আমীরকে মান্য করা ওয়াজিব, এটা কোন সাধারন বিষয় নয়।

“হাফেয মাওলানা শাইখুল হাদিস চতুর্থ
হযরতজি হাফিজাহুল্লাহ”

উনার সমস্যা একটি নয় হাজারো,
যেমন নাকি,
★উনি হাফেয, তথাকথিত মফিয নন
★উনি আলেম, তথাকথিত জাহেল নন
★উনি শাইখুল হাদিস, তথাকথিত সাইকেল
হাদিস নন
★উনি সিদ্দিকিন পরিবার, বাঙ্গালির মত মির
জাফর নন,
★উনি খোদামুখি, তথাকথিত হাদিয়ামুখি নয়
★উনি বয়ানমুখি, তথাকথিত প্যাকেজ
ওয়াজমুখি নয়
★উনি সিয়াসিমুক্ত, দরবারি, কুফুরি, শিরকি
গনতন্ত্রমনা নন,

ম্যারা ভাই ও দোস্ত আজিজো,
অপ্রিয় হলেও সত্য যে,
এতগুলো দোষের কারণেই আমি
সহ গোটা দুনিয়ার দুই শতাধিক
দেশের আলেম-আওয়াম মিলে
শতকোটিরও অধিক মুসলিম উম্মাহ তার
হাতে বায়াত, তোমাদের মত সামান্য
কয়জন সিয়াসি আর টক শো ওলামায়ে
সু এর কারণে এ মেহনতের তিল
পরিমানও হরকত হবে না,ইনশা আল্লাহ,
বরং তোমরাই মুসলিম উম্মাহ থেকে
আগের চেয়ে আরো দূরে
সরে গেলে, তিল তিল করে গড়া
সিদ্দিকিন পরিবারের এই যামানার
উম্মতের সর্বশেষ ফ্ল্যাটফর্ম এত
ঠুংক নয় যে, সামান্য কিছু পোলাপান
দিয়ে মিটিং-সিটিং এর মত ইহুদিদের তরিকা
অবলম্বন করার দ্বারা বিনষ্ট হয়ে
যাবে, এর দ্বারা আরব-আজম সহ
গোটা দুনিয়ার মুবাল্লিগ ভাইয়েরা, না
দিল্লি মারকাযবিমুখ হবে, না তারা দিল্লি
মারকায ব্যতিত (তোমাদের মনষানুযায়ি)
ভিন্নতা অবলমম্বন করবে, তোমরা
কেবল তাদের সবর দেখেছ, কিন্তু
এস্তেকামাত দেখনি,(যা কিনা, তারা ইমাম
মাহদি আঃ জন্য জমিয়ে রাখতেছে)

আর ফতুয়ার কথা
অবশ্যই মোমিন মাত্রই ভুল করতেই
পারে,
“যে ভুল করে, সে মানুষ
যে ভুল স্বীকার করে, সেই
মোমিন
আর, যে ভুলে গর্ব করে, সেই
শয়তান”

হাদিসে যেমনিভাবে ভুলের কথা
আছে, তেমনিভাবে হাদিস শরিফে
ভুলের তরিকাও বাতলানো আছে,
কিন্তু তোমাদের সিয়াসি তরিকা
বিশ্বের দুইশ কোটি মুসলিম
উম্মাহকে কেবল হাসিয়েছে আর
তোমাদেরি বাতুলতা ফোঁটে উঠে,
বারবার কেবল ইহুদি-নাসারার তরিকার কথাই
স্মরণ করিয়েছে, খোদ সরকার
দলীয় টকশোও তারই প্রমানের
ইঙ্গিত বহন করে,
পক্ষান্তরে, ফতুয়া বিভাগের
চোখে কেবল মারকাযের সিদ্দিকিন
পরিবারের ভুলই নজরে
আসে……….

যখন,আল্লামা শফি সাব হুজুর
প্রকাশ্যে বলে, ছাত্রলীগ
আমাদের শত্রু নয়, বন্ধু”
তখন, ফতুয়া বিভাগ চুপ থাকে,

যখন,”পটিয়ার সদর, আবদুল হালিম বুখারি
সাব বলেন, জিয়াউর রহমান রহমাতুল্লাহ
আলাই আর শেখ মুজিব লাহনতুল্লাহ
আলাই”
তখন, ফতুয়া বিভাগ চুপ থাকে,

যখন,আ ফ ম খালেদ সাব বলেন,
আই এস আমেরিকা ও ইহুদিদের
সৃস্টি”(কে না জানে,স্বয়ং শাঈখ উসামা
রাহিঃ ই এ মানহায়ের স্বপ্নদ্রষ্টা;
পরবর্তিতে পদস্খলন হলেই
ইহুদিদের দালাল হয়ে যায় না)
তখন,ফতুয়া বিভাগ চুপ থাকে,

যখন,মুফতি ওয়াক্কাস সাব, মুফতি
ফয়জুল্লাহ সাব কিংবা গোমরাহি চরমুনাই
খোলাখুলিভাবে স্পষ্ট কুফুরি ও শিরকি
ইহুদিদের গণতন্ত্রের ফেরি করে”
তখনও,ফতুয়া বিভাগ চুপ থাকে,

যখন, মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ সাব
আল্লামা নাসির উদ্দিন আলবানি রাহিঃ কে
কাফের ও ইহুদিদের দালাল বলে
ফতুয়া দেয়”(অতচ,জাজিরাতুল আরবসহ
গোটা বিশ্বের উম্মতের বৃহৎ একটা
অংশ উক্ত শাঈখকে আমাদের
দেশের আল্লামা শফি মনে করে,
স্বয়ং শাঈখ উসামা রাহিঃও উনাকে “শাঈখ”
বলে সম্বোধন করতেন)
তখনও, ফতুয়া বিভাগ চুপ থাকে,

তবে কি, কওমি কিংবা মাদানি ও ওসমানি
পরিবারের ভুলের জন্য কি এই উম্মত
ভিন্ন ফতুয়া বিভাগ খুলবে,
স্বয়ং শাঈখ ওসামা রাহিঃ এর সাথে
দেওবন্দের বিপরিত ফতুয়ার তালিকা
কল্পনাতীত,

বর্তমানেও হাকিমুল উম্মাহ শাঈখ
আইমান আয যাওয়ারিহি হাফিঃ এর সাথে
দেওবন্দের ভিন্নতা সুস্পষ্ট,

বেশ কিছুদিন পূর্বেও তো আমিরুল
মুমিনিন শাঈখ মোল্লা ওমর রাহিঃ মাওলানা
তাকি ওসমানি সাবকে দরবারি আলেম
বলে তার ফতুয়াকে দেওয়ালে
ছুঁড়ে মারলেন,

এই কিছুদিন আগেই তো “হিন্দুস্তান
দারুল ইসলাম” এই ফতুয়ায় শাঈখ
আনোয়ার আল আওলাকি রাহিঃ দ্বারা
সেই মাওলানা ক-ত বিতর্কিত হলেন,

শাঈখ আসেম উমর হাফিঃ এর “ইসলাম ও
গনতন্ত্র” কিতাব দ্বারা মাওলানা আরশাদ
মাদানি সাব ও মাওলানা মাহমুদ মাদানি সাবের
হাজারো বয়ান ও কার্যকলাপ
বিতর্কের উর্দ্ধে থাকে না,
প্রশ্নবিদ্ধ হয়,
যা কিনা, লক্ষ লক্ষ উম্মতের আমাল
ও আকিদায় অধঃপতনে নিম্নস্তরে
পৌঁছে,

কই আমরা তাবলিগওয়ালারা তো
এগুলো নিয়ে কখনো হইচই করি নি,
অনলাইনে কিংবা অফলাইনে
লেখালেখি করি নি, মাতামাতি করি নি,

কারন, ময়দানের মুজাহিদের যেমন
ভালবাসি তেমনি দরসের ওস্তাদেরও
মুহাব্বত করি, আর এই মুহাব্বত করা
আমরা সবচেয়ে বেশি শিখেছি
খোদা কি কসম

খোদা কি কসম

খোদা কি কসম
হযরতজি মাওলানা সাদ সাবের বয়ান আর
পুরানা সাথিদের মুজাকারা থেকে

আমার ঘরে নতুন কেউ আসলে
কিতাবের সম্ভার দেখে বলে,
“মাওলানা তাকি ওসমানি সাব কি আপনার
আত্মীয় নাকি”, তাবলিগের কাজের
নেসবতে, হাটহাজারি, পটিয়া,
মেখলসহ, জিড়ি মাদরাসার উস্তাদ-ছাত্র
মিলিয়ে এদেশের প্রায় সহস্রাধিক
ওলামা হযরতদের বাসায় আসা-যাওয়া
হয়েছে, কারো ঘরেই আমার তাকি
ওসমানি সাবের কিতাব কালেকশনের
অর্ধেক কিতাবও দেখি নাই, তারপরও
থমকে যায়, ফতুয়া বিভাগ যখন বলে,
হযরতজি আমাদের অন্য কিতাব কিনতে
নিষেধ করেন, নবিজির যুগে তো
নেফাকওয়ালারাও তো আরো
বাস্তবমুখী তোহমত দিত,

গ্রামে ও শহরে হাজারো
মসজিদ,মক্তব, মাদরাসা সহস্রাধিক
তাবলিগের ভাইদের প্রত্যক্ষ কিংবা
পরোক্ষভাবে যত দ্বিনি শোবা
নিগড়ানো হয়, আজকাল বাতিলরাও
জানে অন্য কারো দ্বারা এতটা হয় না,
এরপরও তোহমত আসে, হযরতজি
কওমি মাদরাসা বন্ধ করতে চায়,
হায় আফসোস

হযরতজি ভোটকে হারাম বলছেন,
কেন, এই ফতুয়া তো আজকে
নতুন কোন ফতুয়া না, কমসেকম
আজ থেকে ৪০ বছর আগেই শাঈখ
উসামা রাহিঃ এই ফতুয়া দিয়েছিলেন,

এখন যদি আপনারা আবার বলেন, উসামা
কোন তথাকথিত দাওরাহ পাশ আলেম,
মুফতি বা শাইখুল হাদিস নয়, তার কথার
দালিল কি, তাহলে তো আমরা কেবল
ফেল ফেল করে আপনাদের
পানে চেয়ে থাকা ছাড়া বিকল্প উপায়
নাই, না জানি, আবার বলে ফেলেন,
ইমাম আবু হানিফা কিংবা বুখারি রাহিঃ তো
দাওরাহ পাশ নয়,
আর আমি তো সামান্য এই উম্মাহর
এক বিদগ্ধ মুবাল্লিগ,

পুনশ্চঃ

কথা আরো ছিল, লিখতে লিখতে
চোখে পানি এসে গেল, কারণ,
যারা অন্তত জীবনে একবার
হযরতজির পেছনে ক্বিরাত শুনে
নামায পড়েছেন, কাছ থেকে
দেখেছেন, তারা কি করে এইসব
তোহমত শয়বে, তোহমতের
অনেক বয়ান স্বয়ং হযরতের মুখেও
শুনেছি, কিন্তু এর যে এত ধার, এই
উম্মতের নায়েবে রসুলদের
রাহবারি ও কর্মসূচী না দেখলে
কোনদিন হয়ত বুঝতামই না
—md:Abdul Baqi Arjan

Advertisements

2 thoughts on “আমীরকে মান্য করা ওয়াজিব, এটা কোন সাধারন বিষয় নয়।

Leave a Reply