“আজ দরবারি আলেমসমাজের হালত এমনই”-যে কারনে দীনের প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে তাদের যত অভিযোগ!

হা হা হা হা দাদা, আপনার আমার সবারই এই স্বাধীনতা আছে যে, যেটাকে হক মনে করি সেটাকে প্রকাশ করবো । আসল কথায় আসি —- দুই তিন তালা বিল্ডিংয়ের ছাদে বসানো
ট্যাংকে পানি উঠানোর জন্য যে মটরগুলি বাজারে পাওয়া যায় , সেই গুলি দ্বারা দুই তিন তালা পর্যন্ত পানি উঠাতে খুব সহজ । কিন্তু ঐ পর্যন্তই…… এখন বিল্ডিং যদি ১০/ ২০ তালার হয় তখন ?
তখন ঐ ছোট মটর দিয়ে আর কাজ হবে না । তখন একেবারে আলাদা জাতের মটর লাগবে। এই অবস্থায় ছোট মটরের বাজার সংকুচিত হয়ে আসবে। ছোট মটরগুলি তখন বড়ই নারাজ হবে ঐ উদ্যোক্তার উপর যে কিনা বহুতল বিল্ডিংয়ের কথা বলে। বুঝা গেলো কিছু?

দ্বীন শিক্ষা দিয়ে মজুরী নেয়া যাবে ( বলতে হবে যে দ্বীন শিখানোর বিনিময় নয় এটা হলো সময় যেটা খরচ করছি তার বিনিময় ) এই ফতওয়ার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে আমাদের মাদ্রাসাগুলি । সমাজে দ্বীনের যে নাজুক অবস্থা ছিলো তার প্রেক্ষিতে এই ফতওয়ার দরকার ছিলো । কিন্তু এটা যে
দ্বীনের মেহনতের আসল চেহারা নয় এটাও দেমাগে থাকার দরকার ছিলো । তো সাহাবীরা কি দ্বীন শিখিয়ে সময়ের দাম নিতেন ? কখনও না । সুতরাং ফতওয়ার ভিত্তিতে গড়ে উঠা মাদ্রাসা থেকে পাশ করা আলেমরা কি করে সাহাবীওয়ালা স্বপ্ন ধারণ করবে ? কি করে স্বপ্ন দেখবে সাহাবীদের মত যে আমরা সাহাবীদের মতই দ্বীন শিখাবো উম্মতকে নিজের পয়সা খরচ করে ? করাতো পরের কথা , এই স্বপ্ন দেখা সে শিখবে কোত্থেকে ? সাহাবীওয়ালা জীন্দেগীর মুযাকারা শিখানো হয় মাদ্রাসায় , কিন্তু ঐ জীন্দেগীর মশক করা শিখবে সে কোথা থেকে । আমাদের গতানুগতিক মাদ্রাসা থেকে যে আলেমরা
বের হবেন তারা গতানুগতিক চিন্তাধারাই লালন করবেন । সুতরাং তাদের দিয়ে গতানুগতিক কাজগুলিই হবে — ইমামতি করা , বিয়ে পড়ানো , জুমার খুৎবা দেওয়া , জানাজা পড়ানো ইত্যাদি । কিন্তু উম্মতের মধ্যে সাহাবীওয়ালা জীন্দেগী ফিরিয়ে আনতে হলে যে নেতৃত্ব প্রয়োজন তার জন্য ঐ ছোট
মটরে কাজ চলবে না । তার জন্য আলাদা জাতের পাওয়ারফুল মটর চাই । এই কথা সামনে আনার ফলেই ছোট মটরদের এত নারাজি কোম্পানির ঐ ইঞ্জিনিয়ারের উপর যিনি কিনা পাওয়ারফুল মটর উৎপাদনের কথা বলছেন বয়ানে । কিন্তু … এ’ কথা বলা ছাড়া তাঁরও তো কোনো পথ নাই । নইলেতো
বহুতলা বিল্ডিংই বনবে না । (একজন ওলামা হযরতের লেখা হুবহু নকল করা)fb_img_1518987111843-12876699.jpg

Advertisements

Leave a Reply