদেশ জোড়।

fb_img_15216799180271161740658.jpg

১৪.১৫, ১৬, ১৭ এপ্রিল নিজামুদ্দীনে বাংলাদেশীদের জোড় প্রস্তুতি দ্রুত সম্পন্ন করা বিষয়ে কাকরাইলের শুরাদের পক্ষ থেকে সকল জেলায় জনাব খান শাহাবুদ্দীন নাছিম সাহেবের চিঠি :

সব জিলা
বিসমিহি তায়ালা

কাকরাইল মসজিদ, ঢাকা
১৯ জমাদিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
৮ই মার্চ ২০১৮ ইংরেজী

মোহতারামীন ও মোকাররামীন আহলে শুরা/ জিম্মাদার হযরতগণ,
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
আশাকরি আল্লাহ পাকের ফজলে ভাল থেকে উম্মতের নাজাতের লক্ষ্যে দাওয়াতের কাজে মশগুল আছেন। আল্লাহ রব্বুল আলামিন ভরপুর কবুল ফরমান। আমীন।
গত ৪মার্চ ২০১৮ইং তারিখে কাকরাইল থেকে সব জিলার নিকটে যে পত্র প্রেরণ করা হয়েছিল সেই সূত্রে জানাচ্ছি যে, দাওয়াতের এ মোবারক মেহনতের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এতাআত এবং এস্তেমায়ীয়াত। এজন্য হযরত মাওলানা সা‘দ সাহেব (দা.বা.) এর ফায়সালা অনুযায়ী আগামী ১৪.১৫, ১৬, ১৭ এপ্রিল ২০১৮ তে নিজামুদ্দীনে বাংলাদেশীদের জোড়ে যাওয়ার জন্য আমাদের প্রস্তুতি দ্রুত সম্পন্ন করা প্রয়োজন, যাতে নিজামুদ্দীনে গিয়ে আমরা তাবলীগের কাজের মেহনত, সিফাত ও উসুলের লাইনে সহীহ রাহবারী নিয়ে কাজ করতে পারি।
উল্লেখ্য যে, গত ০৪ মার্চ ২০১৮ তারিখের পত্রে “সব শুরা হযরতগণ একমত হয়েছেন।”
এই বাক্যের ব্যাপারে বিভিন্ন জেলা ও ঢাকা শহরের বিভিন্ন হালকার সাথীদের তরফ থেকে প্রশ্ন উত্থাপিত হওয়ায় এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে যে, বাংলাদেশে তাবলীগের কাজের এস্তেমায়ীয়াতের স্বার্থে শুধুমাত্র ত্রৈমাসিক মাশোয়ারার তারিখের (২৩.২৪মার্চ) বিষয়ে নিজামুদ্দীনের এতায়াত করনেওয়ালা শুরা হযরতগণ অভিন্ন মত পোষণ করেছেন। তবে এটি সত্য যে, আমরা চেষ্টা করা সত্ত্বেও বাকি শুরা হযরতগণকে নিয়ে সকলে একত্রে বসতে কিংবা রায় মেলাতে সক্ষম হইনি।
সব সময়ের জন্য তাবলীগের সাথীদের এটি স্বরণে রাখা উচিত যে, দাওয়াতের মেহনতের এ আলমী কাজের জন্য স্থানীয় বা দেশীয় পর্যায়ের শুরা হযরতগণ কোন বিষয়ে ঐক্যমতে পৌছে সিদ্ধান্ত গ্রহণ অক্ষম হলে আমাদেরকে নিজামুদ্দীনের স্মরণাপন্ন হতে হবে। এই উছূল (নিয়ম) শুরু থেকেই চলে আসছে।
আল্লাহপাক আমাদের সবাইকে ছহীহ বুঝ এবং তার উপর আমল করার তৌফিক দান করুন। আমীন।

স্বাক্ষর
(খান শাহাবুদ্দীন নাছিম)fb_img_15216799180271161740658.jpg

 

Advertisements

Leave a Reply