তাবলীগ জামাত ভাবনা

তাবলিগ জামাত একটি ইসলাম ধর্মভিত্তিক আন্দোলন (সংগঠন নয়, কেননা সংগঠন হিসেবে বিবেচিত হওয়ার জন্যে প্রয়োজনীয় শর্তাবলী এখানে অনুপস্থিত), যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকা।

মুসলমানরা বিশ্বাস করেন, ইসলাম আল্লাহর মনোনীত একমাত্র পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে ইসলামের বাণী পৌঁছে দেয়ার জন্য আল্লাহ পৃথিবীতে অসংখ্য নবী ও রাসূল প্রেরণ করেছিলেন। কিন্তু যেহেতু মুহাম্মদ(সাঃ) আল্লাহর শেষ বাণীবাহক, তাঁর পরে আর কোনো নবী বা রাসূল আসবেন না, তাই মুহাম্মদ(সাঃ) বিদায় হজ্জ্বের ভাষণে মুসলমানদেরকে ইসলামের দাওয়াত দেয়ার দায়িত্বটি দিয়ে যান। তবে এবিষয়ে মুসলমানদের ধর্মগ্রন্থ কুরআনেও উল্লেখ আছে:

“তোমরাই শ্রেষ্ঠ উম্মত, মানুষের(কল্যাণের) জন্য তোমাদেরকে বের করা হয়েছে। তোমরা মানুষকে সৎ কাজের আদেশ করবে এবং অসৎকাজ থেকে নিষেধ করবে।” (সূরা আল-ইমরান, আয়াত-১১০)

”তার চেয়ে ভাল কথা আর কি হতে পারে, যে মানুযকে আল্লাহর দিকে ডাকে, নিজে নেক আমল করে আর বলে যে, আমি সাধারণ মুসলমানদের মধ্য হতে একজন। (সূরা হা মীম সিজদা আয়াত-৩৩)

ইসলামের প্রাথমিক যুগে মুহাম্মদ(সাঃ)এর মৃত্যুর পর তাঁর আদর্শস্নাত সাহাবী, তাবেয়ী ও তাবে-তাবেয়ীগণের মাধ্যমে ইসলামী জীবন বিধান প্রচার ও প্রসারের কার্যক্রম আরো বিস্তৃতি লাভ করে। কিন্তু মুসলিম শাসকদের ক্ষমতা বিলপ্তির পর ইসলামী প্রচার কার্যক্রমে ভাটা পড়তে থাকে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য মুসলিম মনীষীদের প্রচেষ্টাও অব্যাহত ছিল। এমনই পরিস্থিতিতে মাওলানা মুহাম্মাদ ইলিয়াস ভারতের দিল্লীতে তাবলিগ জামাতের সূচনা করেনএবং তাঁর নিরলস প্রচেষ্টার ফলে তাবলিগ জামাত একটি বহুল প্রচারিত আন্দোলনে রূপ নেয়।সারা বিশ্বে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়া তাবলিগ জামাতের অন্যতম উদ্দেশ্য।

নিজামউদ্দিন মারকাজ মসজিদ ভারতের দক্ষিণ দিল্লির পশ্চিম নিজামউদ্দিনে অবস্থিত একটি মসজিদ। এটি তাবলিগ জামাতের বৈশ্বিক কেন্দ্রস্থল। ভারতের তাবলিগ জামাত এই মসজিদকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয় এবং বার্ষিক সমাবেশ এতে অনুষ্ঠিত হয়। এটি ভারতে তাবলিগের ইসলাম প্রচারকদের সদরদপ্তর। মূলত এই মসজিদকে কেন্দ্র করেই সারা পৃথিবীতে ইসলাম প্রচারের কাজ পরিচালিত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ইসলাম শেখার জন্য এখানে আসে।

কাকরাইলমসজিদ বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কাকরাইল এলাকায় রমনা পার্কের পাশে অবস্থিত একটি মসজিদ। এটি বাংলাদেশে তাবলীগ জামাতের মারকায বা প্রধান কেন্দ্র। ১৯৫২ সালে এই মসজিদটি তাবলীগ জামাতের মারকায হিসেবে নির্ধারিত হয়। মসজিদটির আদি নাম ছিল মালওয়ালি মসজিদ।
পরবর্তীতে ১৯৬০এর দশকে তাবলীগ জামাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ইঞ্জিনিয়ার মরহুম হাজী আব্দুল মুকিতের তত্ত্বাবধানে তিন তলা মসজিদটি পুনঃনির্মাণ করেন।

বিশ্ব ইজতেমা বা বিশ্ব ইজতিমা হল ,তাবলিগ জামাতের বার্ষিক বৈশ্বিক সমাবেশ, যা বাংলাদেশের টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। তাবলিগ জামাতের এই সমাবেশটি বিশ্বে সর্ববৃহৎ, এবং এতে অংশগ্রহণ করেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। ‘বিশ্ব ইজতেমা’ শব্দটি বাংলা ও আরবি শব্দের সম্মিলনে সৃষ্ট: আরবি ‘ইজতেমা’ অর্থ সম্মিলন, সভা বা সমাবেশ। সাধারণত প্রতিবছর শীতকালে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়ে থাকে, এজন্য ডিসেম্বর বা জানুয়ারি মাসকে বেছে নেয়া হয়।১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দ থেকে প্রতি বছর এই সমাবেশ নিয়মিত আয়োজিত হয়ে আসছে।প্রতিবছর বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রাম-শহর-বন্দর থেকে লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান এবং বিশ্বের প্রায় ৫০ থেকে ৫৫টি দেশের তাবলিগি দ্বীনদার মুসলমান জামাতসহ ২৫ থেকে ৩০ লক্ষাধিক মুসল্লি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম আন্তর্জাতিক ইসলামি মহাসম্মেলন বা বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নেন।

তাবলীগ জামাত সকল রকম রাজনীতি ও কোন রকম দুনিয়া হাসিলের পথ ও মতের সহিত জড়িত নহে। ১০০% দুনিয়া ভোলা ও আখেরাতের খোজের আম মানুষের মুজাহেদায় আজ ভারতীয় উপমহাদেশের বাইরে আরবসহ ইউরোপ, আমেরিকা পেরিয়ে দুনিয়াময় এই কাজ যখন ৮০ টির ও বেশী দেশে আল্লাহতালা কবুল করছেন, ঠিক তেমন সময়ে ইসলামের দুষমনেরা ও কতিপয় ধর্ম ব্যবসায়ী যারা ধর্মকে ব্যবহার করে ‘স্বার্থোদ্ধার সংক্রান্ত কাজে লিপ্ত, তারা সুদূর আমেরিকায় বসে সারা দুনিয়াময় এই কাজের ক্ষতি করছেন। গত কয়েক দিন ধরে বাংলাদেশে ও যার প্রভাব দেখা যাইতেছে। যদি ও এর প্রথম শুরু গত ২ বসরের বেশী আমেরিকার ” আল-ফালাহ” নামক কুইনসের এক মসজিদ থেকে। ভারতের গুজরাট, পাকিস্তান ও বাংলাদেশী কতিপয় মানুষের ষড়যন্ত্রে আামেরিকার নিউইয়র্ক হয়ে কানাডার কিছু অংশ, ভারতের গুজরাত, পাকিস্তানের কিছু অংশ হয়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ও ইসলামীঐক্যজোটের মত রাজনৈতিক দলগুলো (ধর্ম ব্যবসায়ী) নিয়ে, সালাফিদের আদলে কতিপয় ওলামা নামধারী ধর্ম ব্যবসায়ীদের (যারা তাবলীগের মেহনতে নয়) নিয়ে তাবলীগ ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

তাবলীগের এই উত্থানে শংকিত ইসলামের দুষমন  দালালদের ফাদে আজ কতিপয় লোভী তাবলীগের সাথী, টাকার বিনিময়ে তারা গত ২ বছর আগে আমেরিকার নিউইয়র্ক এ ষড়যন্ত্রের বীজ বপন করে। যাদের সাথে যোগ হয় পাকিস্তান প্রেমী গুজরাটের নিযামুদ্দিন ত্যাগী দুজন মাওলানা ও বাংলাদেশী জনৈক ডক্তর ডিগ্রিধারী আমেরিকা প্রবাসী @ ডা: আওয়াল, ভারতের মাও: আ: রহমান, বাংলাদেশের মুফতি নজরুল, পাকিস্তানের এক আলেম নামের শেষ “ল” তাদের ইন্ধনে বাংলাদেশের হেফাজতে ইসলাম আজ তাবলীগের ঘরে আগুন দেয় (যাদের সাথ যোগ দেন কাকরাইলের মাও: যুবায়ের, রবিউল, ফারুক সাহেব গন)। যার প্রভাব আমরা কয়েক দিন আগে ২০১৮ এর প্রথম ধাপের টঙ্গি এস্তেমায় দেখলাম। ২য় ধাপে দেখা যাইবে আমেরিকা প্রবাসী সেই ডা: আওয়াল ও ভারতের মাও: আ: রহমান, হেফাজতের আলেম, চরমোনাই পীরসহ অনেকে “হাইজাক এস্তেমায়” বয়ান করিতেছেন। আমেরিকার নিউইয়র্কের মত, বাংলাদেশে ও তারা ২০১৮ সালের ওয়ার্ল্ড টংগি এস্তেমা হাইজাক করে “আলমী সুরা” চালু করিবেন। যাহাতে ২০১৯ সাল থেকে ওয়ার্ল্ড এস্তেমার বদলে আমরা নতুন কিছু দেখবো।

মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশি’ কিংবা ‘দুধের দেওবন্দের চেয়ে ঘোলের দেওবন্দের আজ্ঞা বেশি’- গোটা পরিস্থিতিই আজ এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গত বছরের কথা চিন্তা করুন। মাওলানা সা’দ সাহেবের বিরুদ্ধে তখন সদ্য জারী হওয়া ফতওয়া। দারুল উলূম দেওবন্দ এই ফতওয়া প্রদান করেছে। মাওলানা সা’দ সাহেবের সুস্পষ্ট কোন রুজুও নেই, দেওবন্দ তখনো কোন সিদ্ধান্ত জানায়নি। যদিও তওবা তো কেবল রাব্বুল ইজ্জাতের কাছে। এবং, দেওবন্দ তাঁকে বাঁধাও দেয়নি বাংলাদেশের ইজতেমায় অংশগ্রহণ করতে। দেওবন্দ তাঁকে ইজতেমায় বয়ান করতে নিষেধ করেনি। দেওবন্দ তাঁকে কোটি মানুষকে সাথে নিয়ে মুনাজাত করতেও নিষেধ করেনি। তখনোও না, এখনও না। এবছর ভারতের সবচে বড় ভূপাল ইজতেমায় মাত্র দিনকয়েক আগে মাওলানা সা’দ সাহেব অংশগ্রহণ, বয়ান ও মুনাজাত করে এসেছেন। দেওবন্দ কোন কিছুতেই তাঁকে নিষেধ করেনি। নিষেধ তবে করলো কারা?

যে দেওবন্দ উম্মতের তরে তাঁর বিরুদ্ধে ফতওয়া দিয়েছে, সেই দেওবন্দের দ্বায়িত্ব ও কর্তব্য তাঁকে বাঁধা দেয়া ও নিষেধ করা। ইতিহাস সাক্ষী, দেওবন্দ কখনো তাঁর দায়িত্ব আদায়ে, কর্তব্য পালনে পিছপা হয়নি। দেওবন্দ মনে করেছে মাওলানা সা’দ সাহেবের বক্তব্যের প্রতিবাদ করতে হবে, দেওবন্দ করেছে। দেওবন্দ মনে করেনি মাওলানা সা’দ সাহেব ইজতেমায় অংশগ্রহন করতে পারবেন না, দেওবন্দ নিষেধ করেনি। করলো তবে কারা?

আমরা। আমরা করেছি। দেওবন্দ তাঁর নিজের ফতওয়া বুঝেনি, বুঝেছি আমরা। দেওবন্দ তাঁর ফতওয়ার আজ্ঞা পালন করেনি, করেছি আমরা। আর তা করছি দেওবন্দের নামে।

দেওবন্দের অপমান, দেওবন্দের প্রতি অনাস্থা, অশ্রদ্ধা আর তাচ্ছিল্য প্রকাশ করলেন কে? দেওবন্দের অনাপত্তি মেনে-অনুসরণ ইজতেমায় যোগ দিতে এসে হযরত মাওলানা সা’দ কান্ধলবী দা.বা. নাকি দেওবন্দের নাম ভাঙিয়ে তাঁকে আটকে দিয়ে আমরা?

হযরত মাওলানা সা’দ কান্ধলবী দা.বা.-এর মৌলিক অবস্থানকে অনেকে পদপ্রেমী অবস্থান হিসেবে চিহ্নিত করতে চাচ্ছেন। সেই সাথে ইনিয়ে-বিনিয়ে ‘খান্দান দিয়ে কি হবে?’ এই প্রশ্নও তুলছেন জোরেশোরে।

বিস্তারিত আলোচনা এখানে ফায়দাবিহীন। শুধু একটু ভাবনার খোরাক জুগিয়ে যাই। আল্লাহ্‌ তা’আলা কুর’আনে কারীমে উল্লেখ করেছেন, “যারা ঈমানদার এবং যাদের সন্তানসন্তুতিরা ঈমানে তাদের অনুগামী, আমি তাদেরকে তাদের সন্তানসন্তুতিদের সাথে মিলিত করে দেব এবং তাদের আমল বিন্দুমাত্রও হ্রাস করবো না”। ( সূরাঃ আত-তূর, ২১) এই আয়াতের তাফসীরে হযরত ইবনে আব্বাস (রাদি.) বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ্‌ তা’আলা মু’মিনদের সন্তানসন্তুতিদের অবশ্যই তাদের মর্যাদার স্তরে অভিষিক্ত করবেন, যদিও তাদের আমলে কমতি থাকে। (তবারী ও অন্যান্য কিতাবাদি দ্র.) আমরা নিশ্চয় এখনো হযরত মাওলানা সা’দ কান্ধলবী দা.বা. কে কাফের বানিয়ে দেইনি, দিয়েছি কি?

বিষয়টি যখন একটি কাজ পরিচালনার, একটি সাংঘঠনিক কাঠামোর নেতৃত্বদানের, তখন তো খান্দানের প্রশ্ন অবধারিত ভাবেই এসে পরে। মানুষের প্রাকৃতিক স্বভাবই হলো, সে নেতা খুঁজে নেয়। আর দশটা লোকের চেয়ে উঁচু বংশের বা নেতৃত্ব দিয়ে আসা বংশের লোকের প্রতিই সে ঝুঁকে। দেখুন না, হাজার হাজার যুবক সাহবায়ে কেরামের (রা.) মাঝে জান্নাতের যুবসর্দার হবেন সারওয়ারে কায়েনাত সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পৌত্র। নারীদের নেতৃত্বও তাঁরই সন্তানের হাতে আল্লাহ্‌ তা’আলা দিয়েছেন। কুফাবাসী নেতৃত্ব শূণ্যতায় তাঁর সন্তানের দিকেই ঝুঁকে ছিলো।

আমরা যারা তাবলীগ হযরতজী ইলিয়াস রহ. এর কর্মপন্থায় চলছে না বলে চিন্তিত, দিনশেষে কিন্তু আমাদের কাউকে তাঁর পাশের আসনে দেখা যাবে না। মাওলানা সা’দ কান্ধলবীকেই সেখানে দেখা যাবে।

এতোকিছুর পরও মাওলানা সা’দ দা.বা.-এর কাজের সাথে জুড়ে থাকার কারণ উপলব্ধি করতে হলে আমাদের ইতিহাসের আশ্রয় নিতে হবে। এ কথা পরিষ্কার, আমরা আকাবিরের জীবন থেকে নজীর খুঁজি, তুলনা করি না। নিতান্তই পাগল না হলে কেউ সাহাবায়ে কেরামের সাথে তুলনা দিতে যাবে না। অবশ্য আজকাল যেহেতু বাংলাদেশের আলেমরা একেঅপরকে পাগল আখ্যা দিচ্ছেন, তাই আগেই দায়মুক্তি দিয়ে নেয়া ভাল।

হযরত উসমান ইবন আফফান রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু। সাধারণ মানুষের মাঝে তৃতীয় শ্রেষ্ঠতম মানব। আজকাল যেভাবে মাদরাসার ছাত্ররা কাকরাইল মসজিদ ঘেরাও করে রেখেছে, সেযুগেও মুনাফিক আর ফেতনাবাজরা হযরত উসমান (রাদি.) কে ঘেরাও করে রেখেছিলো। তিনি কিন্তু পারতেন সবকিছু ছেড়েছুড়ে মদিনার বাইরে চলে যেতে। কিন্তু তিনি মৃত্যুর মুখেও দায়িত্ব ত্যাগ করে যাননি।

চতুর্থ শ্রেষ্ঠতম ব্যক্তি হযরত আলী (রাদি.)। তিনিও তাঁর খিলাফতে অনাস্থা প্রকাশ পাওয়ার পরও কার্যভার ছেড়ে দেননি। এখন কেন যাননি, কেন ছাড়েন নি এসব আলোচনার একে তো এখানে প্রয়োজন নেই, দ্বিতীয় এসব আলোচনা করতে গেলে পা হড়কানোর ঝুঁকি থাকে। এখানেও কিন্তু খান্দানের কথা চলে আসে। অবরোধের এক পর্যায়ে হযরত উসমান (রা.) কে রক্ষা করতে হযরত আলী (রা.) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দুই নাতিকে পাঠান। তাঁদের দেখে সেদিন আর কেউ পা বাড়াতে সাহস পায়নি। পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ফেতনার সূচনা একদিন পিছিয়ে গিয়েছিলো পবিত্র রক্তের বাহক, স্রেফ খান্দানের কারণে।

মাওলানা সা’দ সাহেবকে সরিয়ে দিয়ে আমরা কি আরো একটি ভয়াবহ বিপর্যয় টেনে আনছি না?

“For the past 100 years, the decision of Da’wah & Tableegh was made only in Nizamuddin World Markaz. No one asked a single question. This is how the effort has been running, it always stayed there and it never went elsewhere. ML Saad’s Imaarath was decided 20 years ago. This new concept of Shura is bogus, this is not a reality, this has no basis in the effort. It has always been that our Markaz has always been Markaz Nizamuddin in New Delhi.”

Advertisements

2 thoughts on “তাবলীগ জামাত ভাবনা

Leave a Reply