“নিজামুদ্দিন মার্কেজের শুরা ও মাওলানা সাদ সাব দাঃ বঃ”

“নিজামুদ্দিন মার্কেজের শুরা ও মাওলানা সাদ সাব দাঃ বঃ”

আসসালামু আলাইকুম,
সর্ব প্রথম আমি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি যে আল্লাহতালা আমাদেরকে দাওয়াতের আজিম কাজে নিসবত আতা ফর্মায়েছেন। আল্লাহ পাক আমাদেরকে মওত পর্যন্ত এই মেহনত করার তৌফিক দিন-আমীন।

এই সময় আমাদের সম্মুখে যে হালাত এসছে এবং যে হালাত পয়দা হয়েছে, দাওয়াতের কর্মী ও ওই বুজুর্গ সাথী যার সুদূর অতীত থেকে এই মেহনতে নিজের যান ও মাল খরচ করে আসছেন তারা কখনো ভাবতেও পারেননি যে এই জাতীয় কনো হালাত দাওয়াতের কাজের মধ্যেও আসতে পারে। যে ইখতিলাফ বর্তমান আসছে।

এই কাজের এক বহুত বড় তবকা এখনো খামুসি এখতিয়ার করছেন এই ভেবে যে এটা তো বড় দের ইখতিলাফ আর আমরা তো বহুত ছোট, তাই আমাদের বলার কনো গুনজাইশ নেই।

কাজের আরো এক তবকা এই বিষয় নিয়ে আওয়ামুন্নাস এর মধ্যে সমালোচনা ও তাদের কে গুমরাহ করছে।

যেই কাজ আল্লাহ আমাদেরকে মউত তক করার জন্য দিয়েছেন সেই কাজে বড় দের ইখতিলাফ কেন? তার প্রকৃত সত্য টা কি? এটা সবাইর জানা বহুত জরুরি কেননা যতক্ষন পর্যন্ত প্রকৃত সত্যতা জনবনা তো আমলী কদম উঠানো বহুত মুশকিল হবে।
তাই প্রকৃত সত্য টা আপনাদের সম্মুখে তুলেধরার চেষ্টা করছি, আশা করি আমাদের দিলে নিজামুদ্দিনের আজমত ও নিজামুদ্দিনের মুকিমদের আজমত পয়দা করে সত্য র উপর আমলী কদম যেন আমরা সবাই রাখি, যাদের বাপ দাদাদের কুরবানীর বদৌলতে আজ আমাদেরকেও আল্লাহ এ কাজে জুড়েছেন।

কিছু সংখ্যক দাওয়াতের কর্মীরা আওয়ামুননাস কে বলছেন যে মৌলানা সাদ সাহাব জিদ্দি, মানেন না, শুরা কে তসলিম করেননা আরও অনেক কিছু, এই সমস্ত ভুল ও মিথ্যে কথা, যারা এইসমস্ত কথা অপপ্রচার করছে তাদের অন্তরে কি আছে আল্লাহ ভালো জানেন কিন্তু কুনো একটা বিষয় অসম্পূর্ণ আলোচনা করা এটা তো আওয়ামুন্নাসের ব্রেইন ওয়াশ করা ছাড়া আর কিছু নয়।

মূল কথা হলো, ইন্তেকালের পূর্বে হজরতজী ইনামুল হাসান সাহেবে বিশ্বের আকাবিরিনদের মধ্যে থেকে বেচে বেচে সুন্নাতে ফারুকী মুতাবিক ১০ জনের এক শুরা বানিয়েছিলেন এইজন্য যে এই ১০ ব্যক্তি তাদের আমীর মুনতাখাব করে নেয়ার জন্য। হজরতের ইন্তেকালের পর উক্ত ১০ জন নিজামুদ্দিন মওজুদ ছিলেন……
১. হজরতজী মৌলানা সাইয়েদ আহমেদ খান সাহেব (রঃ)
২. হজরতজী মুফতি জয়নুল আবেদীন সাহাব (রঃ)
৩. হজরতজী মৌলানা উমর পালানপুরী সাহাব (রঃ)
৪. হজরতজী মৌলানা ইজহারুল হাসান সাহাব (রঃ)
৫. হজরতজী মৌলানা জুবাইরুল হাসান সাহাব (রঃ)
৬. হজরতজী মিয়াজী মেহরাব সাহাব (রঃ)
৭: হজরতজী হাজী আব্দুল ওয়াহাব সাহাব (দা বা)
৮. হজরতজী হাজী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মুকিত সাহাব (রঃ)
৯. হজরতজী হাজী আফজাল সাহাব (রঃ)
১০. হজরতজী মৌলানা সাদ সাহাব (দা বা)

উক্ত ১০ জন নিজামুদ্দিন মওজুদ ছিলেন ও লাগাতার ৩দিন মশার মাশ্বরা করার পরও তিনার আমীর মুনতাখাব করতে পারেননি।

এবার কথা হলো যারা বলছেন মৌলানা সাদ সাহেব শুরা মানচেন্না তিনাদের এই কথা বুজা দরকার ওই শুরা ছিল আমীর মুনতাখাব করার শুরা।

এই ১০ শুরার সাথীরা লাগাতার ৩ দিন মাশ্বরা করার পর একজন আমীর মুনতাখাব করতে না পেরে ৩ জন আমীর য়ানী ৩ ফয়সাল মুনটাখাব করেন…..
১. হজরতজী মৌলানা ইজহারুল হাসান সাহাব (রঃ)
২. হজরতজী মৌলানা জুবাইরুল হাসান সাহাব (রঃ)
৩. হজরতজী মৌলানা সাদ সাহাব (দা বা)
এই তিনজন তখন থেকে বারি বারি ফয়সাল বনে এসছেন।

১০ জনীয়া শুরার মধ্যে নিজামুদ্দীনের ৫ জন ছিলেন আর উনারা পাঁচজন জীবিত ছিলেন। তখন থেকেই এই তিনজন ফয়সল বারি বারি ফয়সাল বনে এসছেন। এই তিনজন ছাড়া অন্য কেহ কখনো ফয়সলা করেননি।

যারা আওয়ামুন্নাসের ব্রেইন ওয়াশ করছেন আপনারা তাহকীক করুন সত্য টা প্রচার করুন। আপনারা যা বলছেন যে শুরার সবাই ফয়সাল বনুক, এটা তো হরগিজ ঠিক নয় এটা তো সীরাতে সাহাবার খিলাফ, খুলাফায়ে রাশেদীন দের সময় আমীর তয় করা হতো, ফায়সালা তো আমীরেই করতেন।

যে পর্চাতে এই তিনজন আমীর তয় করা হয়েছিল এতেও লিখা আছে যে এই তিন ফয়সালের মধ্যে যদি একজনও জিন্দা থাকেন তবে তিনিই আমীর থাকবেন।

এখানে পরিষ্কার বুজা যায় যে হজরত মৌলানা সাদ সাহাব কে হজরত ইনামুল হাসান সাহাবেই আমীর বানিয়েছিলেন।

এবার কথা হলো, নভেম্বর 2015 তে রায়বন্ডে যে শুরা বানানো হয়েছিল ওই শুরার পর্চা কে তৈয়ার করেছিল?

হজরত মৌলানা তারিক জামিল সাহাব বলছেন তিনি এই শুরা বানিয়ে হাজী সাহেবের কাছে পাঠিয়েছেন আর হাজী সাহাবে ১০১ বার আল্লাহুম্মা আখিরলি ওয়াখফিরলি পড়ে পর্চাতে দস্তখত করেদেন এর পর এই পর্চা নিয়ে মৌলানা সাদ সাহেবের কাছে যাওয়া হয় কিন্তু মৌলানা সাদ সাহাব এই পর্চা রোদ করে দিয়েছেন আর সাদ সাহাব এই কথা বলছেন যে আমাদের কাজে কুনো আলমী শুরা নেই, আলমী মাশ্বরা আছে আলমী শুরা নেই হা কাকরাইলের শুরা বানানো আছে, রায়বন্ড শুরা বানানো আছে, আমরা হিন্দুস্তান গিয়ে আমাদের শুরা বানিয়ে নেব এটাই উনার জবাব ছিলো।

এখানে প্রশ্ন জাগে, যে মজলিসে হাজী সাহেবও মওজুদ নেই, মৌলানা সাদ সাহাবও মওজুদ নেই তো কার সাথে মোশরা করে শুরার পর্চা তৈরি হলো।

তার পর মৌলানা সাদ সাহাব ৮ ডিসেম্বর ২০১৫ তে নিজামুদ্দিনে পুরানাদের মূল্কি মাসরা ডাকেন এবং এই বিষয়ে মুজাকরা করা হয় সাথে সাথে নিজামুদ্দীনের শুরার তাকমীরও হয় যেখানে…
১. হজরত মৌলানা সাদ সাহাব
২. হজরত মৌলানা ইব্রাহিম সাহাব
৩. হজরত মৌলানা আহমদ লাট সাহাব
৪. হজরত মৌলানা জুহেরুল হাসান সাহাব
৫. হজরত মৌলানা ইয়াকুব সাহাব
৬. মিয়াজী আব্দুসত্তার সাহাব
৭. মিয়াজী আজমত সাহাব
৮. আব্দুল আলী সাহাব
৯. মৌলবী ইউসুফ ইবনে মৌলবী সাদ
৯ জনের শুরা বানানো হয়। এর পর ভাই মুস্তাক সাহাব, মৌলানা জামশেদ সাহাব ও মুফতি শেহজাদ সাহাবকেও শুরুতে নেওয়ার কথা আসছিলো কিন্তু মূলক এর উপর সহমতি দেননি।

এই ৯ জনের শুরা যা ভাই ফারুক সাহাব বেংলুর ওয়ালে নিজের হাতে লিখেন ও রায়বন্ড রওনা হন ওয়াদা মুতাবিক শুরার পর্চা মৌ তারিক জামিল সাহেবকে দেয়ার জন্যে।

এখন কথা হলো যখন শুরা বানানো হলো আর মৌলানা এনামুল হাসান সাহের হাতের বানানো ১০ জনের একজন তয় হয়ে আছেন তো আপনারাই বলুন শুরা আর ফয়সালের মামলা আসলো কোথা থেকে।

আল্লাহ রব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে মানামানির সিফাত দান করুন।–আমীন।

সাহাব উদ্দীন আহমেদ
ইত্তেহাদ ফ্রন্ট।

Advertisements

One thought on ““নিজামুদ্দিন মার্কেজের শুরা ও মাওলানা সাদ সাব দাঃ বঃ”

Leave a Reply